
রোতাব চৌধূরী :: কক্সবাজারে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক স্ট্রেনদেন্থ এন্ড ইনফরমেটিভ মাইগ্রেশন সিস্টেম সিমস্ প্রকল্পের (২য় পর্যায়) সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় একটি হোটেলের সম্মেলন কক্ষে প্রত্যাশী সংস্থার আয়োজনে বিদেশগামী, বিদেশে অবস্থানরত ও বিদেশ ফেরত মানুষের নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা ও তাঁদের পরিবারের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষে জেলা পর্যায়ে কর্মরত সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার, আইনজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ সকল অংশীজনের সমন্বয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা জজ আদালতের সিনিয়র সিভিল জজ ও জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার হামীমুন তানজীন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের বিভিন্ন আইনী সহায়তা ও পরামর্শ তুলে ধরেন।
সিমস্ প্রকল্প ব্যবস্থাপক বশির আহমেদ মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রবাসী কল্যাণ সেলের সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মির্জা মোঃ তাওসীফ শরীফ স্নিগ্ধ,জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক লিটন কান্তি চৌধুরী,যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক ইকরাম চৌধুরী টিপু,ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সরওয়ার আকবর,সিমস্ প্রকল্প কর্মকর্তা তৌহিদা জান্নাত শিমুসহ প্রবাসীরা বক্তব্য রাখেন।
সভায় প্রকল্পের কার্যক্রম বিষয়ক প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন সিমস্ প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী রশিদা খাতুন।
সভায় বিদেশ গমনকারীদের বৈধভাবে বিদেশগমনে সচেতনতা বৃদ্ধি,দক্ষতা অর্জন,আইনী সহায়তাসহ ফিরে আসা অভিবাসীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষন দেয়ার বিষয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।
সুইজারল্যান্ড সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত সিমস্ প্রকল্পটির প্রধান বাস্তবায়নকারী সংস্থা আন্তজার্তিক উন্নয়ন সংস্থা হেলভেটাস এবং মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন করছে প্রত্যাশী।
চট্টগ্রাম জেলার ৮টি উপজেলার ৪০টি ইউনিয়নে এবং কক্সবাজার জেলার সদর,রামু, ঈদগাও ও চকরিয়া এই চারটি উপজেলার ২৮টি ইউনিয়নে চার-বছর মেয়াদী এই প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এছাড়াও এই প্রকল্পের আইনী পরার্মশ ও সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবি সমিতি।

Posted ৩:০২ অপরাহ্ণ | বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
coxbangla.com | Chanchal Das Gupta