শুক্রবার ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আশ্বিন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

শুক্রবার ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

প্রত্যাশার সফরে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী

শুক্রবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩
16 ভিউ
প্রত্যাশার সফরে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাংলা ডটকম(৮ সেপ্টেম্বর) :: জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  দুদিনের সফরেেএখন দিল্লি । শুক্রবার বেলা ১১টা ১৩ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। এর আগে শুক্রবার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় সফররত রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।  ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির আবাস্থলে এ বৈঠক হয়।দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিস্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা করেন তারা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে (বাংলাদেশ সময় দেড়টা) নয়াদিল্লিতে পৌঁছান শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এটাই শেষ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক।

এদিকে ২০২৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলপত্র ইস্যুতে প্রভাবশালী দেশগুলোর কাছে বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে এ সফরকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

তাদের ভাষ্য, দিল্লিতে কাল থেকে যে সম্মেলন হতে যাচ্ছে, সেটা অংশগ্রহণকারী সব দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।আর বাংলাদেশের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাদের অব্যাহত চাপের মধ্যে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়া।

এ সফরে নির্বাচন নিয়ে দিল্লির কাছে ঢাকার অবস্থান স্পষ্ট করা এবং দিল্লির সমর্থন আদায় করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

ছবি : সায়মা ওয়াজেদ ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতে একটি স্যুভেনিয়র তুলে দেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা শেখ হাসিনার ভারত সফরকে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দুভাবেই সমান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন। তারা বলছেন, শুধু বাংলাদেশই নয়, ভারতের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকরাও হাসিনা-মোদির একান্ত বৈঠককে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন। কারণ বাংলাদেশে চলতি বছরের শেষদিকে বা আগামী বছরের শুরুতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ভারতেও আগামী বছরের প্রথমার্ধে নির্বাচন হওয়ার কথা।

দুই দেশের কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন শিবিরের সঙ্গে অস্থিরতা চলছে। ওয়াশিংটন এবার বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে অনেক বেশি আগ্রহী।

গত দুই বছর ধরে দেশটি বাংলাদেশের অবাধ,দিল্লি সফরে গুরুত্ব পাবে রাজনীতি ও কূটনীতি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে সবক দিয়ে চলেছে। এমনকি র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞার পর গত মে মাসে নির্বাচন ইস্যুতে নতুন ভিসানীতি ঘোষণা করেছে।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, জি-২০ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ প্রভাবশালী দেশের নেতারা উপস্থিত থাকবেন। এ কারণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্বাচন নিয়ে তাদের সঙ্গে চলমান অস্থিরতার বিষয়ে আলোচনা ও সমাধান সূত্র আসতে পারে।

তারা বলছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জো বাইডেনের মধ্যকার অনুষ্ঠিত বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও ইন্দো-প্যাসিফিক নিয়ে আলোচনায় বাংলাদেশের বিষয় আসবে। তার আগে হাসিনা-মোদি বৈঠকটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যুক্তরাষ্ট্র যেমন চায় না যে, বাংলাদেশ তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ চীনের দিকে ঝুঁকে পড়–ক।

ঠিক একইভাবে প্রতিবেশী ও বন্ধুপ্রতিম দেশ ভারতও চায় না বাংলাদেশ তাদের শত্রু দেশ চীনের সঙ্গে বেশি ঘনিষ্ঠ হোক। কারণ ইন্দো-প্যাসিফিকে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক জরুরি মনে করে ভারত।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মোদির সরকারি বাসভবনেই ওই বৈঠক হবে। বৈঠকে তিস্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা করতে চায় ঢাকা। এ ছাড়া জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিসহ গুরুত্বপূর্ণ সব ইস্যুতে আলোচনা হবে।

দুই দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, নিরাপত্তাসহ সংশ্লিষ্ট সব বিষয় আসতে পারে দুই নেতার আলোচনায়। সে ক্ষেত্রে ভারতের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিরাপত্তা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময় ভারত নিরাপত্তা খাতে বাংলাদেশের কাছ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা পেয়েছে। বাংলাদেশ তার ভূখণ্ড ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার হতে দেয়নি।

তিন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হবে : শেখ হাসিনার দিল্লি সফর উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, জি-২০ সফরকালে তিনটি সমঝোতা স্মারক সই হবে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে টাকা ও রুপির লেনদেন সহজ করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও ভারতের এনপিসিআইর মধ্যে সমঝোতা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যে তিনটি সমঝোতা স্মারক হবে, তা হলো কৃষি গবেষণা ও শিক্ষা সহযোগিতা, সাংস্কৃতিক চুক্তির মেয়াদ ২০২৩ থেকে ’২৫ পর্যন্ত বাড়ানো এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনপিসিআইর মধ্যে সমঝোতা স্মারক।

নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হবে কি না, এ প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হবে কি না আমি জানি না। আমরা যেটি চাই আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা। আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য। আমরা কোনো কারচুপি চাই না।

তিনি বলেন, আমরা স্বচ্ছ ও সুন্দর নির্বাচন চাই। সেখানে কেউ যদি আমাদের দিকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়, সেটিকে আমরা স্বাগত জানাই। তবে কেউ যদি মাতব্বরির ভূমিকা নিয়ে আসে, আমরা সেটি সহ্য করব না। আমরা স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা কাউকে ভয় পান না।’

ড. মোমেন বলেন, ‘আমরা কোনো চাপের মুখে নেই। কারণ আমরা অত্যন্ত পরিষ্কার যে, সুন্দর একটি নির্বাচন করব। অন্যরা পছন্দ করুক বা না করুক, এটি তাদের সমস্যা। তারা চাপের মুখে পড়ে ছাই হয়ে যাবে। কিন্তু আমরা টিকে থাকব।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ছাড়াও সাইডলাইনে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স, আর্জেন্টিনা, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা আছে। প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে বাংলাদেশের হাঁড়িভাঙা জাতের আমের চারা রোপণ করবেন বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীকে আপ্যায়ন করা হবে পঞ্চবটীতে : শেখ হাসিনার সফরকে ভারতের পক্ষ থেকেও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর আপ্যায়নের রীতিতেও তা স্পষ্ট। সাধারণত রাষ্ট্রীয় কোনো অতিথি ভারত সফরে গেলে দেশটির রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন হায়দরাবাদ হাউজ অথবা সাউথ ব্লকে আপ্যায়ন করা হয়ে থাকে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আপ্যায়ন করানো হবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবন ৭ লোককল্যাণ মার্গে বা পঞ্চবটীতে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আন্তরিকতার বার্তা দিতেই এ গৃহঅভ্যর্থনার আয়োজন করা হয়েছে। আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়া, আর্জেন্টিনা ও সৌদি আরবের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নৈশভোজে এবং সম্মেলন কক্ষে বাইডেনের সঙ্গে হাসিনার ‘দেখা হয়ে যাবে’।

জি-২০-এর সদস্য না হলেও এবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। ২৫টিরও বেশি দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সামনে ‘গ্লোবাল সাউথের’ পক্ষে বক্তব্য দেবেন শেখ হাসিনা।

তিস্তার পানিতে আশা, সাইডলাইনে হতে পারে হাসিনা-মমতা বৈঠক : এদিকে তিস্তার হিস্যা নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির মতামতও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জি-২০ সম্মেলনের নৈশভোজে অংশ নেবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা। ভারতীয় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদি মুর্মুর আমন্ত্রণে সেখানে যাচ্ছেন তিনি। অনুষ্ঠানের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মমতার বৈঠক হতে পারে বলে জানিয়েছে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, হাসিনা-মোদির বৈঠকে তিস্তা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে। এ অবস্থায় একই সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর অংশগ্রহণ এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন সম্প্রতি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের সরকারপ্রধান তিস্তা নদীর হিস্যার বিষয়টি তুলবেন। তিনি বলেন, আমাদের ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি রয়েছে, সেটিও (আলোচনায়) তোলা হবে। সব বিষয়ে আমাদের যৌথ নদী কমিশন এবং অন্যরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের গুরুত্ব সম্পর্কে সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ও রাষ্ট্রদূত মো. ওয়ালিউর রহমান বলেন, ‘দুই দেশের সম্পর্ক এমনিতেই অনেক ভালো। জি-২০ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে দেখা হবে। রোহিঙ্গা সংকট ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে তিনি কথা বলবেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর অবশ্যই কূটনৈতিক গুরুত্ব রাখে। কারণ সেখানে তিনি বক্তৃতা দেবেন এবং দক্ষিণের অর্থনীতি নিয়ে কথা বলবেন। তিনি উন্নয়নশীল বিশ্বের হয়ে কথা বলবেন এবং কীভাবে আমরা আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাব, সেই বিষয়ে বক্তব্য তুলে ধরবেন।’

সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘আমি মনে করি এ সফর অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের (বাংলাদেশ-ভারত) প্রধানমন্ত্রীর যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে, তা অবশ্যই দুই দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত ও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে কথা হবে। আর সেই আলোচনা সাধারণত গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্র বা পশ্চিমা চাপের বিষয়ে দুই শীর্ষ নেতা কী বলবেন, সেটি হয়তো কোনো পক্ষই প্রকাশ করবে না। ধারণা করছে সবাই এ নিয়ে আলোচনা হবে।’

 

16 ভিউ

Posted ১২:২৫ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com