বৃহস্পতিবার ২২শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

বৃহস্পতিবার ২২শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের ভর্তি বন্ধ করছে যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫
123 ভিউ
বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের ভর্তি বন্ধ করছে যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

কক্সবাংলা ডটকম(৪ ডিসেম্বর) :: বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য যুক্তরাজ্য। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে শিক্ষার্থী ভিসায় যুক্তরাজ্যে থাকা অভিবাসীদের জন্য নতুন ভিসানীতি প্রস্তাব করে দেশটির সরকার, যা ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।

এরপর থেকেই কমতে থাকে দেশটিতে পড়তে যাওয়া বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা। এর মধ্যে নতুন করে ধাক্কা এসেছে উচ্চশিক্ষা প্রত্যাশী তরুণদের ওপর। বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য দরজা বন্ধ করছে যুক্তরাজ্যের একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয়।

ভিসা অপব্যবহারের অভিযাগ, দেশটির হোম অফিসের কঠোর নিয়ম এবং প্রকৃত শিক্ষার্থীদের বেছে নিতে সরকারি চাপের কারণেই মূলত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের ভর্তি বন্ধ ও স্থগিত করছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। বাংলাদেশের পাশাপাশি পাকিস্তানের শিক্ষার্থীদের ভর্তিও বন্ধ ও স্থগিত করা হচ্ছে।

ইউনিভার্সিটি অব উলভারহ্যাম্পটন এরই মধ্যে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে স্নাতক পর্যায়ে ভর্তি বন্ধ করেছে। ইউনিভার্সিটি অব সান্ডারল্যান্ড ও কোভেন্ট্রি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি স্থগিত করেছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস।

ইউনিভার্সিটি অব হার্টফোর্ডশায়ারও দীর্ঘ ভিসা প্রসেসিং ও রিফিউজাল ঝুঁকির কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে।

অক্সফোর্ড ব্রুকস বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৬ সালের জানুয়ারি সেশন পর্যন্ত আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীদের ভর্তি স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে। এর বাইরে লন্ডন মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয় সরাসরি বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টি বলছে, তাদের মোট ভিসা রিফিউজালের ৬০ শতাংশই আসে বাংলাদেশী আবেদনকারীদের আবেদন থেকে। সব মিলিয়ে যুক্তরাজ্যের অন্তত ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের এ সিদ্ধান্ত দেশটিতে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথকে আগের তুলনায় অনেক বেশি অনিশ্চিত করে তুলেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতি বছর হাজারো বাংলাদেশী শিক্ষার্থী যুক্তরাজ্যে পড়তে যায়। তাদের বড় একটি অংশই প্রকৃতভাবে উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য, সুস্পষ্ট একাডেমিক পরিকল্পনা ও ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন সামনে রেখে দেশ ছাড়ে। এখন সেই পথ হঠাৎ সংকুচিত হয়ে গেলে বড় সংকটে পড়বে প্রকৃত শিক্ষার্থীরাই।

উচ্চশিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, সমস্যাটা শুধু যুক্তরাজ্যে সীমাবদ্ধ না-ও থাকতে পারে। ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি বাংলাদেশকে দীর্ঘদিন ‘হাই রিস্ক’ দেশ হিসেবে গণ্য করে, তাহলে অন্য ইউরোপীয় দেশগুলোও তা পর্যবেক্ষণ করবে। এমনিতেই সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশীদের ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি বাড়িয়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলোর কাছেও বাংলাদেশী আবেদনকারীদের নিয়ে বাড়তি সন্দেহ বা নেতিবাচক ধারণা তৈরির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এতে দেশের উচ্চশিক্ষামুখী তরুণদের ওপর এক ধরনের সামগ্রিক নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এমনটা হলে তা দূর করতে দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমাদের দেশে শিক্ষার মান আশানুরূপ নয়। সামর্থ্যবান ও মেধাবী অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যকে বেছে নেয়।

সেক্ষেত্রে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ করলে তা অবশ্যই আমাদের জন্য নেতিবাচক বিষয় হবে। সরকারের উচিত এ বিষয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি করা। যেসব কারণে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ভিসা দিচ্ছে না সে বিষয়গুলো অবগত হয়ে পরিস্থিতির উন্নয়নে পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।’

ব্রিটেনের ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস বলছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থী ভিসা আবেদন বাতিলের হার প্রায় ২২ শতাংশ। পাকিস্তান থেকে এ হার ১৮ শতাংশ। এ সময় যুক্তরাজ্যের হোম অফিস যে ২৩ হাজার ৩৬টি আবেদন নাকচ করেছে, তার অর্ধেকই বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীদের।

এছাড়া বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নাগরিকদের আশ্রয় প্রার্থনার আবেদনও বেড়েছে। এ আবেদনকারীদের অধিকাংশই ওয়ার্কিং বা শিক্ষার্থী ভিসায় ব্রিটেনে এসেছিলেন।

হোম অফিসের নতুন পরিবর্তিত নিয়ম অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে শিক্ষার্থী আনায় সক্ষমতা বজায় রাখতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে তিনটি সূচকে উত্তীর্ণ হতে হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে কঠোর পরিবর্তনটি হলো ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশে আনা। অর্থাৎ ১০০টি ভিসা আবেদনের মধ্যে সর্বোচ্চ পাঁচটি পর্যন্ত প্রত্যাখ্যান হলে প্রতিষ্ঠান তার স্পন্সর লাইসেন্স ধরে রাখতে পারবে। কিন্তু পাকিস্তান ও বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এ প্রত্যাখ্যান অনেক বেশি।

পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান বলেন, ‘যুক্তরাজ্য বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রদান না করলে সেটি অবশ্যই একটি নেতিবাচক বিষয় হবে। কী ধরনের শিক্ষার্থীদের ভিসা দেয়া হচ্ছে না সে বিষয়ে আরো সুস্পষ্ট তথ্য সংগ্রহ করা উচিত।

এ ধরনের বিষয়ে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা জরুরি। কারণ পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে কোনো একটি যদি কোনো রাষ্ট্রকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে বা ভিসা প্রদান কমায়, তাহলে অন্য রাষ্ট্রও সেটি অনুকরণ করে। সুতরাং যুক্তরাজ্য এ ধরনের পদক্ষেপ নিলে অন্য পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোরও এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার শঙ্কা বাড়বে।

তাই সরকারের উচিত বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া। বিশেষত বহির্বিশ্বে আমাদের ভাবমূর্তি সংকটের মুখে পড়েছে কিনা এবং রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশীদের কেন ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছে, সেসব বিষয় গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা দরকার।’

যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের সর্বশেষ মূল্যায়নে দেখা গেছে, নতুন ‘বেসিক কমপ্লায়েন্স অ্যাসেসমেন্ট’ মানদণ্ডে অন্তত ২২টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। অর্থাৎ তারা যেকোনো সময় এ মানদণ্ডে ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কায় আছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো প্রতিষ্ঠানের ভিসা রিফিউজাল হার ৫ শতাংশের বেশি হলে সেই বিশ্ববিদ্যালয় তার স্পন্সর লাইসেন্স হারাতে পারে। লাইসেন্স হারালে বিশ্ববিদ্যালয়টি অন্তত এক বছর কোনো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীকে ভিসার জন্য স্পন্সর করতে পারবে না, এমনকি আগের দেয়া অফারও বাতিল হয়ে যেতে পারে।

এ তালিকায় থাকা ২২টির মধ্যে ১৭টি প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত ব্যবস্থা নিয়ে মানদণ্ড পূরণের চেষ্টা করলেও বাকি পাঁচটি প্রতিষ্ঠান অন্তত এক বছর শিক্ষার্থী স্পন্সর করার ক্ষমতা হারানোর ঝুঁকিতে আছে। এতে কয়েক হাজার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ হারাতে পারে।

যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা প্রকৃতই পড়াশোনার উদ্দেশ্যে আসছে কিনা তা যাচাই করার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয়েরই। যুক্তরাজ্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের গুরুত্ব দেয়; তবে অভিবাসন ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ধরে রাখতে ভিসানীতিকে কঠোর করা ছাড়া উপায় নেই।

নতুন নিয়মের লক্ষ্য একটাই—শুধু প্রকৃত শিক্ষার্থীরাই যেন যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেন দায়িত্বশীলভাবে শিক্ষার্থী নির্বাচন করে।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের জুলাইয়ে শিক্ষার্থী ভিসায় যুক্তরাজ্যে থাকা অভিবাসীদের জন্য নতুন ভিসানীতি আনে দেশটির সরকার। ‘ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার রোধে’ সে বছর মে মাসে এ পরিবর্তনের ঘোষণা দেয়া হয়, যা ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।

এ নীতির ফলে ২০২৪ সাল থেকে কেবল স্নাতকোত্তর গবেষণা ডিগ্রিতে পড়া বিদেশী শিক্ষার্থীরা পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাজ্যে নিতে পারবেন। এছাড়া সরকারের অনুদানের বৃত্তি পেয়ে কোর্স করা শিক্ষার্থী তার ওপর নির্ভরশীল সদস্যদের যুক্তরাজ্যে নিয়ে যেতে পারবেন।

এর বাইরে কোনো শিক্ষার্থী পরিবারের সদস্যদের নেয়ার সুযোগ পাবেন না। নতুন নিয়মে নির্ভরশীল ভিসা থেকে কাজের ভিসা আবেদনের পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নির্ভরশীল ভিসায় থাকা একজন শিক্ষার্থী দক্ষ কর্মী হলে নির্দিষ্ট মানদণ্ড পূরণ করে কাজের ভিসার আবেদন করতে পারেন। এরপর থেকেই দেশটিতে বাংলাদেশী শিক্ষার্থী গমনের হার কমতে শুরু করে।

২০২৩ সালে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে যুক্তরাজ্যে যান ৯ হাজার ২৭৫ জন। যেখানে ২০২২ সালে দেশটিতে পড়তে গিয়েছিলেন ১৫ হাজার ২৩৪ বাংলাদেশী শিক্ষার্থী। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশী শিক্ষার্থী যাওয়ার হার কমেছে প্রায় ৩৯ শতাংশ।

শুধু যুক্তরাজ্যই নয়, শিক্ষাগত মান, ফলাফল ও কোর্স সম্পন্ন করার হারকে ভিত্তি ধরে অন্যান্য দেশও বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসানীতির কঠোরতা বাড়াচ্ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে বর্তমানের তুলনায় আরো কঠিন শর্ত আরোপ করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে ডেনমার্ক। গত কয়েক বছরে ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়া বাংলাদেশী শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

তবে দেশটির উচ্চশিক্ষা ও বিজ্ঞান মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, এ শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশই ড্যানিশ শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না এবং অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীদের তুলনায় তুলনামূলকভাবে খারাপ ফল করছেন। মন্ত্রণালয়ের বরাতে বলা হয়েছে, এমন প্রবণতার পরিপ্রেক্ষিতেই ভবিষ্যতে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাভিসার শর্ত আরো কঠোর করার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক নীতিগত পরিবর্তনও উচ্চশিক্ষাগামী বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। নতুন নিয়মে এইচ-১বি কর্ম ভিসার আবেদনে নিয়োগকর্তাদের জন্য ১ লাখ ডলারের ফি আরোপ করা হয়েছে, যা বাস্তবে পড়াশোনা শেষে সেখানে থেকে কাজ করার সুযোগকে অনেক সংকুচিত করবে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা শেষ করে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের দেশে ফিরে আসার ঝুঁকিতে পড়তে হচ্ছে।

সামগ্রিকভাবে এ অবস্থা থেকে উত্তরণে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শওকত আলী।

তিনি বলেন, ‘পশ্চিমা দেশগুলো এটা এক ধরনের ট্রাম্প কার্ড হিসেবে আমাদের ওপর অ্যাপ্লাই করে। এ রকমটা যুক্তরাষ্ট্র চীনের সঙ্গেও করেছিল। পরে বেইজিং অন্য দেশে বসবাসরত প্রতিষ্ঠিত চীনা গবেষক ও একাডেমিকদের নিজ দেশে ফিরিয়ে আনে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আপগ্রেড করে। চীন এটা পেরেছে, কিন্তু আমরা পারছি না। জাতীয় স্বার্থে এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়া উচিত। আজকে যুক্তরাজ্য করেছে, কাল যুক্তরাষ্ট্রও করবে, একে একে অস্ট্রেলিয়া বা কানাডাও তাই করবে।’

123 ভিউ

Posted ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

SunMonTueWedThuFriSat
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : Shaheed sharanee road, cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
বাংলাদেশের সকল পত্রিকা সাইট
Bangla Newspaper

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com