Home কক্সবাজার কক্সবাজারের কুতুপালং ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের বাংলায় পড়ানো বেআইনি : মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা...

কক্সবাজারের কুতুপালং ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের বাংলায় পড়ানো বেআইনি : মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর

264
SHARE

কক্সবাংলা রিপোর্ট(১৫ অক্টোবর) :: মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত ক্যাম্পে বেশ কিছু এনজিও সংস্থা শিক্ষার্থীদের বাংলা পড়াচ্ছে যা বেআইনি। কোন অবস্থাতেই মিয়ানমারের শিক্ষার্থীদের বাংলা পড়ানোর সুযোগ নেই।

এছাড়া মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের কোন পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না বলেও জানান অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. এস এম ওয়াহিদুজ্জামান।

মিয়ানমার থেকে প্রাণ বাঁচাতে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পে যেসব রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে তাদের মধ্যে বড় একটি অংশ শিক্ষার্থী। তারা নিয়মিত লেখাপড়া করতো, আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন নিয়ে বুনে যেত জীবনের গল্প।

তবে এসব শিক্ষার্থীদের একটি অংশ এখন লেখাপড়া করছে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বেশ কয়েকটি সংস্থা পরিচালিত স্কুলে। ওইসব স্কুলে বাংলা শেখানো হচ্ছে।

ড. এস এম ওয়াহিদুজ্জামান বলছেন: এদেশে আশ্রয় নেয়া অন্য দেশের নাগরিকদের বাংলায় শিক্ষা দেয়া অন্যায়। অনেক শিক্ষার্থী বাংলাদেশে পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিতে চাইলেও এর কোন সুযোগ নেই।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে যারা কাজ করছেন তাদের প্রত্যেকেরই মনে রাখা উচিত কেবল মানবিকতার জন্যই তাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে যেতে বাধ্য।

৭৬টি স্কুল খুলে রোহিঙ্গাদের শিক্ষা দিচ্ছে এনজিও ‘মুক্তি’
————————————–
মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য কুতুপালংয়ে অনিবন্ধিত ক্যাম্পে কক্সবাজার ভিত্তিক এনজিও ‘মুক্তি’ ৭৬টি স্কুল খুলেছে। এসব স্কুলে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিশুদের বার্মিজ বর্ণমালাও শেখানো হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে ‘মুক্তি’র কর্মসূচি সংগঠক হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমাদের স্কুলগুলোয় বার্মিজ, ইংরেজি ও বাংলা শিক্ষা দেওয়া হয়।

’হুমায়ুন কবির আরও বলেন, ‘আমাদের স্কুলগুলোয় ১০৬জন বাংলাদেশি শিক্ষক আছেন। এর বাইরে বার্মিজ বর্ণমালা জানেন, এমন আছেন আরও ৯ শিক্ষক। এছাড়া আরও ৭০জন শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এপ্রিল থেকে স্কুলগুলো চালু করেছি। এসব স্কুলে তিন শিফটের প্রতিটিতে প্রায় ৩৫ জন করে ছাত্রছাত্রী আছে।’

 

SHARE