Home কক্সবাজার কক্সবাজারে নানা আয়োজনে প্রথম আলোর ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

কক্সবাজারে নানা আয়োজনে প্রথম আলোর ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

81
SHARE

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি(৪ নভেম্বর) :: কেক কাটা , স্বেচ্ছায় রক্তদান , কথামালা, নাচ, মুকাভিনয়, বাঁশির সুর, গান ও নানা আয়োজনে কক্সবাজারে পালিত হয়েছে দেশের শীর্ষ দৈনিক প্রথম আলোর ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি মিলনায়তনে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সুচনা হয়। উপস্থিত অতিথি এবং শুভানুধ্যায়ীদের অংশগ্রহণে কেক কাটার পর শুরু হয় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি।

বন্ধুসভার সভাপতি কাজী মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে টেলিকনফারেন্সে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রথম আলো কক্সবাজার অফিস প্রধান আব্দুল কুদ্দুস রানা।

বক্তব্য দেন কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার প্রফেসর আব্দুল হামিদ, রেজিষ্টার নাজিম উদ্দিন সিদ্দিকী, পরিচালক (অর্থ) আব্দুস সবুর, সহকারি রেজিষ্টার কুতুব উদ্দিন, ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আমিনুল ইসলাম, কম্পিউটার সাইন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ ফয়সাল, ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মিথিলা ফারহানা, কক্সবাজার সিটি কলেজের সহকারি অধ্যাপক জেবুন্নেছা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অনুপ বড়–য়া, নোঙ্গরের নির্বাহী পরিচালক দিদারুল আলম রাশেদ, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক বিশ^জিৎ পাল বিশু, শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পূণর্বাসন কেন্দ্রের উপ পরিচালক জেসমিন আকতার, প্রথম আলোর মহেশখালী প্রতিনিধি রুহুল বয়ান, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী, মোহাম্মদ রাশেল, মারুফ বিন কবির ও উম্মে কুলসুম শম্পা প্রমূখ।

বক্তারা বলেন- সাহসী ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রথম আলোর জুড়ি নেই। তাই এটি বর্তমানে এক নম্বর পত্রিকা। প্রথম আলোর আলোকচ্ছঠায় আলোকিত হচ্ছে দেশ। শুধু সংবাদ পরিবেশন নয়, জনকল্যাণমূলক আরো অনেক কাজ করছে প্রথম আলো। একটি পত্রিকা সমাজের সব শ্রেণি পেশার মানুষের নির্ভরতার জায়গা হতে পারে সেটা প্রথম আলো প্রকাশের পর থেকেই প্রমাণ করছে।

বন্ধুসভার সদস্য অর্পা দাশের ‘ কিনে দে কিনে দে রেশমি চুড়ি’ নাচের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সাংস্কৃতিক পর্ব। ফ্রান্সিসকো ডি ফ্লোরেন্স বাঁশি বাজালেন ‘বাঁশি শুনে আর কাজ নাই’ এ গানের। আরমান মালিক, শাফকাত শাহরিয়ার ও আশফাক শাহরিয়ারের পরিবেশনায় একক ও দ্বৈত মুকাভিনয় দর্শকদের বাড়তি আনন্দ দেয়। কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী তমা মহাজন গাইলেন ‘ তুমি রবে নিরবে’।

সবশেষে উপস্থিত দর্শকদের অংশগ্রহণে শুরু হয় দ্বৈত নাচের প্রতিযোগিতা। ‘ আমার গরুর গাড়িতে বউ সাজিয়ে’ গানে নেচে বিজয়ী হয় কক্সবাজার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ফারিয়াল পুষ্পি ও এহসানুর রহমান ইমন জুটি। ‘ যদি বউ সাজো গো’ গানে নেচে রানার আপ হয় একই কলেজের তাসলিম জাহান মীম ও আরমান মালিক জুটি। পরে বিজয়ীদের পুরষ্কৃত করা হয়।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কক্সবাজার বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল। রক্তদান কর্মসূচিতে সহযোগিতা করেন মেডিসিন ক্লাব কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ইউনিট।

 

SHARE