Home কক্সবাজার পেকুয়ায় সেচ সংকটে থেমে গেছে চাষ হিরাবুনিয়া বিলে ফসল ফলনে অনিশ্চিয়তা

পেকুয়ায় সেচ সংকটে থেমে গেছে চাষ হিরাবুনিয়া বিলে ফসল ফলনে অনিশ্চিয়তা

76
SHARE

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(২ ফেব্রুয়ারী) :: পেকুয়ায় পানি ও সেচ সংকটে বুরো চাষ নেই হিরাবুনিয়া বিলে। স্কীমে পানি ও সেচ সরবরাহে বাধা দেয়ায় উপজেলার টইটং ইউনিয়নের উত্তর সোনাইছড়ি হিরাবুনিয়া বিলে থেমে গেছে বুরো চাষ।

এতে করে প্রায় ২৬ একর বুরো জমিতে চাষাবাদ অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। গত ১৫ দিন আগে থেকে পেকুয়ায় বুরো চাষে জমিতে ফসল ফলানো আরম্ভ হয়েছে। উপজেলার টইটং ইউনিয়নের বিপুল জমিতে বুরো চাষ আবাদ হয়েছে।

কৃষকরা আগাম ফসল ঘরে তোলতে হিরাবুনিয়া বিলসহ অন্যান্য ফসলী জমিতে ১ মাস আগে থেকে চাষ শুরু করেন। কোন কোন জমিতে ধানের গুছি বড় হয়েছে। টইটং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি হিরাবুনিয়া বিলে নেই ফসল উৎপাদন।

স্থানীয়রা জানায়, এ বিলে ফসল উৎপাদন হচ্ছে কৃত্রিম সেচ যন্ত্রের সাহায্যে। টইটং খাল থেকে পানি উত্তোলন করে সেচ যন্ত্রের সাহায্যে কৃষক। সবুজের সমারোহ তৈরী হয় কৃত্রিম সেচ থেকে। স্থানীয়রা জানায়, হিরাবুনিয়া এলাকার নুরুল ইসলাম প্রকাশ নুরু হিরাবুনিয়া বিলে কৃষকের জমিতে পানি ও সেচ সরবরাহ দেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় স্কীম বসিয়ে দীর্ঘ ২৫ থেকে ২৬ বছর ধরে পানির যোগান দেয় কৃষকের জমিতে। ওই সময় থেকে বর্তমান পর্যন্ত স্কীম মালিক নুরুল ইসলাম হিরাবুনিয়া বিলের বিপুল অংশে পানির যোগান দেয় জমিতে। সেচের পানি জমিতে সরবরাহ দিতে স্থায়ী ড্রেনও আছে জমিতে।

অভিযোগ উঠেছে, হিরাবুনিয়া এলাকার মৃত জাফর আলমের ছেলে নুরুজ্জামান মুনসী ও তার মা রমিজা বেগম স্কীমে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করেছে। তাদের বাড়ির নিকট এ স্কীমটির অবস্থান। ওই সুবাধে ছেলে ও মা মিলে তৈরী করেছেন জমিতে পানি ও সেচ দেওয়া।

কৃষক নুরুল আলম, মোক্তার আহমদ, আসহাব মিয়া, মোজাহের জানায়, সরকারী জায়গায় স্কীম বসানো হয়েছে। টইটং খাল থেকে পানি দিয়ে জমি চাষ করছি যুগ যুগ ধরে।

স্কীম মালিক নুরুল ইসলাম প্রকাশ নুরু জমিতে সেচ সরবরাহ দিতে ২৫/৩০ বছর আগে থেকে ওই স্থানে স্কীম বসিয়ে আসছেন। ছেলে ও মা মিলে এখন ফসল উৎপাদনে অন্তরায়। বিলে চাষ হচ্ছে ১ মাস আগে থেকে। জমির অনেকের ফসল ১ মাস বয়স হয়েছে। অথচ এখনও আমাদের জমি অনাবাদি।

এ মহিলা ও তার ছেলের অবৈধ হস্তক্ষেপে বিনষ্ট হচ্ছে ফসল উৎপাদন। বীজতলায় চারার বয়স অধিক হয়েছে। ফসলের জীবনকাল বীজতলায় বিনষ্ট হচ্ছে। কয়েকদিনের মধ্যে জমিতে সেচ দিতে ব্যর্থ হলে ফসল উৎপাদন নস্যাৎ হবে এ বছর।

নুরুল ইসলাম নুরু জানায়, জায়গা তাদের ব্যক্তিমালিকানাধীন নয়। সোনাইছড়ি সেচ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে সমন্বয় আছে আমরা স্কীম মালিকদের। আমার স্কীম বন্ধ করার উপক্রম চলছে। জমিতে পানির যোগান না দেয়া হলে থেমে যাবে কৃষকের বুরো চাষ।

 

SHARE