Home আন্তর্জাতিক মালদ্বীপে সংকট নিরসনে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ করার অনুরোধ

মালদ্বীপে সংকট নিরসনে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ করার অনুরোধ

79
SHARE
Maldivian police officers detain an opposition protestor demanding the release of political prisoners during a protest in Male, Maldives, Friday, Feb. 2, 2018. Supporters of political parties that oppose the Maldives government have clashed with police on the streets of the capital after the country's supreme court ordered the release of imprisoned politicians. (AP Photo/Mohamed Sharuhaan)

কক্সবাংলা ডটকম(৬ ফেব্রুয়ারি) :: মালদ্বীপে চলমান সংকট নিরসনে দেশটির নির্বাসিত সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতকে ‘সরাসরি হস্তক্ষেপ’ করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

শ্রীলংকায় থাকা মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ টুইট বার্তায় এ আহ্বান জানিয়েছেন। আটক প্রধান বিচারপতিসহ ২ বিচারক এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট মামুন আব্দুল গাইয়ুমকে মুক্ত করতে ভারতের সাহায্য চান তিনি। একই সাথে মালদ্বীপ প্রশাসনে থাকা ব্যক্তিদের মার্কিন ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছেন নাশিদ।

তিনি বলেন, তাকে অবশ্যই ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে।

২০১৫ এর সন্ত্রাসবাদের মামলা থেকে সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ ও ৯ বিরোধীদলীয় নেতাকে সুপ্রিম কোর্ট দায়মুক্তি দেয়ার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মালদ্বীপের রাজনৈতিক অঙ্গন। সরকার আদালতের নির্দেশ মানতে অস্বীকৃতি জানালে শুরু হয় বিক্ষোভ। এর পরপরই মালদ্বীপের রাজপথে অবস্থান নেয় দেশটির সেনাবাহিনী।

প্রথমে গ্রেপ্তার করা হয় মালদ্বীপের প্রধান বিচারপতি আব্দুল্লাহ সাইদসহ দুই বিচারপতিকে। তাদেরকে গ্রেপ্তারের আগে আটক করা হয় মালদ্বীপের সাবেক রাষ্ট্রপতি মামুন আব্দুল গাইয়ুম এবং তার মেয়ের জামাই মোহাম্মদ নাদিমকে।

আদালত ও সরকারের দ্বন্দ্বে প্রবল উত্তেজনার মধ্যে মালদ্বীপে ১৫ দিনের জরুরি অবস্থা জারি করেন প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ ইয়ামিন। জরুরি অবস্থা জারির পর মালদ্বীপের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরো জটিল অাকার ধারণ করে। সোমবার মালদ্বীপের সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশ করে সেনারা।

মালদ্বীপ সরকারকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানার আহ্বান জানিয়েছে, জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ভারত। জরুরি অবস্থা জারির পর মালদ্বীপ সরকারকে সংযত হতে বলেছে পেন্টাগন।

SHARE