Home কক্সবাজার কক্সবাজারের রাজপথে সরব আ.লীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী : দেখা মেলেনি বিএনপি...

কক্সবাজারের রাজপথে সরব আ.লীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী : দেখা মেলেনি বিএনপি নেতাকর্মীর

74
SHARE

এম.এ আজিজ রাসেল(৮ ফেব্রুয়ারী) :: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে কক্সবাজারে রাজপথে সরব ছিল আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ সংগঠন গুলো।

সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিএনপি ঠেকাতে শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে অবস্থান নেন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। খালেদা জিয়ার রায় ঘোষণা আগে ও পরে মাঠে দেখা যায়নি বিএনপিকে। পুরো দিনই শান্ত ছিল পর্যটন নগরী কক্সবাজার।

কোথাও কোন বিশৃঙ্খলা ঘটেনি। আটক হয়নি কোন বিএনপি নেতাকর্মী। শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট গুলোতে সক্রিয় ছিল পুলিশের একাধিক টিম। পুলিশ সুপার ড. একেএম ইকবাল হোসেন ও সদর থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকারের নেতৃত্বে দিনভর টহল দেয়া দেয় বিশেষ ফোর্স।

এছাড়া বিজিবি, র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা জনসাধারণের জানমাল রক্ষা ও নাশকতা রোধে সতর্ক অবস্থানে ছিল।

শহর ছাড়াও উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে কঠোর ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। গড়ে তোলা হয় নিরাপত্তা বেষ্টনি।

এদিকে রায়কে কেন্দ্র করে কক্সবাজারে ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।শহরের মুদির দোকান, খাবার দোকান থেকে শুরু করে প্রসিদ্ধ বিপনী বিতানগুলো চললেও কলাতলীর হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীরা সারাদিন বসে ছিলেন পর্যটকের আশায়। কিন্তু সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলেও দেখা মেলেনি কাঙ্খিত গ্রাহকের। আর তাই দিন শেষে গুনতে হয়েছে লোকসান।

কলাতলী, হোটেল মোটেল জোনসহ সৈকত সংলগ্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় সৈকত ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা দিনভর অলস সময় কাটিয়েছেন। রায়কে ঘিরে আতঙ্কে অধিকাংশ পর্যটক কক্সবাজার ছেড়েছে একদিন আগে থেকে। বার্মিজ মার্কেটগুলোও ছিল পর্যটক শূণ্য।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় শহরের বার্মিজ মার্কেটস্থ আমেনা শফিং সেন্টারের এস, এন ফ্যাশন স্টোরের বিক্রয়কর্মী জানান, অন্যদিন এই সময়ের মধ্যে ২ থেকে ৪ হাজার টাকার ব্যবসা হয়। কিন্তু আজকে এই পর্যন্ত একটাকাও বিক্রি হয়নি।

বার্মিজ স্কুল রোডের খাবার হোটেল হিমছড়ির কর্ণধার আবছার জানান, সারাদিন পুলিশী টহলে মানুষ ভয়ে বাড়ি থেকে বের হয়নি। ক্রেতা না আসায় দুপুরে রান্না করা অনেক খাবার নষ্ট হয়ে গেছে।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার রোডে বিএনপি কার্যালয়ের পাশে মুদির দোকানদার এনাম বলেন, বিএনপি অফিসের লাগোয়া হওয়ায় দোকানে সারাদিন তেমন ক্রেতা আসেনি। একমাত্র ক্রেতা ছিল পুলিশ ও সাংবাদিকরা। তারা না থাকলে সামান্যতমও বিক্রি হতো না। আশা করছি শুক্রবার এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। বাড়বে আগের মতো বিক্রি।

SHARE