Home কক্সবাজার পেকুয়ায় সড়কে ঝুলন্ত লেট্রিন : পরিদর্শনে তদন্ত টিম

পেকুয়ায় সড়কে ঝুলন্ত লেট্রিন : পরিদর্শনে তদন্ত টিম

64
SHARE

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(৮ ফেব্রুয়ারী) :: পেকুয়ায় সড়কেই শোভা পেয়েছে ঝুলন্ত খোলা লেট্রিন। দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খোদ সাবেক ইউপি সদস্য চলাচল সড়কের লাগোয়া এ টয়লেট নির্মান করেন। গত ১০বছর ধরে খোলা এ লেট্রিনটির কারনে মানুষের জনস্বাস্থ্যের মারাত্বক সংকট দেখা দিয়েছে।

পেকুয়া সদর ইউনিয়নের জালিয়াখালী গ্রামে খোলা টয়লেট অপসারন দাবীতে সোচ্চার হয়েছে এলাকাবাসী। অস্বাস্থ্যকর ওই টয়লেট অপসারন দাবিতে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ গ্রাম আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। জালিয়াখালী এলাকার মৃত.হাসমত আলীর ছেলে নুরুল কাদের বাদি হয়ে গত ৩০জানুয়ারী এ মামলটি রুজু করে। যার নং-৫০/১৮।

এদিকে ইউপি চেয়ারম্যান বাহাদুর শাহ এ সম্পর্কিত বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। দু’জন ইউপি সদস্যের সমন্বয়ে তদন্ত টিমের সদস্য সদর ইউনিয়ন পরিষদের ১ ও ৩ নং ওর্য়াড় সদস্য নুরুল হক সাদ্দাম ও আরিফুল ইসলামকে দায়িত্বভার দেয়া হয়েছে। তারা গত ফেব্রুয়ারী দুপুরে ওই স্থান পরিদর্শন করেছেন।

মামলার বিবাদি জালিয়াখালী এলাকার মৃত দিলশান মিয়ার ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য মো.মানিক ও তার ভাই শেয়ার আলী। প্রতিনিধি টিমের সদস্যরা খোলা টয়লেটের অবস্থান স্বচুক্ষে পর্যবেক্ষন করে।

নুরুল কাদের জানায় সম্পুর্ন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এ টয়লেটটি ঝুলন্ত আছে সড়কের পাশে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ আমার পরিবার। ১০-১৫টি পরিবার অবরুদ্ধ। এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্বক ঝুঁকি।

সরকার স্বাস্থ্যবান্ধব লেট্রিন নিশ্চিত করেছে। দেশের কোন স্থানে খোলা লেট্রিনের অস্থিত্ব নেই। সাবেক ইউপি সদস্য মানিক এ টয়লেট স্থাপন করে এলাকার পরিবেশ বিনষ্ট করছে।

ইউপি সদস্য আরিফুল ইসলাম জানায় আমরা দু’মেম্বার সেখানে গিয়েছিলাম। আসলে এ টয়লেটটি মারাত্বক স্বাস্থ্যহানির কারন। একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে তার এমন গর্হিত কাজ উচিত হয়নি। টয়লেটের কারনে মানুষের বসবাস করা দুস্কর হয়েছে। সড়ক দিয়ে যাতায়ত করা যাচ্ছেনা। দুর্গন্ধে মানুষ নাক চেপে ধরে।

টয়লেটটি অবশ্যই অপসারন করতে হবে। ইউপি সদস্য নুরুল হক সাদ্দাম জানায় তদন্তে গিয়েছি। একজন মেম্বারের খোলা টয়লেটের কারনে অতিষ্ট হয়েছে মানুষ।

SHARE