Home বিনোদন ইমরানের ‘রানি’ কাহিনি

ইমরানের ‘রানি’ কাহিনি

71
SHARE

কক্সবাংলা ডটকম(১৯ ফেব্রুয়ারি) :: ‘লাভ…? ও তো মুঝে কম সে কম শ’বার হো চুকা হ্যায় পাজি’৷‘লাভ আজ কাল’ ছবির বিখ্যাত ডায়লগ।

পরিচালক ইমতিয়াজ আলির নিজের লেখা সংলাপ সইফ আলি খানের পরিবর্তে যদি ইমরান খানের মুখে বসিয়ে দেওয়া হতো, তাহলে তা যথার্থ হত।

পাকিস্তানের বিশ্বজয়ী ক্যাপ্টেন ইমরান আবার শুধু প্রেমেই থেমে থাকেননি। ভালোলাগা ও ভালোবাসাকে নিকাহ পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছেন৷ রবিবার জীবনের ইনিংসে হ্যাটট্রিক করলেন ইমরান৷

জেমিমা গোল্ডস্মিথ, রেহ্যাম খানের পর বুশরা মানেকা৷ বাইশ গজের বাইরে হ্যাটট্রিক সেরে ফেললেন ১৯৯২ বিশ্বকাপজয়ী পাক অধিনায়ক। যিনি ৬৫-তেও নট-আউট। দেশকে বিশ্বকাপ এনে দিয়ে বাইশগজকে বিদায় জানিয়েছেন। তার পর রাজনীতিতে হাত পাকানো৷

পাকিস্তান তহরিক-ই ইনসাফের দলের চেয়ারম্যান বিয়ের মাঠে এখনও বহাল তবিয়তে ব্যাটে ছক্কা এবং বল হাতে সুন্দরীদের ক্লিন বোল্ড করে চলেছেন। তাঁর বর্তমান শিকার বছর চল্লিশের বুশরা মানেকা৷ যিনি ‘পিঙ্কি পীর’ নামে পরিচিত৷

জেমিমা গোল্ডস্মিথ: ব্রিটিশ-পাক সাংবাদিক জেমিমাকে ১৯৯৫-এর ১৬ মে বিয়ে করেছিলেন ইমরান। ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর ইমরান প্রেমের শহর প্যারিসে গিয়ে তাঁদের বিয়ের পর্ব সাড়েন। প্রায় অর্ধেক বয়সের জেমিমাকে (২১ বছর) ইসলামিক ঐতিহ্য মেনে বিয়ে করেন ইমরান। বিয়ের কয়েক মাস আগেই ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন জেমিমা। বিয়ের পরে লন্ডনের পাঠ চুকিয়ে পাকাপাকি ভাবে লাহোরের বসিন্দা হয়ে যান ইমরানের বিবি। যিনি উর্দুও রপ্ত করেছিলেন। কিন্তু ব্রিটিশ টাইকুন জেমস গোল্ডস্মিথের মেয়ে জেমিমার সঙ্গে ২২ জুন, ২০০৪ সম্পর্ক ছেদ করে নতুন ‘রানি’র খোঁজ শুরু করেন পাক কিংবদন্তি৷ জেমিমা ও ইমরানের দুই পুত্র রয়েছে।

রেহ্যাম খান: পাক চিকিৎসক রেহ্যাম খানের পরিচিতি ছিল সাংবাদিক এবং ফিল্ম প্রোডিউসার হিসাবে। ইংরেজি, পুস্তু, উর্দু, হিন্দকো চার ভাষাতেই সমান পারদর্শী ছিলেন তিনি। ৪১ বছরের রেহ্যামকে বিয়ের প্রস্তাব দেন ইমরানই। হার্টথ্রব ফ্ল্যামবয়েন্ট ও স্টাইলিশ ক্রিকেটারের প্রেমে হাবুডুবু খাওয়া রেহ্যাম ইমরানের প্রস্তাবে না করেননি। ৬ জানুয়ারি, ২০১৫ দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন ৬২ বছরের ইমরান। তবে ১০ মাসের মধ্যেই রেহ্যামে মোহভঙ্গ হয় তাঁর৷

বুশরা মানেকা: ইমরানের ‘হ্যাটট্রিক উইকেট’ ওয়াটোর বাসিন্দা। ৪০-এর মানেকার এটি দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে সংসার পেতেছিলেন খাওয়ার ফরিদ মানেকার সঙ্গে। তিনি ইসলামাবাদের কাস্টমস অফিসার ছিলেন। তবে মানেকার সঙ্গে কি বাকি জীবনটা কাটাতে পারবেন পাক কিংবদন্তি৷ নাকি আবার কিছুদিন পর নতুন ‘রানি’র খোঁজ শুরু করবেন ইমরান!

SHARE