Home মহাকাশ মহাকাশের যেখানে আমাদের বাস

মহাকাশের যেখানে আমাদের বাস

308
SHARE

কক্সবাংলা ডটকম(২১ ফেব্রুয়ারী) :: একমাত্র বাসযোগ্য গ্রহ দাবি করা এই পৃথিবী মহাকাশে কতোটা ক্ষুদ্র তা বিজ্ঞানের উৎকর্ষতার কারণে আজ জানতে পারছে মানুষ। লক্ষ কোটি নক্ষত্রের মধ্যে অন্যতম এই সৌরজগতে বাস করলেও অন্যান্য গ্রহ সম্পর্কেই এখনও আঁধারে আমরা।

হালের অনুসন্ধানে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারছেন, এতদিন ধরে সৌরজগতের প্রতিবেশী গ্রহগুলোকে নিষ্প্রাণ ভাবলেও আসলে তা নয়। এমনকি অনেক গ্রহের উপগ্রহেও রয়েছে প্রাণের সম্ভাবনা।

হাজার হাজার বছর ধরে পৃথিবীতে বাস করা মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে তাই এর রহস্য বোঝার চেষ্টা করেছে। কিন্তু বিশাল সাগরের বুকে এক টুকরো খড়ের ন্যায় পৃথিবী সেই রহস্যের কিছুই মূলত জানে না।

বিজ্ঞানীরা মহাকাশ নিয়ে গবেষণার স্বার্থে নানা দূরবীক্ষণ যন্ত্র আর রোবটযান পাঠিয়ে ছবি সংগ্রহ করে আসছে। সেসব ছবি যেমন অনেক অজানা তথ্য দিয়েছে তেমনই এমন কিছু ছবিও বিজ্ঞানীরা পরীক্ষার জন্য বানিয়েছেন যা বেশ মজার উদ্রেক করে। এমনই কিছু ছবি নিয়ে এবারের আয়োজন।

১. পৃথিবীর বুকে দাঁড়িয়ে উপগ্রহ চাঁদকে অনেকটাই কাছের এবং আপন মনে হয়। তবে যতোটা কাছের মনে হয়, চাঁদ কিন্তু আমাদের ততোটাই দূরে রয়েছে। বিষয়টিকে বোঝাতেই বিজ্ঞানীরা এই ছবি প্রকাশ করেছিলেন।

২. সৌরজগতে আমাদের প্রতিবেশীরা!

৩. এই সৌরজগতে পৃথিবীর তুলনায় বৃহস্পতি এতোটাই বড় গ্রহ যে পাশাপাশি রাখলেই তা বোঝা সম্ভব।

৪. সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহে যেভাবে বিশাল আকারের উল্কাপাতের ঘটনা ঘটে, সেই তুলনায় আমাদের গ্রহকে ভাগ্যবানই বলতে হয়। পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা কিছু গ্রহাণু অবশ্য বায়ুমণ্ডলেই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কিন্তু বিশাল আকারের গ্রহাণুর আঘাত থেকে কি সত্যিই আমরা ভাগ্যের জোরে বেঁচে যাই, নাকি এর পেছনে রয়েছে পূর্ব সভ্যতার কোনো অদৃশ্য প্রযুক্তি? উত্তরটা এখনও অজানা। তবে মহাকাশে ভেসে বেড়ানো এমন আকারের গ্রহাণু আঘাত করলে পৃথিবীর কি অবস্থা হবে আপনিই বুঝে নিন!

৫. পৃথিবী থেকে প্রতিবেশী মঙ্গল গ্রহকে দেখতে আমাদের দূরবীনের প্রয়োজন হয় না। খালি চোখেই লাল আলোর বিন্দুর মতো ধরা দেয় মঙ্গল। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন মঙ্গলের বুক থেকে পৃথিবীকে কেমন দেখায়? চাইলে ছবি দেখে সেই ইচ্ছে কিন্তু পূরণ করতে পারেন!

৬. শনি গ্রহের মতো পৃথিবীরও যদি বলয় থাকতো তবে কেমন দেখাতো?

৭. মহাকাশে যেখানে মোদের বাস…

৮. মহাকাশের এই ছবির দিকে তাকিয়ে নিজের অস্তিত্বের কথা একবার ভাবুন তো!

SHARE