Home শিক্ষা শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্য থাকুক ভালো

শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্য থাকুক ভালো

127
SHARE

কক্সবাংলা ডটকম(২৪ মার্চ) :: সবচেয়ে বেশি শক্তি খরচ হয় মেধাভিত্তিক কাজগুলোয়। ধরুন, আপনি শারীরিক পরিশ্রমের কোনো কাজ করছেন। সেক্ষেত্রে যতটা না শক্তির খরচ হয়, এর থেকে ঢের বেশি শক্তি খরচ হয় পড়াশোনা কিংবা মেধাভিত্তিক যেকোনো কাজে। শুধু তা-ই নয়, একজন শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্যেরও অবনতি ঘটতে পারে অতিরিক্ত পড়াশোনার চাপে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণার ফলাফলে প্রায়ই দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য অবনতির জন্য দায়ী অতিরিক্ত পড়াশোনার চাপ, দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ। আর এসব ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় কোমলমতি শিশুরা।

তবে সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে আরেক তথ্য। সেখানে বলা হয়েছে, স্নাতক শেষ করা শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আরো বেশি নজরদারি প্রয়োজন। অর্থাৎ পড়াশোনার পাট শেষ হতে যাওয়া শিক্ষার্থীটিই কিন্তু রয়েছেন ঝুঁকির অন্তরায়।

মানসিক রোগ বড় শঙ্কা সেটা কে না জানে। আর ঠিক এ সময়টায় তরুণদের মানসিক সমস্যা যে প্রকট আকার ধারণ করছে, এটা তো বলাই বাহুল্য। সে যা-ই হোক না কেন, মোট ২ হাজার ২৭৯ জন স্নাতক শেষ হওয়া শিক্ষার্থীকে বেছে নেয়া হয়েছিল গবেষণার অংশ হিসেবে, যেখানে মোট ২৬টি দেশের ২৩৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছিলেন। আর তাদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন প্রকৌশলবিদ্যা, চিকিৎসাবিদ্যার শিক্ষার্থী। সেসব শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪০ ভাগই উচ্চমাত্রার উদ্বেগ এবং বিষণ্নতা রোগে ভুগছেন।

ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস হেলথ সায়েন্স সেন্টারের লেকচারার এবং ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট অফিস ডিরেক্টর টেরেসা ইভানস যুক্ত ছিলেন এ গবেষণায়। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর করা এ গবেষণার ফলাফল সাংস্কৃতিক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে যেকোনো সময়।

তরুণদের মধ্যে বিষণ্নতার ছায়া খুব ভালো কিছু বয়ে আনে না কখনই। বরং দেখা যায়, বিষণ্ন তারুণ্যের কাছে সবকিছু থেকে মুক্তির পথ হিসেবে ধরা দেয় আত্মহত্যা। তাই বিষণ্নতা ঝেড়ে ফেলতে হলেও সুস্থ থাকতে হবে মানসিকভাবে।

কিন্তু কথা হচ্ছে, মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য কিইবা করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে সমাধান হিসেবে বলা হয়েছে, সুষম খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম, ব্যায়াম ইত্যাদির সঙ্গে সঙ্গে আরো কিছু বিষয়ে সচেতন হয়ে ওঠা প্রয়োজন। যেমনটা বলা যেতে পারে, নির্দিষ্ট সময় পরপর কাউন্সেলিং প্রয়োজন সুস্থ থাকার জন্য।

অন্যদিকে মনের ওপর চেপে বসা উদ্বেগ ঝেড়ে ফেলতে কাছের মানুষজনের সঙ্গে মন খুলে কথা বলাও কিন্তু ভালো সমাধান।

SHARE