Home সাহিত্য রবীন্দ্রনাথের নির্ভীক একক প্রতিবাদ

রবীন্দ্রনাথের নির্ভীক একক প্রতিবাদ

134
SHARE

কক্সবাংলা ডটকম(৭ মে) :: ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় ঘটনাগুলোর একটি হলো পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগে সংঘটিত একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল এখানে প্রায় ২০ হাজার নিরস্ত্র মানুষ সমবেত হয়েছিল ইংরেজ শাসকের সদ্য অনুমোদিত এক দমনমূলক আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে। এই আইনের নাম রাওলাট আইন। পাঞ্জাব ওই সময় ছিল জরুরিকালীন অধ্যাদেশের আওতায়। জনসমাবেশটি তাই ছিল অবৈধ এবং শাসকের বিরক্তির কারণ।

এটি মোকাবেলার উদ্দেশ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজিন্যাল্ড এডওয়ার্ড হ্যারি ডায়ার নামে এক পদস্থ ব্রিটিশ মিলিটারি অফিসার গুর্খা ও শিখ রেজিমেন্টের রাইফেলধারী ৫০ জন সেনাসমেত অকুস্থলে আসেন। ডায়ার সেনাদের হুকুম দেন তাদের ওপর অবাধে গুলিবর্ষণ করতে। ভয়াবহ এই ‘মারণখেলা’ চলে মিনিট দশেক ধরে এবং থামে সেনাদের হাতে মজুদ ১৬শ’র মতো বুলেট ব্যবহার হয়ে যাওয়ার পর। সরকারি হিসাবমতে, এই গুলিবর্ষণে ৩৬৯ জন নিহত এবং ১২ শতাধিক আহত হয়। স্থানীয় ভারতীয়দের ধারণা, হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা ছিল অনেক বেশি।

ব্রিটিশ শাসকের যুদ্ধকালীন নিপীড়নকে আরও স্থায়ী করতে ‘ÔThe Anarchical and Revolutionary Crimes Act 1919Õ’ আইনসভায় অনুমোদিত হয় ১৯১৯ সালের ৮ মার্চ। ব্রিটিশ বিচারক স্যার সিডনি রাওলাটের অধীন কমিটির সুপারিশে এই আইনমালা গঠিত হয় বলে এটি তার নামাঙ্কিত। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব থেকে শুরু করে বিনা বিচারে মানুষকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্দি করা ও সরকার-নিষিদ্ধ রাজনৈতিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার ‘অপরাধে’ জুরিবিহীন রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার ও শাস্তিদান এই আইনে অনুমোদিত হয়।

মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ইতিমধ্যে দুই দশকেরও বেশি সময় কাটিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে পাকাপাকিভাবে দেশে ফিরে এসেছেন এবং ভারতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় অংশ নিতে শুরু করেছেন। তার সভাপতিত্বে একটি সত্যাগ্রহ পরিষদ গঠন করে ৬ এপ্রিল থেকে ‘রাওলাট সত্যাগ্রহ’ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই তারিখকে ‘জাতীয় লাঞ্ছনা দিবস’ হিসেবে চিহ্নিত এবং সত্যাগ্রহের অঙ্গ হিসেবে ওই দিনটিতে ভারতব্যাপী শান্তিপূর্ণ হরতাল ঘোষণা করা হয়। ১৩ এপ্রিল ছিল নববর্ষের ছুটির দিন- বৈশাখী। শহরের আশপাশ থেকেও তাই অনেকে অমৃতসরে দিন কাটাতে এসে থাকবে। তাদের মধ্যে অনেকে হয়তো জালিয়ানওয়ালাবাগের ওই সভায়ও গিয়ে থাকবে।

প্রশাসন ১৫ এপ্রিল অমৃতসরসহ পাঞ্জাবের আরও চারটি শহরে সামরিক আইন জারি করে সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করে, যাতে জালিয়ানওয়ালাবাগের বীভৎস ঘটনার ব্যাপক প্রচার না হয়। অমৃতসর শহরে কারফিউ জারি করা হয়। যদিও এই ভয়ানক ঘটনা ভারত এবং ইংল্যান্ডে শাসক সম্প্র্রদায়ের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল, শাসকের জাতীয় বিবেক কিন্তু কৃতকর্মের জন্য ডায়ারকে নিরপেক্ষ বিচারের পরিবর্তে প্রধানত অনুকম্পাই প্রদর্শন করেছিল। ভারতে বসবাসকারী অধিকাংশ ইংরেজের মতে, ডায়ার ‘পাঞ্জাবের রক্ষাকর্তা’র কাজ করেছিলেন।

তার ‘তৎপরতা’ দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা এবং ইংরেজ বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবন সুরক্ষিত ও নিরাপদ করতে সাহায্য করেছিল। অন্যদিকে, ‘স্থানীয় দুস্কৃতকারীদের’ বিচারে কিন্তু কোনো অনুকম্পার লক্ষণ দেখা যায়নি। অভিযুক্ত ৮৫২ জনের মধ্যে ৫৮১ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০৮ জনের মৃত্যুদণ্ড হয় এবং ২৬৪ জনের হয় যাবজ্জীবন দ্বীপান্তর।

সামরিক আইন ও সংবাদমাধ্যমের ওপর বাধা-নিষেধের ফলে জালিয়ানওয়ালাবাগের ঘটনার সঠিক খবর দেশের অন্যত্র বিশেষ পৌঁছেনি। তা সত্ত্বেও ১৮ এপ্রিল গান্ধীজি ঘোষণা করলেন- রাওলাট সত্যাগ্রহ শুরু করে তিনি একটি ‘হিমালয়-প্রমাণ ভুল’ করেছিলেন। আন্দোলনটি তিনি বন্ধ করে দিলেন। কারণ মানুষে-মানুষে সহিংসতা সত্যাগ্রহের পথ নয়। তার মতে, দেশের মানুষ সত্যাগ্রহ করার যোগ্যতা অর্জন করার আগেই তিনি তাদের আন্দোলনে ডাক দিয়ে ভুল করেছিলেন। অমৃতসরের ১০ এপ্রিলের হাঙ্গামা দমনে সন্ত্রস্ত প্রশাসন যেসব কঠোর দণ্ডবিধি ব্যবহার করছিল, তার নির্মম অমানুষিকতায় বিচলিত রবীন্দ্রনাথ গান্ধীজিকে একটি চিঠি লেখেন।

ব্রিটিশ শাসকের অসম বিচার ব্যবস্থা, বর্ণভিত্তিক জাত্যভিমান ও ঔদ্ধত্যের বিরুদ্ধে গান্ধীজির অহিংস সত্যাগ্রহ কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে এই চিঠিতে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভারতে ব্রিটিশ শাসকের ন্যায়বিচার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার শতবর্ষব্যাপী যাবতীয় অঙ্গীকার মিথ্যা ও শঠতায় ভরা বলে কবি মতপ্রকাশ করেছিলেন এই চিঠিতে।

রবীন্দ্রনাথ প্রত্যক্ষ রাজনীতির মানুষ ছিলেন না; কিন্তু স্বদেশ ও রাজনীতি সম্পর্কে তার সুচিন্তিত মতামত এবং আগ্রহ অবশ্যই ছিল। গান্ধীজি এবং কংগ্রেসের অনেক সিদ্ধান্ত ও কর্মপদ্ধতি তার অনুমোদন পায়নি এবং তার মতামত তিনি খোলাখুলি জানাতে কখনও দ্বিধা করেননি। জালিয়ানওয়ালাবাগের ঘটনা লোকমুখে বা সংবাদপত্রাদির মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথও নিশ্চয় অল্পস্বল্প পাচ্ছিলেন।

জালিয়ানওয়ালাবাগের বীভৎস ঘটনার কোনো প্রতিবাদ সারাদেশের একজন মানুষও যে করেননি- এটা কবির মুখ বুজে সহ্য করতে অসুবিধা হচ্ছিল। ইংরেজ-যাজক চার্লি (দীনবন্ধু) অ্যান্ড্রুজ কবির সহচর-বন্ধু এবং গান্ধীজিরও। তাই কবি তার মারফত গান্ধীজির কাছে প্রস্তাব পাঠালেন যে তিনি (কবি) নিজে এবং গান্ধীজি একসঙ্গে সামরিক আইন ভেঙে পাঞ্জাবে ঢোকার চেষ্টা করবেন ও দু’জনেই গ্রেফতার হবেন। সেই গ্রেফতারই হবে দেশবাসীর হয়ে তাদের প্রতীকী প্রতিবাদ। কিন্তু গান্ধীজি কবিকে নিরাশ করে জানালেন, তিনি ওই সময় সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলতে চান না। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন তখন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা।

অসুস্থ কবি স্বয়ং তার কাছে গিয়ে কলকাতায় প্রতিবাদ সভা আয়োজন করার উপরোধ করলেন এবং প্রতিশ্রুতি দিলেন- প্রয়োজন হলে তিনি নিজে সভাপতিত্ব করতে এবং প্রতিবাদ-ভাষণ দিতেও প্রস্তুত থাকবেন। উত্তরে চিত্তরঞ্জন বললেন, কবি নিজে যদি সভাপতি হতে ও বক্তৃতা করতে রাজি থাকেন, তা হলে কবির নামেই সভাটি ডাকা ঠিক হবে। হতাশায় ভরা মন নিয়ে কবি যখন বাড়ি ফিরলেন তখন সন্ধ্যা ঘনিয়ে গেছে।

পরদিন জোড়াসাঁকোর দোতলায় উঠে প্রশান্ত মহালনবিশ দেখলেন বসার ঘরের দরজার সামনে টেবিল ল্যাম্প জ্বালিয়ে কবি লিখছেন। ‘কী, এসেছ?’ বলে কবি প্রশান্তের উপস্থিতির স্বীকৃতি জানিয়ে আবার লেখায় মন দিলেন। কয়েক মিনিট পর মুখ তুলে প্রশান্তের হাতে একখানা কাগজ দিয়ে বললেন- ‘পড়।’ নাইটহুড পরিত্যাগ করে ভাইসরয়কে লেখা সেই ঐতিহাসিক দলিলটির প্রথম পাঠক হলেন প্রশান্ত, ২৬ বছরের যুবক!

প্রশান্তকে কবি জানালেন যে তিনি সারারাত ঘুমোতে পারেননি। উদ্ধত শাসকের হাতে দেশের সাধারণ মানুষের চরম লাঞ্ছনার কোনো প্রতিবাদ হয়নি- এই হতাশাই নিশ্চয় কবির ঘুম কেড়ে নিয়েছিল। হয়তো তখনই তার মনে পড়েছিল ১৯০৫-এর বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের উত্তেজনায় সারা বাংলা যখন মেতে উঠেছে, তিনি তার সঙ্গে একাত্ম হতে না পেরে এক সময় সরে এসেছিলেন।

কিন্তু দেশবাসীকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন যেসব লেখা বা গানে তার মধ্যে ছিল ‘একলা চলার’ আহ্বান- ‘যদি সবাই থাকে মুখ ফিরায়ে সবাই করে ভয়-/ তবে পরান খুলে/ ও তুই মুখ ফুটে তোর মনের কথা একলা বলো রে।’ আক্ষরিক অর্থেই জালিয়ানওয়ালাবাগের বিভীষিকা যখন মানুষের প্রতিবাদের ভাষা কেড়ে নিয়েছিল, ঠিক তখনই কবি পরান খুলে, মুখ ফুটে সারাদেশের হয়ে একলা প্রতিবাদ করলেন জ্বালাময়ী কিন্তু মার্জিত গদ্যে।

চিঠির যে অংশটিতে তার খেতাব ফিরিয়ে দেওয়ার মূল বক্তব্যটি ছিল, তার ভাষা সরল কিন্তু বেদনা-মিশ্রিত আভিজাত্যে ভরা-  The time has come when badges of honour make our shame glaring in the incongruous context of humiliation, and I for my part wish to stand, shorn of all special distinctions, by the side of those of my countrymen, who, for their so-called insignificance, are liable to suffer degradation not fit for human beings.

These are the reasons which have painfully compelled me to ask Your Excellency, with due deference and regret, to relieve me of my title of Knighthood, which I had the honour to accept from His Majesty the King at the hands of your predecessor, for whose nobleness of heart I still entertain great admiration.

দিনের আলো ফুটতেই অ্যান্ড্রুজ এলেন। কবির চিঠিটি পড়ে একটু মেজে-ঘষে দেওয়া যায় কিনা প্রশ্ন করায় কবির নীরব প্রত্যাখ্যান যে দৃষ্টিপাতের মাধ্যমে তিনি পেয়েছিলেন তা আগে বা পরে কবির চোখে তিনি আর কখনও দেখেননি বলে মন্তব্য করেছিলেন। চিঠিটি অবশ্যই ইংরেজিতে লেখা, ৫ নম্বর দ্বারকানাথ ঠাকুর লেন থেকে, ৩১ মে ১৯১৯ তারিখে। উল্লেখ করা যেতে পারে, রবীন্দ্রনাথকে নাইটহুড দেওয়া হয় ১৯১৫ সালের জুন মাসে। তখন ভাইসরয় ছিলেন লর্ড হার্ডিঞ্জ, যিনি ব্যক্তিগতভাবে ছিলেন কবির গুণগ্রাহী। রবীন্দ্রনাথের চিঠিটি টেলিগ্রাম করে ভাইসরয়ের অফিসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দেশের মানুষের কাছেও চিঠিটি পৌঁছে দিতে তিনি বিলম্ব করেননি।

৩ জুন কলকাতার ‘দি স্টেট্‌স্‌ম্যান’ পত্রিকায় এটি প্রকাশিত হয়। কবি নিজেই একটি বাংলা অনুবাদও করেছিলেন, যেটি পরে ‘দৈনিক বসুমতী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। কবির যে কোনো কাজেরই সব সময় যেমন সমর্থক ও বিরোধী শামিল হতো, এই বিশাল সিদ্ধান্তের ব্যাপারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সরকারের অনুরক্ত পত্রিকা ‘দি ইংলিশম্যান’ তাচ্ছিল্যের সুরে লিখল- “বাঙালি কবিটি ‘স্যার’ খেতাবধারী থাকলেন, না স্রেফ ‘বাবু’ হয়ে রইলেন তাতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কিছুই আসে যাবে না।

” মহাত্মা গান্ধী, যিনি কবির প্রতিবাদের প্রস্তাবকে আগে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ব্রিটিশরাজকে ‘অস্বস্তিতে’ ফেলতে চান না বলে, তিনি আবারও একটি ব্যক্তিগত চিঠিতে এক বন্ধুকে লিখলেন যে যদিও তিনি কবির ‘জ্বালাময়ী ভাষার চিঠিটি’ লেখার কারণ বুঝতে পারেন, তিনি মনে করেন এটি সময়োপযোগী নয়। তিনি নিজে তার ‘কাইজার-ই-হিন্দ্‌?’ খেতাবটি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন আরও এক বছর পরে, ১৯২০ সালের আগস্ট মাসে।

কবির ঘনিষ্ঠ বন্ধু বৈজ্ঞানিক জগদীশচন্দ্র বসু দার্জিলিং থেকে লিখলেন, ‘বন্ধু, তুমি ধন্য।’ সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখলেন, ‘দেশের বেদনার মধ্যে আমরা যেন নতুন করে পেলাম রবিবাবুকে। এবার একা তিনিই আমাদের মুখ রেখেছেন।’ কবি সত্যেন দত্ত রবীন্দ্রনাথের অত্যন্ত কাছের মানুষ ছিলেন। তিনি একটি দীর্ঘ কবিতায় রবি-বন্দনা করেন, যার মধ্যে কবির এই প্রতিবাদের ঘটনাটির আভাস মেলে এই পঙ্‌ক্তির ভাষায়- রুদ্ধকণ্ঠ পাঞ্জাবের লাঞ্ছনার মৌনী অমারাতে/ নির্ভয়ে দাঁড়াল একা বাণী যার পাঞ্চজন্য হাতে…/ তুচ্ছ করি রাজরোষ, উপরাজে দিল যে ধিক্কার/ নমস্কার, করি নমস্কার। ১৯২২ সালের মার্চ মাসে একটি সরকারি কমিটির সুপারিশ অনুসারে ভারত সরকার রাওলাট আইনসহ আরও বেশ কয়েকটি আইন বাতিল করতে বাধ্য হয়।

রবীন্দ্রনাথের জীবদ্দশাতেই আরও একটি বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। তিনি তার সর্বশেষ জন্মদিনের ভাষণে (মে, ১৯৪১) মানবজাতি ও সভ্যতার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন, বিশ্বব্যাপী যুদ্ধকালীন তাণ্ডবের মধ্যেও। গভর্নর ও’ডোয়ার অবসরের পর দেশে ফিরে যান। জালিয়ানওয়ালাবাগের ঘটনার দীর্ঘ দু’দশক পর, ১৯৪০ সালের মার্চ মাসে লন্ডনে ভারতীয়দের একটি অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে তিনি উপস্থিত ছিলেন। উধম সিং নামে এক শিখ যুবক, যিনি জালিয়ানওয়ালাবাগের গুলিবর্ষণের মধ্যে উপস্থিত থেকেও প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন, ও’ডোয়ার সাহেবকে এই সভায় গুলি করে হত্যা করেন।

ইমেরিটাস অধ্যাপক, ম্যাসে ইউনিভার্সিটি নিউজিল্যান্ড

SHARE