Home কক্সবাজার চকরিয়ায় সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষককে পুলিশের হয়রাণীর অভিযোগ

চকরিয়ায় সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষককে পুলিশের হয়রাণীর অভিযোগ

103
SHARE

মুকুল কান্তি দাশ,চকরিয়া(৯ মে) :: মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও জয়নব আরা বেগম। দুজন শিক্ষক দম্পতি। তাদের সংসারে রয়েছে ১৪ বছরের একটি মেয়ে সন্তান। সুখেই চলছিল তাদের সংসার। কিন্ত বিপত্তি ঘটে স্ত্রী জয়নব পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে পড়লে।

ইজ্জত রক্ষায় স্ত্রীকে তালাক দিয়ে এখন চরম বিপাকে পড়েছে স্বামী শফিক। স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিকরা পুলিশের সহায়তায় একের পর এক সাজানো মামলায় আসামী করা ছাড়াও জীবননাশের হুমকি দেয়ায় এলাকা ছাড়া এখন শিক্ষক শফিক।

বুধবার (৯ মে) কক্সবাজারের চকরিয়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন শিক্ষক শফিকুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে শফিকুল ইসলাম দাবী করেন, আমি ও আমার ডিভোর্সি স্ত্রীর বাড়ী চকরিয়ার কাকারায়। তবে দীর্ঘদিন পূর্বে আমার বাবা বান্দবানের আলীকদমে বাড়ী করার সুবাদে আমরা সেখানে বসবাস শুরু করি। আমি আলীকদম থোয়াইচিং হেডম্যানপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আমার সাবেক স্ত্রী জয়নব আলীকদম আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে চাকুরী করি। ২০০১সালে ১৩ এপ্রিল আমাদের বিয়ে হয়। সংসারে রয়েছে এক কন্যা সন্তান।

তিনি দাবী করেন স্ত্রী জয়নব একাধিক ব্যক্তির সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়লে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। জনৈক ব্যক্তির সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখার পর গত ২৫ জানুয়ারী আমি জয়নবকে তালাকনামা পাঠাই। ওই তালাকনামা চকরিয়ায়র কাকার ইউনিয়ন পরিষদ ১৮ জানুয়ারী আলীকদম ইউনিয়ন পরিষদ ১৪ ফেব্রুয়ারী আলিকদম কাজি অফিস ১৩ ফেব্রুয়ারী তালকনামা গ্রহণ করে।

লিখিত অভিযোগে দাবী করা হয় তালকনামা পাওয়ার পর জয়নব তার পরকীয়া প্রেমিকদের মাধ্যমে আলীকদম থানা পুলিশের সহায়তায় আলীকদমস্থ বাড়ী থেকে মা-বোনসহ শফিককে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বের করে দেয়া হয়। এরপরও পুলিশের মাধ্যমে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয় শফিকের উপর।

স্ত্রীর দায়ের করা দুটি মামলায় জামিনে থাকা স্বত্বেও থানায় ধরে নিয়ে বেদম প্রহার করে।ওই সময় স্থানীয় শিক্ষকরা তাকে ছাড়িয়ে নেয়।

পরে জয়নবের পরকীয়র প্রেমিকরা ওসির সহায়তায় বেশ কয়েকটি মামলায় জড়িয়ে দেয় শফিককে। ফলে মান ইজ্জতের পাশাপাশি জীবন বাঁচাতে বিদ্যালয় থেকে মেডিকেল ছুটি নিয়ে চকরিয়ার দাদার বাড়িতে অবস্থান করছে।

শিক্ষক শফিক কান্নজড়িত কন্ঠে বলেন, আলীকদম থানার ওসি নিরপেক্ষ থাকলে আমাকে হামলা-মামলা ও হুমকিসহ হয়রানীর শিকার হতে হতোনা। ওসি নিজেই অতিউৎসাহী হয়ে আমাকে এলাকা ছাড়া করতে থানায় নিয়ে মারধর ও মিথ্যা মামলায় আসামী করেছে।

তাই ওসির অনৈতিক ভূমিকা বন্ধসহ তার শাস্তি চেয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছে আবেদন করেছি। ইতিমধ্যে ওই আবেদনের তদন্তও শুরু হয়েছে।

SHARE