Home আন্তর্জাতিক মালয়েশিয়ার নির্বাচনে জয় পেলেন মাহাথির মোহাম্মদ

মালয়েশিয়ার নির্বাচনে জয় পেলেন মাহাথির মোহাম্মদ

104
SHARE

কক্সবাংলা ডটকম(৯ মে) :: মালয়েশিয়ার সাধারণ নির্বাচনে মাহাথির মোহাম্মদের নেতৃত্বাধীন জোট পাকাতুন হারাপান বিজয়ী হয়েছে। ২২২টি আসনের মধ্যে ১১৫টি আসনে তাদের প্রার্থীর জয়ী হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে বিবিসি। সরকার গঠনের জন্য ১১২টি আসনে জয় পাওয়ার দরকার ছিল বিরোধী জোট পাকাতান হারাপানের।

নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আর মাত্র কয়েকটি আসনের ভোট গণনা বাকি। এখন পর্যন্ত ক্ষমতাসীন জোট বারিসান ন্যাসিওনালের ঝুলিতে গেছে ৭৯টি আসন। জয় নিশ্চিত হওয়ার আনন্দে রাস্তায় নেমে এসেছেন বিরোধী জোটের সমর্থকরা।

ঐতিহাসিক এই নির্বাচনে প্রায় ৬০ বছর ধরে মালয়েশিয়ার ক্ষমতায় থাকা বারিসান ন্যাসিওনাল জোটের পরাজয় হলো। আর তাদের পরাজিত করল জোটভুক্ত দল উমনোরই এক কালের নেতা ও মালয়েশিয়ায় সবচেয়ে বেশি দিন ধরে ক্ষমতায় থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলীয় জোট পাকাতান হারাপান।

সাবেক সহকর্মী নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলেন ৯২ বছর বয়সী মাহাথির মোহাম্মদ। তিনি বারিসান ন্যাসিওনাল ছেড়ে যোগ দিয়েছিলেন পাকাতান হারাপান জোটে। এ জয়ের মধ্য দিয়ে প্রথবারের মতো মালয়েশিয়ায় সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিরোধী দল।

বিজয় নিশ্চিতের পর মাহাথির সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমরা কোনও প্রতিশোধ নিতে চাই না। আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’ নির্বাচনে জয় নিশ্চিত হওয়ার আগেই মাহাথির জানিয়েছিলেন, পাকাতান হারাপানের জয় সুনিশ্চিত। বারিসান ন্যাসিওনাল জোটের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেছিলেন, ‘তারা আমাদের কোনওভাবেই পরাজিত করতে পারবে না।’

এবারের নির্বাচনের ফলাফল নিজেদের পক্ষে নিতে বারিসান ন্যাসিওনাল সুবিধা মতো নির্বাচনি আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারন করেছে, এমন অভিযোগ উঠেছিল। তাছাড়া মাহাথিরের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটকে নৃতাত্ত্বিক চীনা জনগোষ্ঠীর দল আখ্যা দেওয়ার মতো ‘বিভক্তিমূলক রাজনীতি’ করার অভিযোগও উঠেছিল ক্ষমতাসীন বারিসান ন্যাসিওনালের প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে। নির্বাচনি প্রচারণার শেষ মুহূর্তে তিনি কর-টোল মওকুফ এবং রোজার মাসে ছুটি  ঘোষণা করার মতো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

নির্বাচনি প্রচারণায় দেওয়া তার ওই ভাষণ সরাসরি টিভিতে প্রচারিত হলেও, বিরোধী জোটের নেতা মাহাথিরের ভাষণ সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। তার ভাষণ প্রচারিত হয়েছিল ইন্টারনেটে লাইভ স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে।

SHARE