Home কক্সবাজার পেকুয়ায় রাতে সরকারী পুকুর থেকে মাছ লুট

পেকুয়ায় রাতে সরকারী পুকুর থেকে মাছ লুট

166
SHARE

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(১৭ মে) :: পেকুয়ায় রাতের আঁধারে সরকারী পুকুর থেকে মাছ লুট করা হয়েছে। ১৬ মে গভীর রাতে উপজেলার বারাবাকিয়া ইউনিয়নের সওদাগরহাট ইউনিয়ন ভূমি অফিস সংলগ্ন সরকারী পুকুর থেকে মাছ লুটের এ ঘটনা ঘটে।

এর সুত্র ধরে বারবাকিয়া ইউপির সদস্য এনামুল হক ও ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা পূর্ণেন্দু বিকাশ তালুকদার বচসা হয়েছে। দুইজনের মধ্যে বাকবিতন্ডাসহ তুমুল হট্রগোল হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ইউপির চেয়ারম্যান পুকুর পাড়ে যায় সকালে। এ সময় ভূমি কর্মকর্তা ও ইউপি সদস্যের মধ্যে বনিবনার অবসান হয়েছে।

চেয়ারম্যান এ সম্পর্কিত বিরোধ নিস্পত্তি করেন বলে নির্ভরযোগ্য সুত্র নিশ্চিত করে। বারবাকিয়ার লোকজন জানায়, সওদাগর হাটের ভূমি অফিস সংলগ্ন পুকুরটির মালিক সরকারের ডেপুটি কমিশন ভূমি। গভীর ও সুপ্রশস্ত বিশাল আয়তনের এ পুকুরটিতে বিপুল পরিমান মাছ আছে। তবে মৎস্য উৎপাদন ও চাষ নিয়ে পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।

একটি সুত্র জানায়, ওই পুকুরে মাছ চাষ করছে ইউনিয়ন ভূমি অফিস। তারা পুকুরটি রক্ষাবেক্ষন করছিলেন। ইউনিয়ন ভূমি অফিসার পূর্নেন্দু বিকাশ তালুকদার সেখানে মৎস্য চাষ করেছেন। পোনা অবমুক্ত করে তারা।

অপর সুত্র জানায়, সরকারী ওই পুকুরে বারবাকিয়ার ইউপির সদস্য এনামুল হক মৎস্য চাষ করে। তবে সরকারী ওই বিভাগ থেকে পুকুরটি ইজারা দেয়া হয়নি। তিনি মাছ চাষ করে পুকুর নিয়ন্ত্রন করছিলেন। মাছগুলো বিক্রি উপযুক্ত হয়েছে। আহরন নিয়ে বাঁধা তৈরী হয়। এ সময় রাতেই মাছ ওই ইউপি সদস্য ধরে ফেলে। প্রায় ৩০ মণের অধিক মাছ শিকার করে। পিকআপ যোগে রাতে এ সব মাছ পাচার হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, পুকুরটি ওয়ারেচী ছৈয়দুর রহমান খনন করছিলেন। অনেক পুরানো মৎস্য এ পুকুরে আছে। বিভিন্ন প্রজাতির বড় সাইজের মাছ আহরন হয়েছে। ওই দিন প্রায় ২/৩ লক্ষ টাকার মাছ লুট হয়েছে সরকারী এ পুকুর থেকে।

ইউপি সদস্য এনামুল হক জানায়, এ পুকুরে আমি মাছ চাষ করেছি। প্রতিদিন মাছের পরিচর্যা করছিলাম। আসলে মাছ ধরেছি। তবে রাতে ধরেনি। সকালে ধরেছি মাছ গুলি। ১৪ মণ মত হবে।

ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা পূর্ণেন্দু বিকাশ তালুকদার জানায়, ভূল বুঝাবুঝি হয়েছিল। এ সম্পর্কিত বিষয়ে আপনারা সাংবাদিকরা পত্রিকায় রিপোর্ট না তৈরী করলে আমি খুশী হব। আর কিছু বলতে আমি চাই না।

SHARE