Home কক্সবাজার পেকুয়ায় ৫০ বছর পর স্কুল ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন

পেকুয়ায় ৫০ বছর পর স্কুল ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন

112
SHARE

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(২৬ মে) :: পেকুয়ায় ৫০ বছর পর শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে নির্বাচন অনুষ্টিত হয়। ২২ মে ওই স্কুলের ভোট গ্রহন চলছিল। ওই দিন ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনকে ঘিরে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দেয়। এ প্রথম গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে অভিভাবক স্বতস্ফুর্ত নির্বাচনে অংশগ্রহন করে।

এ সময় পছন্দের প্রার্থীদের ব্যালট প্রয়োগ করে নির্বাচিত করেছে। শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয় পেকুয়ার শিক্ষাঙ্গনের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ। এ স্কুল পেকুয়া ছাড়াও জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্টত্বের অবদান রাখে।

এ প্রতিষ্টান থেকে অনেক ছাত্র দেশ বিদেশে প্রসংশনীয়। রাষ্ট্রের প্রশাসন যন্ত্র ও সরকার পরিচালনায় এ স্কুল থেকে পড়ালেখা করা ছাত্র সর্বোচ্চ পর্যায়ে আসীন। সরকারের মন্ত্রী পরিষদে এ স্কুলের ছাত্র সদস্য ছিল।

সম্প্রতি উদযাপন হয়েছে ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্টান। সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্টানে দেশ সেরা কর্মকর্তা অংশ নেয়। তারা অনেকে এ স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র। ওই দিন শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্বাচন অনুষ্টিত হয়।

সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত ভোটগ্রহন চলে। নির্বাচনে প্রায় ১৫০০ অধিক অভিভাবক ভোট প্রয়োগে অংশ নেয়।

অভিভাবক ক্যাটাগরী ক্যাবিনেট নির্বাচন ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ন। উচ্ছাস ও আনন্দঘন পরিবেশে এ নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনে সাধারন পদে ১১ জন প্রার্থী অংশ নেয়। সংরক্ষিত আসনে ২ জন নারী অংশ নেয়। ৪ টি পুরুষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আ’লীগের দপ্তর সম্পাদক খানে আলম প্রাপ্ত ভোট ২৬৬।

দেলোয়ার হোসাইন প্রাপ্ত ভোট ৩৬৬। মাষ্টার জামাল হোসেন প্রাপ্ত ভোট ৩১০। আবুল কালাম মেম্বার প্রাপ্ত ভোট ২৬০। সংরক্ষিত মহিলা পদে তসলিমা বেগম বিজয়ী হয়েছেন। প্রাপ্ত ভোট ৪৪২।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সালামত উল্লাহ প্রিজাইডিং অফিসার ছিলেন। উৎসব মুখর নির্বাচন প্রত্যক্ষ করেছেন পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহাবুব উল করিম। তিনি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কেন্দ্রে ছিলেন।

অবাধ ও সুষ্টু নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্টিত হয়েছে। ভোটার ও স্কুল কর্তৃপক্ষ ইউএনও এর দায়িত্ব পালনে সন্তোষ্ট। তারা দীর্ঘ ৫০ বছর পর আনন্দঘন পরিবেশে এমন নির্বাচনে ভোট প্রয়োগ করতে পেরে সত্যিই আত্মহারা।

ভোটাররা জানায়, নির্বাচন বাঞ্চাল ও ভোট স্থগিত করতে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। এর অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা ছিল খানে আলম ভাই। তিনি আমাদের অধিকার ফিরিয়ে এনেছেন। এ নির্বাচনের ফলে একটি সম্ভাবনার নতুন ধারার সুচিত হবে। প্রতিষ্টানটি আরও বিকশিত হবে। বাড়বে শিক্ষার মান। অচলাবস্থা নিরসন হবে। শিক্ষার পরিবেশ আরও বেগবান হবে।

SHARE