Home কক্সবাজার টেকনাফে নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে সংঘবদ্ধ রোহিঙ্গাদের হামলায় স্থানীয় ৩ নারী-পুরুষ আহত

টেকনাফে নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে সংঘবদ্ধ রোহিঙ্গাদের হামলায় স্থানীয় ৩ নারী-পুরুষ আহত

83
SHARE

হুমায়ূন রশিদ,টেকনাফ(৩ জুন) :: টেকনাফে নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে এক বানর গণককে ছিনতাইয়ে বাঁধা দেওয়ার জেরধরে রোহিঙ্গা-গ্রামীবাসীর মধ্যে উত্তেজনার জেরধরে সংঘবদ্ধ রোহিঙ্গাদের হামলায় স্থানীয় ৩ গ্রামবাসী নারী-পুরুষ আহত হয়েছে।

জানা যায়, ৩ জুন দুপুর ১২টারদিকে টেকনাফের নয়াপাড়া রেজিষ্টার্ড শরণার্থী ক্যাম্পের এইচ ব্লকে বসবাসকারী ডাকাত জাহিদ আলম, শহর আলীর পুত্র মোঃ ইলিয়াছ, হাজী আব্দুস সালামের পুত্র মজিউর রহমান, আজিউর রহমান প্রকাশ আজিয়া, নুরাইয়ার পুত্র জাহাঙ্গীর আলম, মৃত ডাকাত কামালের পুত্র নুরুল ইসলাম, আব্দুল আমিনের পুত্র দিদার, নাপাইগ্যার পুত্র রুহুল আমিন ও সারা খাতুন প্রকাশ সারানীর নেতৃত্বে শতাধিক রোহিঙ্গা সংঘবদ্ধ হয়ে দক্ষিণ লেদার বসত-বাড়িতে গিয়ে ইসলাম মিয়ার পুত্র আবুল হোছন, আলী হোছনের স্ত্রী ছেনুয়ারাকে বেদম প্রহারে আহত করে।

এ সময় বেড়াতে আসা মোচনীর ফরিদ আলমের পুত্র সাদ্দাম হোছন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে জনৈক রোহিঙ্গা কিরিচের কোপ দেয়। ভাগ্যিস ঘরের মাটির দেওয়ালে পড়ে সটকে গিয়ে সাদ্দামের শরীরের বাহু অংশে গিয়ে লেগে রক্তাক্ত হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্রামবাসীর উপর আবারো হামলার জন্য স্বশস্ত্র রোহিঙ্গারা অবস্থানে থাকায় স্থানীয় জনসাধারণের মনে চরম ক্ষোভ দেখা যায়।

এদিকে শরণার্থী ক্যাম্পে পুলিশ থাকার পরও রোহিঙ্গা অপরাধীদের এই ধরনের ঘটনা জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে। স্থানীয় মর্জিনা মেম্বার রোহিঙ্গাদের সাথে এই ধরনের একটি ঘটনার খবর শুনেছে বলে জানায়।

গত ২জুন ইফতারের পর জনৈক বানর গণক দক্ষিণ লেদা দিয়ে আসার সময় পুরাতন রোহিঙ্গা ইলিয়াছ ও মজিউর রহমান গতিরোধ করে সর্বস্ব ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলে স্থানীয় দক্ষিণ লেদার ইসলাম মিয়ার পুত্র আবুল হোছন বাঁধা দিলেই দু‘পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

উপরোক্ত পুরান রোহিঙ্গারা প্রায় সময় নবাগত রোহিঙ্গা নেতাদের তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন ধরে পথ দিয়ে চলাচল করা মহিলাদের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে এবং সুযোগমত জনসাধারণের নিকট যা পায় তা লুটে নিয়ে গা ঢাকা দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

SHARE