Home কক্সবাজার পেকুয়ার মগনামা লঞ্চঘাট পয়েন্টে ইয়াবা পাচার অব্যাহত : অধরা শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা

পেকুয়ার মগনামা লঞ্চঘাট পয়েন্টে ইয়াবা পাচার অব্যাহত : অধরা শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা

104
SHARE

মো: ফারুক,পেকুয়া(২ জুন) :: মাদক নিয়ন্ত্রনে পুলিশ ও র‌্যাব প্রশাসনের জিরো টলারেন্স ঘোষণা করলেও পেকুয়া উপজেলার মগনামা লঞ্চঘাট পয়েন্টে অব্যাহত আছে ইয়াবা পাচার।

বঙ্গোপসাগর উপকূলের মগনামা-কুতুবদিয়া চ্যানেলের এ ঘাটটি দিয়ে সারাদেশে ইয়াবা পাচার করে যাচ্ছে বেশ কয়েকটি সিন্ডিকেট। ইতিমধ্যে পেকুয়ার শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী উকিল আহমদের পুত্র নুরুল আলম পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ আটক হলেও অধরা রয়ে গেছে তার শীর্ষ সহযোগিরা। যার কারণে থেমে নেই ইয়াবা পাচার।

এ কারণে উঠতি বয়সের ছেলে মেয়েরা বিপদগামী হচ্ছে। মাদক সেবন করে চুরি ছিনতায় অব্যাহত থাকায় মগনামার আইনশৃংখলার অবনতি হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানান, সারাদেশে চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে ইয়াবা গডফাদাররা আত্মগোপন করলেও থেমে নেই এই রুটে ইয়াবা পাচার। চিহ্নিত ইয়াবা কারবারিদের নির্দেশনায় অব্যাহত রয়েছে চোরাচালান।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাদক ব্যবসা পরিচালনা করেন মগনামা ইউনিয়নের লঞ্চঘাট এলাকার উকিল আহমদের ছেলে চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী নুরুল আলম ও তার স্ত্রী সাবেক ইউপি সদস্যা পারভিন আকতার। সম্প্রতি নুরুল আলমকে পেকুয়া থানা পুলিশ ইয়াবাসহ আটক করে।

এরপর মাদক ব্যবসায় শক্তহাল ধরেন তার স্ত্রী পারভিন আকতার, মো: সেলিম, মাদক মামলার আসামী ফারুক, মনির, রেজাউল করিম, মো: রিদুয়ান।

এর মধ্যে পারভিন ও ফারুককে পেকুয়া থানা পুলিশ কয়েকবার আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করলেও বের হয়ে আবারো ইয়াবা ব্যবসা শুরু করে।

এর বিরুদ্ধে স্থানীয় এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা প্রতিবাদ করলে তাদের দেওয়া হয় হুমকি। যার কারণে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায়না।

মগনামা লঞ্চঘাট এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, সেলিম ও ফারুক প্রকাশ্যে লঞ্চঘাট এলাকায় ইয়াবা বিক্রি করে। প্রতিবাদ করলে দেশীয় অস্ত্রসহ হামলা চালায়। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে তাদের দাবী দ্রুত আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হউক।

পেকুয়া থানার ওসি (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, মাদকের বিষয়ে পেকুয়া থানায় জিরো টলারেন্স রয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকজনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকিদের ব্যাপারেও অভিযান অব্যাহত আছে।

SHARE