Home কক্সবাজার টেকনাফে বন্দুক যুদ্ধে নিহত কাউন্সিলর একরামের বাসায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান

টেকনাফে বন্দুক যুদ্ধে নিহত কাউন্সিলর একরামের বাসায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান

131
SHARE

হুমায়ূন রশিদ,টেকনাফ(২৪ জুন) :: টেকনাফে মাদক বিরোধী অভিযানে বন্দুক যুদ্ধে নিহত পৌর কাউন্সিলর একরামুল হকের বাসায় গিয়ে কৌশল বিনিময় করেছে বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।

জানা যায়, ২৪ জুন দুপুর আড়াই টায় বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও ৩নং ওয়ার্ড পৌর কাউন্সিলর একরামুল হকের বাসায় আসেন।

এসময় মানবাধিকার কমিশন সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রবিউল হাসান,টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ রনজিত কুমার বড়–য়া উপস্থিত ছিলেন। আগত প্রতিনিধি দলকে নিহত পৌর কমিশনার একরামুল হকের মা হাফেজা খাতুন অভিবাদন জানান।

মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান নিহত একরামুলের পরিবার ও ছেলে-মেয়েদের খোঁজ খবর নেন এবং শোকাহত মায়ের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। এরপর পৌর কমিশনারের পারিবারিক, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন।

নিহত পৌর কমিশনার একরামের স্বজনদের সাথে স্বাক্ষাত ও মতবিনিময় শেষে ফেরার পথে মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বলেন,কোথাও মানবাধিকার লঙ্গিত হয়েছে বা মানবাধিকার লঙ্গিত হতে পারে বলে সন্দেহ হলে কমিশন প্রতিবাদ জানায়। সংবিধান আমাদের দেশের আইন। প্রচলিত আইন, পুলিশী আইনে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ্য রয়েছে কিভাবে অভিযান চালাতে হবে।

সেগুলো অনুসরন করতে হবে। রাষ্ট্র সন্দেহভাজনদের ধরার চেষ্টা করবে কিন্তু সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তালিকা যাতে সঠিক হয়। যাচাই বাছাই করে অভিযান চালাতে হবে। আইনের বিধি-বিধান মেনে চলতে হবে। আইনের বাইরে গিয়ে কোন মানুষ যাতে মৃত্যুবরণ না করে সেটা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব আর সেটা আইন-শৃংখলা বাহিনীকে নিশ্চিত করতে হবে।

আমরা এই ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলেছি, ডিও লেটার দিয়েছি, সংবাদ মাধ্যমে লিখেছি এবং সরকারকে বারবার বলছি। মাদক বিরোধী অভিযানে যাতে এজাতীয় ঘটনা না ঘটে।

মানবাধিকার কমিশন একটা গাইড লাইন তৈরী করছে অভিযানে কি ধরনের আইন ফলো করতে হবে। যদি আইনের সদ্ব্যবহার হয়, কোন মানুষ বিচার বর্হিঃভূত হত্যার শিকার হবে না।

একরামুলের পরিবারের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। এই পরিবার যাতে আর কোন ভোগান্তির শিকার না হয়। এরকম ঘটনা আরও যেখানে হয়েছে সেখানেও আমরা বলেছি। একরামুল হক নিহতের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি সরকারের কাছে দাবী জানান। আমরা আশা করি পৌর কমিশনার একরামুল নিরপরাধ হয়ে থাকলে এর সুবিচার হবে।

SHARE