Home কক্সবাজার কক্সবাজারের পোকখালীতে ফুলছড়ি নদীর রক্ষা বাঁধ ভাঙ্গনে ঝুকিঁতে বসতবাড়ী ও মসজিদ

কক্সবাজারের পোকখালীতে ফুলছড়ি নদীর রক্ষা বাঁধ ভাঙ্গনে ঝুকিঁতে বসতবাড়ী ও মসজিদ

138
SHARE

এম আবুহেনা সাগর,ঈদগাঁও(৭ জুলাই) :: কক্সবাজার সদরের পোকখালীর গোমাতলী রাজঘাট পাড়ার ফুলছড়ি নদীর কয়েকটি স্থানে বাঁধ ভেঙ্গে পড়ায় চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বসতবাড়ি,মসজিদ,ফোরকানিয়া,কবরস্থান ও রাজঘাট পাড়ার জেটিটি।

এলাকাবাসীর আশঙ্কা শীঘ্রই ভাঙ্গনের অংশ মেরামত করা না হলে চলতি বর্ষায় নদীর বাঁধ ভেঙ্গে গ্রামটি তলিয়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে স্থানীয়রা।

জানা যায়,কয়েক দিনের বৃষ্টিপাতে ইউনিয়নের গোমাতলী রাজঘাট পাড়ার পাশ ঘেষে বয়ে যাওয়া ফুলছড়ি নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

এতে পাড়ার বাঁধ হুমকির মুখে পড়ে। পানি কমার সাথে সাথে গোমাতলী রাজঘাট পাড়ার ফুলছড়ি নদীর বাঁধের কয়েকটি স্থান থেকে মাটি ধ্বসে নদীতে পড়তে শুরু করে। এতে বাঁধটি দুর্বল হয়ে চরম ঝুঁকিতে পড়ে বসত বাড়ি। এ দৃশ্য দেখে এলাকাবাসী চরম আতঙ্ক রয়েছে। তারা বাঁধ থেকে মাটি ধ্বসে পড়া স্থান গুলো মেরামত করার দাবি জানান।

৭নং ওয়ার্ড মেম্বারের মতে, ফুলছড়ি নদীতে পানি বৃদ্ধির পর সেই পানি যখন কমতে থাকে তখন নদীর বাঁধ ভেঙ্গে যায়। যে স্থানটিতে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে সেটি হল রাজঘাট পাড়া রক্ষা বাঁধ। পানির প্রবাহ বাধার ফলে সেখানকার বাঁধে পানির ধাক্কা বেশী লাগে। বহুপূর্বে সেখানে স্পার দেয়া হয়। পানি নামার সাথে সাথে সেই স্পারসহ বাঁধ নেমে যায়।

তিনি আরও জানান, এলাকাবাসীর পক্ষ হয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডে যোগাযোগ করা হলে উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এখনো ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধ পরিদর্শন করেনি।

গোমাতলীর সচেতন যুবক দেলোয়ার হোসেন জানান, এলাকার রাজঘাট পাড়ার রক্ষাবাঁধ যদি দ্রুত সংস্কার করা না হয়, তাহলে বৃহৎ জনগোষ্টিকে মরন দশায় ভোগতে হবে। তবে পোকখালী ইউপি চেয়ারম্যানের মতে,পূর্বেও সে বাঁধে সমস্যা ছিল। যেভাবে রাস্তাসহ বাঁধ ভেঙ্গেছে যদি দ্রুত সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয় তাহলে গ্রামটি তলিয়ে যাবে।

ফুলছড়ি নদীর দক্ষিণ অংশে বাঁধ ভাঙ্গছে। বিপরীত প্রান্তে মহুরী ঘোনা এলাকায় ভরাট হয়ে চর সৃষ্টি হচ্ছে। সেই চর অপসারণ করলে বাঁধটি হুমকি থেকে রক্ষা পাবে।

অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলীর মতে, বাঁধ থেকে মাটি ধ্বসে পড়ার খবর পেয়েছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন। বাঁধকে শক্তিশালী করা হবে যাতে বন্যায় বাঁধের কোন ক্ষতি না হয়।

SHARE