Home শীর্ষ সংবাদ বিশ্বকাপ ফাইনালের লড়াইয়ে এগিয়ে কে!

বিশ্বকাপ ফাইনালের লড়াইয়ে এগিয়ে কে!

152
SHARE

কক্সবাংলা ডটকম(১৫ জুলাই) :: ১৯৯৮, ২০০৬ দু’বারের বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে ফ্রান্সের ঝুলিতে৷ ১৯৯৮ বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদও পেয়েছে ফ্রান্স৷ ক্রোয়েশিয়ার ঝুলিতে বড় সাফল্যের অভিজ্ঞতা বলতে ১৯৯৮ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ফ্রান্সের কাছেই হার৷ কিন্তু তাতে কী? গ্রুপ পর্যায় থেকে সবকটি ম্যাচ জিতে ফাইনালের মঞ্চে পদার্পণ করেছে ক্রোটরা৷

স্বাভাবিকভাবেই অতীত পরিসংখ্যানের দিকে তাকাতে চাইছে না ক্রোয়েশিয়া৷ ফ্রান্সের কাছে লুজনিকির ফাইনাল যদি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটানোর মঞ্চ হয় তাহলে ক্রোটরা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ খেলতে নামবে ইতিহাস গড়ার লক্ষ্য নিয়ে৷

গ্রুপ পর্ব থেকে সব কটি ম্যাচ অপরাজিত থেকে বিশ্বকাপ ফাইনালে পৌঁছেছে ফ্রান্স৷ অনবদ্য ছন্দে রয়েছেন ফ্রান্সের দুই ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে এবং আঁতোয়া গ্রিজমান৷ পল পোগবাও মাঝ মাঠের দায়িত্ব শক্ত পায়ে সামলাচ্ছেন৷ লুজনিকি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ খেলতে নামার আগে পর্যন্ত ফ্রান্সের দুই ফরোয়ার্ডের গোলসংখ্যা তিন৷ যদিও এমবাপে এবং গ্রিজমান দুজনেই গোল্ডেন বুটের লড়াই থেকে অনেকটাই দূরে রয়েছেন৷

ক্রোয়েশিয়া শেষবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছিল দু’দশক আগে৷ ১৯৯৮ সালে আয়োজক ফ্রান্সের কাছে শেষ চারের লড়াইয়ে হেরে গিয়েছিল তারা৷ কাকতালীয়ভাবে এবার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার প্রতিপক্ষ সেই ফ্রান্স৷ সুতরাং কুড়ি বছর আগে হারের মধুর প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ তৈরি ক্রোটদের সামনে৷ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সমস্ত মশলা উপস্থিত ক্রোট দলে৷ বিশ্বকাপ মঞ্চে গোল পেয়েছেন ক্রোট অধিনায়ক মদ্রিচ এবং রাকিটিচরা৷

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল এর আগে ১৯৯৮ বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান দখল করাই ছিল এ পর্যন্ত বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার সেরা পারফরম্যান্স৷ সেই স্মরণীয় দিনটিও ছিল ১১ জুলাই৷ কুড়ি বছর পর ১১ জুলাইয়েই বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে শাপমুক্তি ঘটিয়েছে ক্রোয়েশিয়া৷ রবিবার মদ্রিচ, রাকিটিচদের উপর ভর করে বিশ্বজয়ের স্বপ্নে বিভোর থাকছে ক্রোটরা৷

বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন পাবে ৩৮ মিলিয়ন ডলার

বিশ্বকাপের ২১তম আসরের দুই ফাইনালিস্টের প্রাইজমানি ৩ মিলিয়ন ডলার করে বাড়িয়েছে ফিফা। রবিবার মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে ফাইনাল শেষে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়া ভাগাভাগি করে নেবে ৬৬ মিলিয়ন ডলার।

১৮ ক্যারেট স্বর্ণের ট্রফি তো পাবেই চ্যাম্পিয়ন দল, সঙ্গে নেবে ৩৮ মিলিয়ন ডলারের প্রাইজমানি। আর রানার্স আপ পাবে ২৮ মিলিয়ন ডলার। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের চেয়ে এবারের ফাইনালিস্টদের জন্য প্রাইজমানি বাড়ানো হয়েছে।

শনিবার সেন্ট পিটার্সবার্গে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারানো বেলজিয়াম পাবে ২৪ মিলিয়ন ডলার। চতুর্থ হওয়া ইংলিশরা পাবে ২২ মিলিয়ন ডলার।

রাশিয়া বিশ্বকাপে চার বছর আগের চেয়ে প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডলার প্রাইজমানি বাড়ানো হয়েছে। ব্রাজিলে যেটা ছিল ৩৫৮ মিলিয়ন ডলার, সেটা এ বছর হয়েছে ৪০০ মিলিয়ন ডলারে।

কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে যাওয়া ব্রাজিল, সুইডেন, রাশিয়া ও উরুগুয়েকে দেওয়া হচ্ছে ১৬ মিলিয়ন ডলার করে। ১২ মিলিয়ন ডলার করে প্রাইজমানি পাচ্ছে শেষ ষোলোতে বিদায় নেওয়া আর্জেন্টিনা, সুইজারল্যান্ড, জাপান, ডেনমার্ক, স্পেন, মেক্সিকো, পর্তুগাল ও কলম্বিয়া। গ্রুপ থেকে বাদ পড়া ১৬ দল পাবে ৮ মিলিয়ন ডলার করে।

১৯৯৮ সালের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের চোখ দ্বিতীয় শিরোপায়। আর প্রথমবার ফাইনালে উঠে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে লড়বে ক্রোয়েশিয়া।

SHARE