Home কক্সবাজার মহেশখালীকে সমুদ্রের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষায় দরকার সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার প্রয়োজন

মহেশখালীকে সমুদ্রের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষায় দরকার সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার প্রয়োজন

111
SHARE

এম.রমজান আলী,মহেশখালী(২৩ জুলাই) :: মহেশখালীর জন জীবন ও সম্পদকে সমুদ্রের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে হলে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার প্রয়োজন। উপকুলীয় বন বিভাগে সঠিক নজরদারীর অভাবে এক শ্রেণীর দুষ্কৃতিকারী প্রতি নিয়ত গাছ কেটে উজাড় করেছে মহেশখালীর উপকুলীয় সবুজ বেষ্টনী।

অব্যাহত ভাবে উপকুলীয় বনাঞ্চলের গাছ কেটে উজাড় করার ফলে চরম হুমকির মধ্যে পড়েছে মহেশখালীর উপকুলীয় বনাঞ্চল। বাড়ছে জলোচ্ছ্বাস প্রাণ হানির আশঙ্কা ও জানা গেছে ৩৮৮.৫৫ বর্গ কি:মি: আয়তন।

চতুর পাশ ঘেরা সমুদ্র। জন জীবন ও সম্পদকে সমুদ্রের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে ১৯৯১ সালে উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার কাজ শুরু হয় গড়ে উঠে সবুজ বেষ্টনীর গাছগুলোর পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধির ফলে নিরাপত্তা অব্যাহত গতিতে গাছ কাটার কারণে উপকুলীয় সবুজ বেষ্টনী কোথাও ধূসর এবং কোথাও হয়ে গেছে বিলীন। বন খেকোদের দৌরাত্বে ইতি পূর্বে বিলিন হয়ে গেছে উপকুলের অধিকাংশ বনাঞ্চল।

অবশিষ্ট বনাঞ্চলের কেওড়া, বাইন এবং কড়াই গাছ গুলো চোরদের দৌরাতেœ সেগুন, গামারী এর মত ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। সরে জমিনে বিভিন্ন স্পটে গিয়ে দেখা গেছে ছোট মহেশখালী, শাপলা পুর, কালারমার ছাড়া, হোয়ানক, বড় মহেশখালী ইউনিয়নে প্রতি প্রতিনিয়ত গাছ কাটার ঘটন্ াঘটেছে।

উপজেলায় ২৭ টি স-মিল তৎমধ্যে ২২ টি কোনো লাইসেন্স পত্র নাই। বন খেকোরা গাছ কেটে ট্রাকে, জীপে, ঠেলা গাড়ী ও সাগর পথে বন বিভাগের কতিপয় অসাধূ কর্মকর্তা কর্মচারীর সাথে আতাঁত করে রাতারাতি উপকূলীয় বনাঞ্চল উজাড় করার হিড়িক পড়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

বনাঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে, মানুষের নজর এড়াতে ভেতর থেকে কেটে নেওয়া হচ্ছে বড় বড় গাছ গুলো এছাড়াও উপকূলীয় বেড়ীবাধ সংলগ্নে বসবাস কারী লোকজন জ্বালানী কাঠ সংগ্রহের জন্য প্রতি নিয়ত কাটছে সবুজ বেষ্টনীর গাছ। বর্তমানে নির্বিচারে গাছ কেটে বনাঞ্চল উজাড় করার কারনে হুমকি গ্রস্থ হয়ে পড়েছে উপকূলীয় বেড়ীবাধ।

এই উপকূলীয় সবুজ বনাঞ্চল ধ্বংস বিশেষ থেকে রক্ষা করতে হলে অসাধু বন কর্মকর্তা কর্মচারীকে বদলী ও অবৈধ স-মিল গুলিকে উচ্ছেদ করতে হবে।

SHARE