Home শীর্ষ সংবাদ বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক বিশ্বে মডেল : শেখ হাসিনা-মোদি

বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক বিশ্বে মডেল : শেখ হাসিনা-মোদি

93
SHARE

কক্সবাংলা ডটকম(১০ সেপ্টেম্বর) :: আগামী দিনে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতার নতুন মাইলফলক রচিত হবে জানিয়ে দেশ দুটির সরকার প্রধানরা বলেছেন, সীমান্তের বেড়াজাল পেরিয়ে আরও কাছাকাছি আসবে তাদের সম্পর্ক।

সোমবার বিকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রেলওয়ের দুটি প্রকল্প এবং আন্তঃবিদ্যুৎ সংযোগ গ্রিড এইচভিডিসি (২য় ব্লক) প্রকল্পের কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রতিবেশি দেশ দুটির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদি।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে সরাসরি এ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশ নেন শেখ হাসিনা।

এ সময় দুই দেশের সরকার প্রধান, নিজেদের অভিন্ন স্বার্থ; পারস্পরিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সৌহার্দ্যের চিত্র তুলে ধরেন। সেইসঙ্গে প্রত্যাশা রাখেন সৌহার্দ্যের এ সম্পর্ক সামনের দিনগুলোতে আরো উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে বলেন: বহুবছর ধরে দুই দেশের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও বিশ্বাসের সম্পর্ক আজ এক অন্য রূপ লাভ করেছে। সারাবিশ্বের জন্য যা রোল মডেল। আমি প্রতিবেশি দেশ ভারতকে আমাদের উন্নয়নে সমর্থন দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

এ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সহযোগিতার কথা স্মরণ করে বলেন, ‘ওই সহযোগিতাকে আমরা সব সময় স্মরণ করি। এটি দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আগের যেকোন সময়ের তুলনায় বিস্তৃত হয়েছে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন: ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে আমাদের সম্পর্ক এখন মহাকাশ গবেষণা পর্যন্ত সম্পর্ক বিস্তৃত হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্বাস করে সামনের দিনগুলোতে এ বন্ধন আরও শক্ত হবে।

আগামীতে ভারত থেকে আরও বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আরও তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির জন্য আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে আমাদের বিদ্যুৎ প্রযোজন। ২০৪১ সালের মধ্যে প্রতিবেশি দেশগুলো থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা করছি।

‘আমি প্রত্যাশা করি বাংলাদেশ-ভারত সামনের দিনগুলোতে আরও মধুর হবে। আমাদের দীর্ঘ দিনের অনেক সমস্যা সমাধান করতে সমর্থ হয়েছি। আগামীতে এ সহযোগিতার বন্ধুন অটুট থাকবে বলে বাংলাদেশের জনগণ বিশ্বাস করে।’

বাংলাদেশের জনগণকে নমস্কার জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার বক্তব্যে বলেন: সম্প্রতি বিমসটেক সম্মেলনের সময় আমাদের সাক্ষাত হয়েছে। এর আগেও বেশ কয়েকবার সাক্ষাত করেছি। এখন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা হচ্ছে।

‘আমার ভালো লাগছে। প্রতিবেশির সঙ্গে প্রতিবেশিরইতো সম্পর্কই থাকবে। এখানে প্রটোকলের প্রয়োজন নেই।’

বাংলাদেশ সফরের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ২০১৫ সালে যখন বাংলাদেশে তখন বলেছিলাম ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেবো। এখন আমি বিশ্বাস করি, এ মেগাওয়াট থেকে এটা গিগাওয়াটে উন্নিত হবে।

‘আজ থেকে আমরা আরও কাছে এলাম, সম্পর্ক আরও গভীর হলো বলে বক্তব্য শেষ করেন মোদি।’

 উদ্বোধন করা প্রকল্পে কী কী থাকছে?

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ অর্থায়ন ও এলসিও ঋণ সহায়তার আওতায় রেলওয়ের দু’টি উন্নয়ন প্রকল্পসহ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় আন্তঃবিদ্যুৎ সংযোগ গ্রিড এইচভিডিসি (২য় ব্লক) প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন দু’দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদি।

সোমবার বিকালে ভিডিও কনফারেন্স যোগে তারা (হাসিনা-মোদি) নিজ নিজ দেশ থেকে প্রকল্প গুলো উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে সরাসরি এ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উদ্বোধনকালে উভয় সরকার প্রধান, প্রতিবেশি দুই রাষ্ট্রের অভিন্ন স্বার্থ; পারস্পরিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সৌহার্দ্যের চিত্র তুলে ধরেন। সঙ্গে প্রত্যাশা রাখেন সৌহার্দ্যের এ সম্পর্ক সামনের দিনগুলোতে আরো উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে বলেন: বহুবছর ধরে দুই দেশের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বিশ্বাসের কারণে সস্পর্ক আজ এক অন্য রুপ লাভ করেছে। সারাবিশ্বের জন্য এটি রোল মডেল।  আমি প্রতিবেশি দেশ ভারতকে আমাদের উন্নয়নে সমর্থন দানের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

এসময় তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সহযোগিতার কথা স্মরণ করে বলেন,‘ওই সহযোগিতাকে আমরা সব সময় স্মরণ করি। এটি দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আগের যেকোন সময়ের তুলনায় বিস্তৃত হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন: ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে আমাদের সম্পর্ক এখন মহাকাশ গবেষণা পর্যন্ত সম্পর্ক বিস্তৃত হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্বাস করে সামনে  দিনগুলোতে এ বন্ধন আরও অটুট হবে।

সামনে ভারত থেকে আরও বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আরও তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির জন্য আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে আমাদের বিদ্যুৎ প্রযোজন। ২০৪১ সালের মধ্যে প্রতিবেশি দেশগুলো থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা করছি।  আমি প্রত্যাশা করি বাংলাদেশ-ভারত সামনের দিনগুলোতে আরও মধুর হবে। আমাদের দীর্ঘ দিনের অনেক সমস্যা সমাধান করতে সমর্থ হয়েছি। আগামিতে এ সহযোগিতার বন্ধুন অটুট থাকবে বলে বাংলাদেশের জনগণ বিশ্বাস করে।  

বাংলাদেশের জনগণকে নমস্কার জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার বক্তব্যে বলেন: সম্প্রতি বিমসটেক সম্মেলনের সময় আমাদের (শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদি) সাক্ষাত হয়েছে। এর আগেও বেশ কয়েকবার সাক্ষাত করেছি। এখন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা হচ্ছে। আমার ভালো লাগছে। প্রতিবেশির সঙ্গে প্রতিবেশিরইতো সম্পর্কই থাকবে। এখানে প্রটোকলের প্রয়োজন নেই।

বাংলাদেশ সফরের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ২০১৫ সালে যখন বাংলাদেশে তখন বলেছিলাম ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেবো। এখন আমি বিশ্বাস করি, এ মেগাওয়াট থেকে এটা গিগাওয়াটে উন্নিত হবে।

আজ থেকে আমরা আরও কাছে এলাম, সম্পর্ক আরও গভীর হলো বলে বক্তব্য শেষ করেন মোদি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এরপর বক্তব্য রাখেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব এবং আগরতলা থেকে অংশ নেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার বক্তব্যে জানান, বাংলাদেশ চাইলে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে আরও এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানিতে প্রস্তুত রয়েছে।

শুরুতে ভেড়ামারা এইচভিডিসি সেকেন্ড ফেজ ভারত প্রতিশ্রুত ওয়ান বিলিয়ন ডলার লাইন অব ক্রেডিট-এলসিও ঋণের আওতায় সম্পন্ন করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবি’র অর্থায়ন এবং নিজস্ব তহবিল থেকে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

বাংলাদেশ-ভারত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার আওতায় ভারত থেকে এ বিদ্যুৎ আমাদানি করা হচ্ছে। সামনের দিন গুলোতে যা আরও বাড়ানোর চিন্তা-ভাবনা রয়েছে সরকারের। আগামী ২১ সালে জাতীয় গ্রিডে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের সঞ্চালন নিশ্চিত করতে চায় সরকার। যার ১০ শতাংশ ভারত থেকে আমাদানি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে উৎপাদনকে পেছনে সরিয়ে আমদানিকে সহজ সমাধান মনে করছে সরকারের নীতিনির্ধারনী মহল। তারা ভাবছে, নিজস্ব উৎপাদনের জায়গায় আমদানি করলে ভূমি, জ্বালানী ও এককালীন বিশাল বিনিয়োগের ঝামেলা মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

এমত অবস্থা সামনের দিনগুলোতে ভারতের পাশাপাশি নেপাল, ভুটান, চীন ও মিয়ানমার থেকেও বিদ্যুৎ আমদানি করার কথা ভাবা হচ্ছে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহল থেকে।

তৃতীয় দফা ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি: তৃতীয় দফায় ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে উদ্বোধনকৃত কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় নব-নির্মিত এই এইচভিডিসি (২য় ব্লক) প্রকল্প। ৩০০ মেগাওয়াট দিয়ে শুরু করলেও নব-নির্মিত এ হাই-ভোল্টেজ ডিরেক্ট কারেন্ট (এইচভিডিসি) স্টেশনটি দিয়ে ৫০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ আমদানি করা সম্ভব হবে।

১০ সেপ্টেম্বর (রোববার) দিবাগত রাত ১২টার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর গ্রিড দিয়ে ভেড়ামারা আন্তঃবিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুতের প্রবাহ শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে চাহিদা, গ্রিড সমন্বয় (সিনক্রোনাইজেশন) সহ পারিপার্শ্বিক বিষয় বিবেচনা করে পাওয়ার স্টেশনটিকে পূর্ণ সক্ষমতায় নেওয়া হবে।

জাতীয় গ্রিডে নতুন এ ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের অন্তর্ভুক্তিতে, ভারত থেকে আমদানিকৃত মোট বিদ্যুতের পরিমাণ দাঁড়ালো ৯৬০ মেগাওয়াট। এইচভিডিসি’র সেকেন্ড ফেস সম্পূর্ণ রূপে কাজ শুরু করলে তা ১১৬০ মেগাওয়াটে দাঁড়াবে।

ইতিপূর্বে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর গ্রিড থেকে ভেড়ামারা এইচভিডিসি (১ম ব্লক) দিয়ে ৫০০ এবং ত্রিপুরা রাজ্য থেকে কুমিল্লা বিদ্যুৎ গ্রিড দিয়ে ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করে আসছিল বাংলাদেশ।

নতুন এই ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের মধ্যে ৩০০ মেগাওয়াট কেনা হবে ভারতীয় সরকারি খাত ‘ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট’ আর বাকি ২০০ মেগাওয়াট আসবে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন কোম্পানি ‘পাওয়ার ট্রেডিং করপোরেশন’ থেকে। আমদানিতে বাংলাদেশকে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে বিদ্যুৎ পাওয়ার জন্য আলাদা আলাদা মূল্য পরিশোধ করতে হবে। দু’দেশের চুক্তির আওতায় ২০১৯ সালের শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ সাড়ে চার টাকার কিছু বেশিতে এ বিদ্যুৎ আমদানি করতে পারবে। আর দীর্ঘ মেয়াদে ২০২০’র শুরু থেকে ২০৩৩’র মে পর্যন্ত সাড়ে ৬ টাকা হারে মূল্য পরিশোধ করতে হবে।

১ হাজার ৭১ কোটি ৩৭ লাখ টাকার প্রকল্পটিতে ৭০০ কোটি টাকার যোগান আসেছে এডিবি ঋণ সহায়তা থেকে। ২৮৮ কোটি টাকা নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করে সরকার। প্রকল্পটিতে বাদবাকি ৮৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকার যোগান দিয়েছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লি. (পিজিসিবি)।

রেলওয়ে প্রকল্প: উদ্বোধনকৃত বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রকল্প দুটি হচ্ছে ‘কুলাউড়া-শাহবাজপুর সেকশন পুনর্বাসন’ ও ‘আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েল গেজ রেল সংযোগ নির্মাণ (বাংলাদেশ অংশ)’।

প্রথম প্রকল্পের আওতায় কুলাউড়া-শাহবাজপুর অংশের ৫৩ কিলোমিটারে উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হবে। এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত (আনুমানিক) ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৭৮ কোটি ৫০ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। যার সিংহভাগই (৫৫৫ কোটি ৯৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা) আসবে ভারত সরকার প্রতিশ্রুত (ওয়ান বিলিয়ন ডলার লাইন অব ক্রেডিট) এলসিও ঋণ থেকে।

দ্বিতীয় প্রকল্পে আখাউড়া থেকে আগরতলা মোট ১০ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ রেল সংযোগের বাংলাদেশ অংশের কাজ উদ্বোধন করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় রেল লাইন ও এর আনুসাঙ্গিক থেকে শুরু করে ইমিগ্রেশন ভবনসহ সকল প্রকার যাত্রী সুবিধা সৃষ্টি করা হবে। প্রকল্পের প্রাক্কলিত (আনুমানিক) ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪০ কোটি ৯০ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। যার পুরোটাই আসবে ভারতীয় মঞ্জুরি সহায়তার আওতায়।

SHARE