Home শীর্ষ সংবাদ ১৯৪৮ সালের এ দিনেই প্রথমবার কারাবন্দী হন বঙ্গবন্ধু

১৯৪৮ সালের এ দিনেই প্রথমবার কারাবন্দী হন বঙ্গবন্ধু

123
SHARE

কক্সবাংলা ডটকম(১১ সেপ্টেম্বর) :: ১৯৪৮ সালের আজকের এ দিনেই জীবনের তৃতীয় কিন্তু প্রথমবারের মতো দীর্ঘ সময়ের জন্য কারাবন্দী হন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার কারাবাস নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তার ডায়েরি এবং অন্যান্য বইয়ে উন্মোচিত হচ্ছে অমূল্য সব তথ্য। সর্বশেষ সংযোজন গোপন গোয়েন্দা রিপোর্ট নিয়ে প্রকাশিত বই।

প্রতিবাদ সভা করার কারণে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম গ্রেপ্তার হন ১৯৩৯ সালে স্কুলে পড়ার সময়। ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ তিনি গ্রেপ্তার হন রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবিতে সাধারণ ধর্মঘট পালন করার সময়। অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই অবশ্য মুক্তি পান তিনি।

তার প্রথম দীর্ঘ কারাবাসের শুরু ওই বছরেরই ১১ সেপ্টেম্বর, ফরিদপুরে কর্ডন প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমে। পরের বছর ২১ শে জানুয়ারি তিনি মুক্তি পান। সেবার চার মাস পর মুক্তি পেলেও পরে বারবারই তাকে কারাগারে যেতে হয়েছে, কারাবন্দি থাকতে হয়েছে বছরের পর বছর।

তবে, জাতির জনকের কারাজীবনের বিস্তারিত জানা যাচ্ছে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রকাশিত কয়েকটি বইয়ে। বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’র পর প্রকাশিত হয় কারাগারের রোজনামচা। ৩০৫৩ দিন বইয়ের মাধ্যমেও বঙ্গবন্ধুর কারাজীবনের নানা দিক উন্মোচিত হয়। ১১ সেপ্টেম্বর তার প্রথম দীর্ঘ কারাবাসের ৭০ বছর পূর্তির দিনে গবেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক প্রকাশনাগুলোর মাধ্যমে ইতিহাসের অনেক অজানা অধ্যায় উন্মোচিত হচ্ছে।

ইন্দিরা গান্ধির সঙ্গে সস্ত্রীক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

সর্বশেষ গত শুক্রবার শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে তৎকালীন পাকিস্তান ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চের গোপন নথি নিয়ে সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শীর্ষক ১৪ খণ্ডের বইয়ের প্রথম খণ্ডের মোড়ক উন্মোচিত হয়েছে। ভাষা আন্দোলনসহ বাঙালির স্বাধীনতার ধারাবাহিক আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্বলিত বইয়ের প্রথম খণ্ড উন্মোচিত হয়েছে ১৯৪৮ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত ইতিহাস। পাকিস্তানী গোপন রিপোর্টে জানা যাচ্ছে, ভাষা আন্দোলনের প্রাক্কালে তরুণ বয়সেই বঙ্গবন্ধু কিভাবে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার নজরে পড়লেন এবং কিভাবে তিনি সংগঠিত করছিলেন মুক্তির আন্দোলন।

পর্যায়ক্রমে সিক্রেট ডকুমেন্টের বাকি ১৩ খণ্ড প্রকাশ করা হবে। ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে এসব দলিলকে গবেষকরা অমূল্য মনে করছেন।

SHARE