Home কক্সবাজার পেকুয়ায় উপবৃত্তির টাকা পেয়ে খুশি সোনালী বাজার গণপাঠশালার শিক্ষার্থীরা

পেকুয়ায় উপবৃত্তির টাকা পেয়ে খুশি সোনালী বাজার গণপাঠশালার শিক্ষার্থীরা

124
SHARE

মো ফারুক,পেকুয়া(১৬ সেপ্টেম্বর) :: স্কুলের বেতন, বই, খাতা, কলমসহ শিক্ষার্থীর জন্য টাকা খরচ করতে করতে এক সময় অভিভাবকেরা হিমশিম অবস্থায় থাকত। যার কারণে অনেক শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গন্ডি পার হওয়ার আগেই ঝরে পড়ত।

শিক্ষার হার নিন্মমুখি ও শিক্ষার পরিবেশও ছিল সে সময় নড়েবড়ে। কিন্তু বর্তমানে সে অবস্থা আর নাই। শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে বিনামূল্যে বই, উপবৃত্তির টাকাসহ খাবার। যার কারণে শিক্ষায় অনেকাংশে এগিয়ে গেছে দেশ।

এরই ধারাবাহিকতায় পেকুয়ায়ও শিক্ষার ক্ষেত্রে সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। যার কারণে শিক্ষাক্ষেত্রে প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়ও এগিয়ে যাচ্ছে অনেকাংশে।

এ রকম একটি প্রাথমিক বিদ্যাললয় মগনামা ইউনিয়নের সোনালী বাজার গণপাঠশালা। দীর্ঘদিন স্কুলটি রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসাবে একটি পরিত্যক্ত ভবনে পাঠদান চলছিল।

প্রত্যন্ত গ্রামটিতে শিক্ষা ক্ষেত্রে এগিয়ে নিতে এ স্কুলটিকে সরকারীকরণ করে বর্তমান সরকার। জমি দান করেন চেরাংঘোনা এলাকার নুরুল আজিম ও তার দু’সহোদর।

পরিত্যক্ত ভবনটি সরিয়ে নিয়ে চেরাংঘোনায় এলাকায় দানকৃত জমিতে ভবন বরাদ্ধ দেয় সরকার। আর সেই স্কুলের ১২০জন শিক্ষার্থী উপবৃত্তির টাকা পেয়ে খুশিতে আত্মহারা।

জানা গেছে, পরিত্যক্ত ভবন থেকে স্কুলটি সরিয়ে নিয়ে নতুন স্থানে স্কুল চালু হওযায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেকাংশে বেড়ে গেছে। শিক্ষাকদের লেখাপড়ার মান নিয়েও সন্তোষ্ট এলাকাবাসী। এছাড়াও সরকারীকরণ হওয়ার পর এ প্রথম উপবৃত্তির টাকা পাওয়ায় অভিভাবকেরাও ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া করার জন্য মনোযোগী হয়ে ওঠছেন।

উপবৃত্তির টাকা পাওয়া শিক্ষার্থী তাছফি, শাহাদত হোসেন, জাহেদুল ইসলাম, বাদশাসহ আরো কয়েকজন জানান, আমার ৬শ টাকা করে পেয়েছি। বইও পেয়েছি বিনামূল্য। বর্তমানে প্রতিদিন দুপুরে খাবার পাচ্ছি। আমাদের স্বপ্নের মত মনে হচ্ছে।আমরা লেখাপড়া করে পিতা মাতার সম্মান রক্ষা করব।

স্কুলের সভাপতি নুরুল আজিম জানান, স্কুলটি সরকারীকরণ হিসাবে বর্তামানে পাঠদান চলছে। সরকারীকরণ করায় বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মগনামাবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার পাশাপাশি উপবৃত্তির টাকা পেয়ে শিক্ষার্থীরা অনেক খুশি। আমাদের চেষ্টা থাকবে স্কুলটিকে সর্বোচ্ছ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। দ্রুত ভবনের কাজ শুরু করে শেষ করতে পারলে লেখাপড়ায় এলাকাটি অনেকাংশে এগিয়ে যাবে।

SHARE