এশিয়া কাপে ফাইনালের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল বাংলাদেশ

Bangladesh-win-5ba801b7cc48f.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(২৩ সেপ্টেম্বর) :: আবু ধাবিতে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ের পর আফগানিস্তানকে ৩ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখল বাংলাদেশ। ২৫০ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামা আফগানিস্তান মোস্তাফিজের শেষ ওভারের ম্যাজিকের পর ৭ উইকেটে ২৪৬ রানের বেশি এগোতে পারেনি।

শেষ ৪ ওভারে আফগানিস্তানের দরকার ছিল ৪২ রান, হাতে ৪ উইকেট। কঠিন কাজটা সহজ হয়ে আসে শেষ ওভারে। ৩ উইকেট নিয়ে ৬ বলে দরকার ৮ রান। মোস্তাফিজ দিলেন মাত্র ৪। কাটার মাস্টার শেষ বলটি করেন ডট। তাতেই বিজয়গাঁথা লেখা হয়ে যায় টাইগারদের।

দুবাইয়ে শেষ ওভারে বাঁ-হাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান ম্যাজিকেই ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখল বাংলাদেশ। মুস্তাফিজ আক্রমণে আসার আগে ম্যাচের পাল্লা ঝুলে ছিল আফগানদের দিকেই। ৬ বলে প্রয়োজন ৬ রান। হাতে ৪ উইকেট। প্রথম বল থেকে ২ রান তুলে নিলেন রশিদ খান। দ্বিতীয় বলে তাকে রিটার্ন ক্যাচে পরিণত করলেন মুস্তাফিজ। ম্যাচে ফিরল বাংলাদেশ। শেষ ৪ বল থেকে মাত্র দুটো রান সংগ্রহ করতে পারল আফগানিস্তান। বলাবাহুল্য ওই দুটো রানই যোগ হলো লেগ বাই থেকে। খাদের কিনার থেকে জয়ের উৎসবে মাতল টাইগাররা।

এ জয়ের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানের বিদায় ঘণ্টা বাজিয়ে ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা ধরে রাখল বাংলাদেশ। তবে এর জন্য মঙ্গলবারের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে জিততে হবে মাশরাফি মর্তুজাদের। চলতি এশিয়া কাপের সুপার ফোরে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচটি এখন অলিখিত সেমিফাইনাল। ওই ম্যাচে যে জিতবে, ভারতের সঙ্গে শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে সেই দল। গতকাল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ফাইনালে উঠেছে ভারত।

ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ইমরুল কায়েস ও মাহমুদউল্লাহর দৃঢ়তায় ৭ উইকেট হারিয়ে ২৪৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। ৮১ বলের ইনিংসে ৭৪ রান করে আউট হন মাহমুদউল্লাহ। আর ৮৯ বল খেলে ৭২ রানে অপরাজিত থাকেন দেশ থেকে উড়ে এসে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা ইমরুল কায়েস।

ম্যাচের শুরুতে মাত্র ১৮ রান তুলতেই ২ উইকেট হারিয়ে বসে টাইগাররা। এখান থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম। এ জুটিতে ৬৩ রান যোগ করেন তারা। রশিদের বলে ঝুঁকিপূর্ণ সুইপ শট খেলতে গিয়ে স্লিপে ধরা পড়েন লিটন (৪১)। ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আত্মাহুতির মিছিলে অংশ নেন সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। অবিবেচকের মতো রানআউট হলেন দুজনই। ৩৩ রানে আউট হন মুশফিক। আর সাকিব ফিরেছেন শূন্য হাতে। স্কোরবোর্ডে তখন ৮৭/৫। এ বিপর্যয় থেকে দলকে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ এনে দেন কায়েস ও মাহমুদউল্লাহ।

Share this post

PinIt
scroll to top