Home বিনোদন ভারতীয় মাটিতেই বসবে নিক-প্রিয়াঙ্কার বিয়ের আসর

ভারতীয় মাটিতেই বসবে নিক-প্রিয়াঙ্কার বিয়ের আসর

130
SHARE

কক্সবাংলা ডটকম(২ অক্টোবর) :: ইটালি, সুইজারল্যান্ড কিংবা থাইল্যান্ড। বিদেশের মাটিতে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং। এটাই এখন বলিউডের নিউ ট্রেন্ড। কিন্তু জোয়ারে গা ভাসালেন না দেশীগার্ল। দেশের মাটিতেই বসতে তাঁর বিয়ের আসর।

যোধপুরের মেহরগড় দূর্গে নাকি চার হাত এক হবে নিক-প্রিয়াঙ্কার। গোটা বিয়েটাই হবে ভারতীয় ধাঁচে। তবে শোনা যাচ্ছে, পাঞ্জাবি দুলহন নয়! রাজপুত ঘরনার বধূর মতো নিজেকে বিশেষ দিনে সাজিয়ে তুলবেন পিগি। এমনকি নিকের সাজেও থাকবে রাজপুত স্টাইল। এসব প্ল্যানিংয়ের জন্য আপাতত রাজস্থানে রয়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সঙ্গে অবশ্যই উডবি নিক।

না আর কোনও কিন্তু-পরন্তু নয়! নিককেই জীবনসঙ্গী হিসাবে বেছে নিয়েছেন পিগি। হয়ে গিয়েছে বাগদান পর্ব। এখন চলছে একে-অপরের সঙ্গে সময় কাটানোর পর্ব। নায়িকার কথায় “আমরা একে অপরকে চেনার চেষ্টা করছি। একসঙ্গে সময় কাটিয়ে জেনে নিচ্ছি আরও ভাল করে। আমার মনে হয় নিকের জন্যও এটা খুব ভাল অভিজ্ঞতা”। হলি থেকে বলি যখন তাঁদের প্রেমের গল্পে মশগুল তখন একান্ত সময় কাটাচ্ছে ‘নিয়াঙ্কা’। জেনে বুঝে নিচ্ছেন একে-অপরকে।

প্রসঙ্গত, দন চারেক আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় বধূ বেশে ছবি পোস্ট করেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। যা দেখে চক্ষূ ছানাবড়া সবার। একটাই প্রশ্ন ঘুরছে মাথায়। তাহলে কী বিয়েটা সেরে ফেললেন নায়িকা! যদিও ছবি দেখে খটকা লাগছে সবার। কারণ নায়িকার পরণে লাল বেনারসী শাড়ি, গলায় মালা থাকলেও মাথার ওপর রয়েছে আইরন। চমকে গেলেন কী! হ্যাঁ আইরন আর তাওয়াল রয়েছেন অভিনেত্রীর মাথায়। যা দেখে ধারনা করা হচ্ছে এটি হয়ত নায়িকার আগামী ছবির শ্যুটিংয়ে দৃশ্য।

আরও পড়ুন: করিনার সিনেমা ফাস্ট ডে, ফাস্ট শো দেখতেন রাহুল গান্ধী

এদিকে লিউড হলিউড পেরিয়ে এবার বাংলায় নিজের ছাপ ফেলতে চলেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তাও আবার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের মাধ্যমেই এই যোগাযোগ ঘটবে বলে জানা গিয়েছে। কবিগুরু জীবনের প্রথম প্রেম নিয়ে তৈরি হচ্ছে ছবি ‘নলিনী’। ছবিটি বাংলা ও মারাঠি ভাষায় মুক্তি পাবে। আর এই ছবিরই প্রযোজনা করবেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

ছবি: ট্যুইটারের সৌজন্যে

১৮৭৮ সালে মুম্বইতে আত্মরাম পাডুরাং তুরখুদের বাড়িতে গিয়ে বেশ কিছুদিন ছিলেন রবি ঠাকুর। তখন তাঁর বয়স ১৭। সেই সময় আত্মরামের মেয়ে অন্নপূর্ণা বিদেশ থেকে পড়াশোনা করে এসেছিলেন। ইংরেজি ভাষায় তাঁর দক্ষতা ছিল তুখড়। তখন কবিকে ইংরেজি পড়ানোর দায়িত্ব ওঠে অন্নপূর্ণার কাঁধেই। সেই থেকেই দুজন একে অপরের প্রেমে পড়ে যান। ভালোবেসে অন্নপূর্ণার নাম রেখেছিলেন ‘নলিনী’। প্রেমিকার জন্য একটি গানও লিখেছিলেন তিনি। কিন্তু এই প্রেম পছন্দ হয়নি নলিনীর বাবার। তাই নলিনীর বিয়ে হয়ে যায় অন্য এক পাত্রের সঙ্গে।

এই ছবির গল্পটি লিখেছেন জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত উজ্জ্বল চটোপাধ্যায়ের স্ত্রী সাগরিকা। তিনি জানিয়েছেন যে শান্তিনিকেতনে পাঠরত এক ছাত্রের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এই গল্প দেখানো হবে। আগামী অক্টোবরে এই ছবি মুক্তি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

SHARE