Home জীবনযাত্রা ডায়াবেটিস : রক্তে চিনির ভারসাম্য বজায় রাখতে ৬টি উপায়

ডায়াবেটিস : রক্তে চিনির ভারসাম্য বজায় রাখতে ৬টি উপায়

1088
SHARE

কক্সবাংলা ডটকম(১৪ নভেম্বর) :: বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসে বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস মেলিটাস আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টিকে আরও একবার গুরুত্ব দিয়ে বিচার করে সচেতনতা বৃদ্ধি করার উপর জোর দেওয়া হয়। ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক অবস্থা যাতে রক্ত গ্লুকোজ তৈরি করা বন্ধ করে দেয়। সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে সাধারণ অথচ গুরুতর স্বাস্থ্য অবস্থার একটি হল ডায়াবেটিস।

আপনি যদি ডায়াবেটিস আক্রান্ত হন তবে আপনার শরীর সঠিকভাবে কার্বোহাইড্রেট বিপাক করতে সক্ষম হয় না, যার ফলে উচ্চ রক্তচাপ আরও বৃদ্ধি পায়। অতএব, আপনার খাদ্যতালিকার যত্ন নিতে হবেই। বেশিরভাগ ডায়াবেটিককে অল্প পরিমাণে খাবার খেতে পরামর্শ দেওয়া হয় যাতে রক্তের শর্করার মাত্রা বেড়ে না যায়।

তাছাড়া, তাঁদের একটি কার্বোহাইড্রেট-নিয়ন্ত্রিত ডায়েটে থাকতে বলা হয় এবং এর পরিবর্তে আরও বেশি প্রোটিন অন্তর্ভুক্ত করা হয় খাবারে। আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের মতে, প্রতিটি খাবারে প্রোটিন অন্তর্ভুক্ত করুন, এমনকি স্ন্যাক্সেও।
ডায়াবেটিসে রক্তে এইচবিএ 1 সি -র মাত্রা কমাতে 13টি উপাদেয় খাদ্য

কীভাবে প্রোটিন ডায়াবেটিস পরিচালনায় সাহায্য করে?

আপনার ডায়েটে সঠিক পরিমাণ প্রোটিন ডায়াবেটিস সঠিকরূপে পরিচালনা করতে সহায়তা করে। প্রথমত, এটি আপনার পেট ভর্তি রাখে দীর্ঘ সময়। ফলে খাবারের প্রতি লোভ কমে যায়। যা ওজন হ্রাস করে এবং রক্ত ​​শর্করার মাত্রা স্থির করে। কার্বোহাইড্রেটের সঙ্গে প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবারগুলি যোগ করলে আপনার রক্তে শর্করার মাত্রার ভারসাম্য রক্ষিত হয়। উপরন্তু, প্রোটিন হজমে সময় লাগে এর ফলে স্টার্চ আপনার অন্ত্রে পৌঁছাতে দেরি হয়। সেখানে এটি রক্তে প্রবেশ করার আগে গ্লুকোজ পরিণত হয়। এই বিলম্বিত গ্যাস্ট্রিক গ্লুকোজ মাত্রার হঠাত বৃদ্ধি প্রতিহত করে।

ডায়াবেটিক পুরুষরা ইডি থেকে সতর্ক থাকুন!

ডায়াবেটিসের জন্য প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যা রক্তে শর্করার মাত্রা পরিচালনা করে

1. টক দই

এক বাটি টক দইয়ে প্রায় 13 গ্রাম প্রোটিন থাকে। যা একজন ব্যক্তির একদিনের 2,000-ক্যালোরি খাদ্যের দৈনিক মানের 26 শতাংশ। দই শুধুমাত্র প্রোটিনেরই সমৃদ্ধ উত্স নয়, ক্যালশিয়ামও প্রচুর এবং কার্বোহাইড্রেট কম। একে আরও স্বাস্থ্যকর করতে কিছু কিছু সবজি যোগ করতে পারেন।

2. পনীর

চর্বিহীন পনির ১২ গ্রাম প্রোটিন সরবরাহ করে এবং এটি ক্যালসিয়ামের একটি সমৃদ্ধ উত্স। আপনি অসম্পৃক্ত ফ্যাট যোগ করার জন্য এতে কিছু সূর্যমুখী বীজ বা বাদাম যোগ করতে পারেন। কোলেস্টেরল এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত পনীর খান।

3. শুকনো ফলের সঙ্গে আমন্ড

কড়মুড়ে এবং মিষ্টি ডায়াবেটিক স্ন্যাক্স হিসেবে, বাদাম এবং শুকনো ফল মিশ্রণ খাওয়ার চেষ্টা করুন। ইউরোপিয়ান জার্নাল অফ ক্লিনিকাল নিউট্রিশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বাদাম রক্তের চিনির বৃদ্ধিকে সীমাবদ্ধ করে এবং তারা আপনার পেট ভর্তি রাখে। যেহেতু এতে ক্যালোরির পরিমাণ বেশি, তাই অল্প পরিমাণে খাওয়াই ভালো।

4. বীজ জাতীয় খাদ্য

বীজে স্বাস্থ্যকর চর্বির পাশাপাশি ভিটামিন এবং খনিজ থাকে প্রচুর পরিমাণে। উচ্চ পরিমাণে ক্যালোরি থাকায় সল্টেড বীজ খাবেন না। কুমড়ো বীজ, সূর্যমুখী বীজ, এবং তিল বীজের মিশ্রণ খেতে শুরু করুন, এতে আছে পর্যাপ্ত প্রোটিন।

5. ডিম

একটি বড় ডিমে প্রায় ছয় গ্রাম প্রোটিন এবং শূন্য কার্বোহাইড্রেট থাকে। ডিম আপনার ডায়েটে ভিটামিন ডি যোগ করে। লবণ এবং কালো মরিচ দিয়ে সেদ্ধ ডিম খান রোজ।

6. কালো বীনের স্যালাড

যদি আপনি ভারী স্ন্যাক্স খেতে চান তাহলে কালো বীনের স্যালাড খেতে পারেন। এতে পর্যাপ্ত ফাইবার এবং প্রোটিন আছে যা ডায়াবেটিসের জন্য ভাল।

SHARE