Home জীবনযাত্রা সস্তার সানগ্লাসে বাধাতে পারে চোখের বিভিন্ন রোগ

সস্তার সানগ্লাসে বাধাতে পারে চোখের বিভিন্ন রোগ

70
SHARE

কক্সবাংলা ডটকম(২৭ নভেম্বর) :: রাস্তার ধুলোবালি, পোকা-মাকর ও সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মির কুপ্রভাব থেকে চোখকে বাঁচানোর জন্য সানগ্লাস খুবই প্রয়োজনীয় জিনিস। এমনকি সাইকেল বা মোটরসাইকেল চালানো সময় সানগ্লাস অত্যন্ত জরুরি। কারণ, সাইকেল ও মোটরসাইকেল চলন্ত অবস্থায় বাতাসের ধুলোবালি এবং পোকা-মাকর আমাদের চোখে এসে পড়তে পারে।

সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি আমাদের চোখের কর্নিয়ার ও রেটিনার মারাত্মক ক্ষতি করে। আর সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির কুপ্রভাব থেকে চোখ বাঁচাতে সাহায্য করে এই সানগ্লাস। তাই সানগ্লাস শুধুমাত্র ফ্যাশনের জন্য নয়, চোখের সুরক্ষায়ও জরুরি।

কিন্তু সাময়িক আরাম বা ফ্যাশন করতে গিয়ে সস্তার সানগ্লাস ব্যবহার করে বিপদ ডেকে আনছেন অনেকেই। কারণ, সস্তার সানগ্লাসে নিম্ন মানের প্লাস্টিক ব্যবহৃত হয়। আর নিম্ন মানের রঙিন প্লাস্টিকে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি আটকানোর কোনও ক্ষমতা নেই। উল্টো চোখের জন্য তা মারাত্মক ক্ষতিকর।

চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, সস্তার সানগ্লাস ছোট থেকে বড় সকলেই ব্যবহার করেন। ছোটদের বায়না মেটাতে অনেকেই রাস্তা বা মেলা থেকে তাদের খেলনা চশমা কিনে দিয়ে থাকি। কিন্তু পরবর্তীতকালে এর জন্য শিশুদের চোখে সমস্যা দেখা দিতে পারে। শুধু তা-ই নয়, এ সব কম দামি বা সস্তার সানগ্লাস অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে অকালেই চোখে ছানি পড়ে যেতে পারে। হঠাৎ করে চোখের কর্নিয়া শুকিয়ে যেতে পারে।

চক্ষু চিকিৎসকরা জানান, সস্তার রঙিন চশমা ব্যবহারের ফলে অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে যেতে পারে চোখের পাওয়ার, ঘন ঘন মাথাব্যথাও হতে পারে। যে কোনও সানগ্লাস সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মির কুপ্রভাব থেকে চোখকে বাঁচাতে পারে না। শুধু মাত্র পলিকার্বোনেট লেন্সই সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি আটকাতে পারে।

এছাড়া, সস্তার রঙিন চশমা অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে ‘রিফ্রাক্টিভ এরর’ বা চোখের প্রতিসারক ত্রুটি বহুগুণ বেড়ে যায়। অক্ষিগোলকের অস্বাভাবিক আকার এবং বক্রতার কারণে প্রতিসারক ত্রুটির সমস্যা দেখা যায়। ‘রিফ্রাক্টিভ এরর’ বা চোখের প্রতিসারক ত্রুটির ফলে দৃষ্টি শক্তি ঝাপসা হয়ে যেতে পারে। খুব দূরের বা খুব কাছের কিছু দেখতে সমস্যা হতে পারে।

এ ছাড়াও সস্তার রঙিন চশমা অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে ‘আইলিড’ ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়। তাই সানগ্লাস কেনার ক্ষেত্রেও প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আর সস্তার সানগ্লাস কেনা বা ব্যবহারে থেকে বিরত থাকুন।

SHARE