Home কক্সবাজার ঈদগাঁও-ঈদগড়ে ঘরে ঘরে আমন ধানের সুঘ্রান

ঈদগাঁও-ঈদগড়ে ঘরে ঘরে আমন ধানের সুঘ্রান

60
SHARE

এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও(২৯ নভেম্বর) :: অগ্রাহায়ণ মাস মানে গ্রামীণ কৃষি জীবনে উৎসবের আমেজ। বর্ষায় বপন করা আমন ধান কাটা হয় চলতি মাসে। আর ধান কাটা শেষে গ্রামীণ জনজীবনের আনন্দ বয়ে আনে নবান্ন উৎসব। তবে অঞ্চল ভেদে পৌষ মাসের শেষ নাগাদ পর্যন্ত এ বাড়ি ও বাড়ি চলে নবান্নের আনুষ্ঠানিকতা। আমন ধান রোপন করা হয় ভরা বর্ষায় এবং নিচু জমিতে।

ধান কাটা হয় বাংলা বর্ষের শেষের দিকে অগ্রহায়ণ ও পৌষ মাষে। আমন কাটা শেষে আনন্দ-উল্লাসের সঙ্গে অনেক পরিবার জড়ো হয় এবং বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠান ও উৎসব পালন করে। তবে এ উৎসবের প্রধান উপাদান হলো ডিসেম্বরের শীতের মতো উষ্ণ ও হৃদ্যতাপূর্ণ ভোজন এবং বিভিন্ন উপায়ে তৈরি উষ্ণ ও সুস্বাদু পিঠা বিতরণ।

এ ধান কাটা ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুখরতায় শস্য কর্তন উৎসব পালিত হয়। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিপুল উৎসাহ নিয়ে নবান্ন উৎসব পালন করে থাকেন কৃষিজীবী মানুষ। আমন ধান কাটা শেষেও আনন্দ উৎসাহে মেতে ওঠেন তাঁরা। ঘরে ঘরে উপাদেয় খানাপিনার আয়োজন করা হয়। এটি মূলত কৃষিভিত্তিক লোকোৎসব।

ঈদগাঁও ও ঈদগড় এলাকার কজন কৃষকের মতে, আমন ধানে চিকন ধরনের চাল হয়। আগের রাতে পানিতে ভিজিয়ে রাখা আতপ চাল পর দিন ঢেকিছাঁটা করে গুড়ি তৈরি করেন। ঝুনা নারিকেল কুরিয়ে সেই গুড়ি দিয়ে নানা ধরনের পিঠা তৈরি করা হয়। সেই সঙ্গে নতুন চালের মুড়ি-মুড়কি এবং পায়েস তো রয়েছেই। এসব উপকরণ আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতেও পরিবেশন করা হয়।

সরজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়,ক্ষেত্র জুড়ে এখন পাকা ধানের সোনালি ঝলক। ধান কাটা, মাড়াই ও শুকনোর স্থান খলা তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কৃষকেরা। এক কৃষকের মতে, এবার আমন ধানের ফলন ও ভালো হয়েছে। ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকের আনন্দ বহুগুণে বেড়ে গেছে।

SHARE