২০১৮’র মিস ওয়ার্ল্ড মেক্সিকো সুন্দরী ভানেসা

ms-w-18.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(৮ ডিসেম্বর) ::‍‍ এবারের মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব জিতে নিয়েছেন মেক্সিকো সুন্দরী ভানেসা পনসে দ্য লিওন। চীনের সানিয়া নগরীতে আয়োজিত এবারের প্রতিযোগিতায় ভানেসা ১১৮ জন প্রার্থীকে পেছনে ফেলে সেরা সুন্দরীর মুকুট জিতে নেন।

এবারের মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেন বাংলাদেশের মেয়ে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। এই দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশ মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করলেও ঐশীর হাত ধরে এ বছর প্রথমবারের মতো সেরা তিরিশে জায়গা করে নিয়ে ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ।

১৯৯২ সালের ৭ মার্চে জন্ম নেওয়া ভানেসা বেড়ে উঠেছেন মেক্সিকোর গুয়ানাহুয়াতো শহরে। তিনিই মিস ওয়ার্ল্ড খেতাবজয়ী প্রথম মেক্সিকান।

ভানেসা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আগে এ বছর মেক্সিকো সুন্দরী নির্বাচিত হন। ‘মিস ওয়ার্ল্ড মেক্সিকো ২০১৮’ শীর্ষক ওই প্রতিযোগিতায় তিনি ৩২ জন প্রতিযোগীকে হারান।

মূলত বুদ্ধিদীপ্তভাবে প্রশ্নের জবাব দিয়েই ভানেসা এবারের প্রতিযোগিতার শীর্ষস্থানটি দখল করে নেন। তাঁর কাছে বিচারকদের প্রশ্ন ছিল, ‘অন্যদের সাহায্য করার ক্ষেত্রে মিস ওয়ার্ল্ড হিসেবে আপনি আপনার প্রভাব কী করে ব্যবহার করবেন?’ জবাবে তিনি বলেন, ‘তিন বছর ধরে যা করে আসছি, ঠিক সেভাবেই আমার অবস্থানকে ব্যবহার করব। আমি উদাহরণ সৃষ্টি করব। এই পৃথিবীতে আমরা সবাই ভালো কাজের উদাহরণ তৈরি করতে পারি। আমাদের অন্যদের প্রতি যত্নশীল হতে হবে, অন্যদের ভালোবাসতে হবে, দরদি হতে হবে। এতে কোনো খরচ নেই। আর অন্যকে সাহায্য করা কঠিন কিছু নয়। আপনার শুধু তাদের কাছে পৌঁছতে হবে।’

ভানেসার উচ্চতা ১৭৪ সেন্টিমিটার। তিনি গুয়ানাহুয়াতো ইউনিভার্সিটি থেকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ডিগ্রি নিয়েছেন। মানবাধিকার বিষয়ে ডিপ্লোমাও করেছেন। মানবাধিকার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ভানেসা নেনেমি নামের একটি স্কুলে কাজ করেন। ওই স্কুলে আদিবাসী শিশুদের আন্ত সংস্কৃতি শিক্ষা দেওয়া হয়। এ ছাড়া তিনি নারী পুনর্বাসন সেন্টারের বোর্ড অব ডিরেক্টরসের সদস্য। অভিবাসীদের কাজ করে মিগ্রানতেস এনএল কামিনো নামের একটি সংস্থায় স্বেচ্ছাসেবী হিসেবেও তিনি কাজ করেন। ভানেসার শখের মধ্যে ভলিবল খেলা ও প্রকৃতির ছবি আঁকা অন্যতম। করেন স্কুবা ডাইভিং। এর লাইসেন্সও আছে তাঁর।

Share this post

PinIt
scroll to top