কক্সবাংলা ডটকম :: দর্শক-সমালোচক উভয়েরই ভালো রিভিউ পেয়েছে। তা সত্ত্বেও ১০ কোটি ডলার লোকসানের মুখে পড়তে পারে হলিউড সিনেমা ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’।
পল থমাস অ্যান্ডারসন পরিচালিত এ অ্যাকশন-কমেডির মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও।
বর্তমান বিশ্বব্যাপী প্রদর্শিত হলেও সিনেমাটি মূল বাজেট তুলতে পারবে না বলে ভ্যারাইটির এক প্রতিবেদন আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
চলচ্চিত্রটি ২৬ সেপ্টেম্বর উত্তর আমেরিকার ৩ হাজার ৬২৪টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।
প্রথম সপ্তাহান্তে (শুক্রবার-রবিবার) ২ কোটি ২০ লাখ ডলার আয় করে বক্স অফিসে প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
তবে সমালোচকদের প্রশংসা সত্ত্বেও পরবর্তী দিনগুলোয় আয় ক্রমেই কমতে থাকে।
এ পরিস্থিতিকে ওয়ার্নার ব্রাদার্সের জন্য খারাপ খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত বুধবার পর্যন্ত ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ উত্তর আমেরিকার স্থানীয় বাজারে আয় করেছে ৫ কোটি ৬৬ লাখ ডলার।
আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তুলে নিয়েছে ৮ কোটি ৫২ লাখ ডলার। অর্থাৎ বিশ্বব্যাপী মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ১৮ লাখ ডলার।
ভ্যারাইটি উল্লেখ করেছে, মৌলিক গল্পের, আর রেটেড ও প্রায় তিন ঘণ্টা দীর্ঘ সিনেমার জন্য ১৪ কোটি ডলারের বৈশ্বিক আয় প্রশংসনীয়।
তবে মুনাফার মুখ দেখতে হলে ‘ওয়ান ব্যাটল’কে অন্তত ৩০ কোটি ডলার আয় করতে হবে।
সিনেমাটির জন্য বাজেট নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য রয়েছে। একটি সূত্র বলছে, ওয়ার্নার ব্রসের বাজেট ছিল ১৩ কোটি বেশি। প্রচারে খরচ হয়েছে প্রায় ৭ কোটি ডলার।
সাধারণত টিকিট বিক্রির অর্ধেক অর্থ রেখে দেয় প্রেক্ষাগৃহগুলো। এ কারণে মোট বাজেটের কমপক্ষে দ্বিগুণ আয় দরকার ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’-এর। এর পরই উঠে আসবে মুনাফা।
হলিউডের এ লিস্টেড তারকা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও সাধারণত স্টুডিওর প্রাথমিক খরচ আদায়ের আগেই বক্স অফিস আয়ের একটি অংশ পান।
এছাড়া অস্কারের জন্য প্রচারণার কারণে বাড়তি খরচ হচ্ছে ওয়ার্নার ব্রসের।
এ ক্ষেত্রে ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’-এর লাইফটাইম আয়ে শেষ পর্যন্ত প্রায় ১০ কোটি ডলার লোকসান গুনতে পারে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান।














