রবিবার ৩রা জুলাই, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

রবিবার ৩রা জুলাই, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

অনলাইননে টাকা পাঠাতে পারলে ইভিএমে ভোট কেন দিতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

রবিবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮
264 ভিউ

কক্সবাংলা ডটকম(২ সেপ্টেম্বর) :: জাতীয় নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম ব্যবহার নিয়ে তুমুল আলোচনা এবং বিএনপির কঠোর সমালোচনার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এ যন্ত্র নিয়ে তাড়াহুড়োর কিছু নেই। এটি চাপিয়ে দেয়ার বিষয়ও না।

‘বিএনপি এর বিরুদ্ধে খুব সোচ্চার। তারা করচুপির ভালো টেকনিক জানে। ইভিএম ব্যবহার করলোতো আর কারচুপি করতে পারবে না।’

‘অামরা নির্বাচন নিয়ে অনেক গবেষণা করেছি কিন্ত আমরা এখনো তাদের সেই পদ্ধতিটা ধরতে পারিনি। তাদের অর্থের অভাব নেই তারা সবকিছু কিনতে পারে। ইইভএম হলে তার একটার জায়গায় দুটো তিনটা সিল মারতে পারবে না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চাই প্রযুক্তির উন্নয়নের জন্য ইভিএমের ব্যবহার শুরু হোক। এটাইতো শেষ কথা না। এতে আপত্তির কী আছে এতো। এখন যদি অনলাইননে টাকা পাঠাতে পারেন তাহলে ভোট দিতে পারবে না কেনো। সবচেয়ে মূল্যবান হলো অর্থ। সেটার উপর বিশ্বাস করতে পারলে ভোটের উপর নয় কেন।’

তবে তাড়াহুড়া করে ইভিএমকে চাপিয়ে দেয়া যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন: নির্বাচনের ক্ষেত্রে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। আমাদের সবাই এখন অনলাইনে সবকিছু করছি। এটা ঠিক যে টেকনোলজির যেমন সুবিধা দেয়। তেমনি অসুবিধাও আছে। তবে তাড়াহুড়া করে এটাকে চাপিয়ে দেয়া যাবে না।

নেপাল সফর শেষে রবিবার বিকালে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার জন্য যখন দুই মাসের অপেক্ষা তখন হঠাৎ করেই নির্বাচন কমিশন একশ আসনে ইভিএম ব্যবহারের চিন্তা এবং দেড় লাখ যন্ত্র কেনার প্রাথমিক পরিকল্পনার কথা জানায়। আর নির্বাচন কমিশন গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ সংশোধন করে ইভিএমে ভোট নেয়ার সুযোগ রাখতে আইন সংশোধনে প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে। তবে ইভিএম ব্যবহারই হবে, এই সিদ্ধান্ত এখনও নেয়নি নির্বাচন কমিশন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইভিএম পদ্ধতিতে ইলেকশন কিন্তু বিভিন্ন দেশেই হয় এবং ইভিএমটা দেশে নিয়ে আসার জন্য আমিই কিন্তু সব সময় পক্ষেই ছিলাম। এবং আমি এখনও পক্ষে আছি।… তবে এটা ঠিক, তাড়াহুড়ো করে এটাকে চাপিয়ে দেয়া যাবে না। কারণ এটা একটা প্র্যাকটিসের ব্যাপার। আর এটা আমাদের পরীক্ষামূলক করে দেখতে হবে।’

‘আমি বলেছি, ঠিক আছে, শুরু হোক। আস্তে আস্তে মানুষ দেখুক। প্রযুক্তিতে কোনো সিস্টেম লস আছে কি না সেটা পরীক্ষা করে দেখা যাক। যদি দেখে, সাথে সাথে সেটা বাতিল করে আবার নতুন করে করা যাবে।’

সিটি নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের প্রসঙ্গও তুলেন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু কিছু জায়গায়, সিটি করপোরেশনে দেখেছেন কিছু কিছু জায়গায় ইভিএমে ইলেকশন হয়েছে।সব থেকে সুবিধা হলো, মানুষ টিপ দিয়ে ভোটটা দিয়ে আসছে এবং সঙ্গে সঙ্গে রেজাল্টটা পেয়ে যাচ্ছে।’

ইভিএমের বিরুদ্ধে বিএনপির সোচ্চার থাকার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারা ইভিএম চায় না এ কারণে যে, তাদের কারচুপি করার একটা ভালো টেকনিক আছে। যে টেকনিক এখনও আমরা আবিষ্কার করতে পারিনি। আমাদের অনেকেই নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেন, কিন্তু এখনও তারা ধরতে পারেননি।’

‘তাদের অর্থের অভাব নাই, তারা সব কিনে ফেলতে পারে। ব্যালট একটা না, একটা ওখানে হাতে পয় তো, সাথে আরও দুইটা থাকে। ওই দুটো সিল মেরে ভরে তো একটা জমা দিলে টাকা পায়।’

ইভিএমর ব্যবহার চূড়ান্ত নয় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এটা এমন না যে এটাই শেষ কথা। এখানে এত আপত্তির কী আছে? আমরা সীমিত আকারে শুরু করি প্রযুক্তির ব্যবহার।’

বিমসটেক সম্মেলনে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথার প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এমন একটা সফটওয়ার তারা ডেভেলপ করেছেন, আপনি মোবাইল ফোন থেকেও পৃথিবীর যেখানেই থাকুন, আপনার ভোটটা দিয়ে দিতে পারবেন। এটা তো তো সবাই ভোটটা দিতে পারবে, এটাই তো সবচেয়ে বড় সুবিধা ভোটকেন্দ্রেও যাওয়া লাগবে না, আপনি অনলাইনে ভোট দিয়ে দিচ্ছেন।’

সেনানিবাসে বিএনপির জন্মের বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খুব স্বাভাবিক, এটা বুঝতেই হবে, বিএনপির জন্মস্থানটা কোথায়?’

জিয়াউর রহমানের আমলে ‘হ্যাঁ’, ‘না’ ভোট, ‘না’ ভোটের বাক্স খুঁজে না পাওয়ার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভোটের রাজনীতিতে কারচুপি করা তো স্বাধীনতার পর নিয়ে আসল জিয়াউর রহমানই এ দেশে। কারণ অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে ভোট দিয়ে ক্ষমতাকে বৈধ করতে চেয়েছে সে।’

আন্দোলনের মুখে খালেদার পদত্যাগের কথা স্মরণ

ভোট কারচুপির কথা তুলে ধরে ১৯৯৬ সালে গণ আন্দোলনে খালেদা জিয়ার পদত্যাগের বিষয়টি তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটের কথা যদি কারও মনে থাকে, সেখানে কী ইলেকশনটা তারা করেছিল? এবং ঘোষণা দিয়েছিল দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী, দেড় মাসের মধ্যে চলে যেতে হয়েছিল।’

‘যদি জনগণের বিশ্বাস থাকত, আস্থা থাকত, নিশ্চয় খালেদা জিয়াকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হতে হতো না, খালেদা জিয়াকে পদত্যাগ করতে হতো না। জনগণের বিশ্বাস-আস্থা ছিল না, জনগণ ভোট দেয়নি বলে, কারচুপি করে এসেছিল বলেই সে বাধ্য হয়েছিল পদত্যাগ করতে।’

‘আপনি যান সে মাগুরা ইলেকশন, এমনকি ঢাকা-১০, মিরপুর ইলেকশন কোন ইলেকশন না কারচুপি করেছে? সব জায়গায় করেছে।’

264 ভিউ

Posted ৬:২৫ অপরাহ্ণ | রবিবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com