মঙ্গলবার ৯ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৫শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

মঙ্গলবার ৯ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ : বাঙালির প্রাণপুরুষ বঙ্গবন্ধু‘র স্বাধীনতার ডাক

শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২০
271 ভিউ
আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ : বাঙালির প্রাণপুরুষ বঙ্গবন্ধু‘র স্বাধীনতার ডাক

কক্সবাংলা ডটকম(৭ মার্চ) :: একটি কবিতা লেখা হবে, তার জন্য অপেক্ষার উত্তেজনা নিয়ে
                                          লক্ষ লক্ষ উন্মত্ত অধীর, ব্যাকুল বিদ্রোহী শ্রোতা বসে আছে
                                       ভোর থেকে জনসমুদ্রের উদ্যান সৈকতে: ‘কখন আসবে কবি’?

রেসকোর্স ময়দানে জনসমুদ্রে সেদিন এক অমর কবিতা পাঠ করেছিলেন বাঙালির প্রাণপুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সে কবিতা ঠাসা ছিল হাজার বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীনতার চেতনার বারুদে। বাংলার ঘরে ঘরে সে বারুদ ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে বাংলার স্বাধীনতার মহানায়কের মুক্তির ডাক সেদিন সে বারুদে আগুন জালিয়ে দিয়েছিল। যার বিস্ফোরণ ঘটেছিল রেসকোর্স ময়দানে।

একাত্তরের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দান ছিল জনসমুদ্রে উত্তাল। ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে মুহুর্মুহু গর্জনে ফেটে পড়েছিলেন উত্থিত বাঁশের লাঠি হাতে সমবেত বিক্ষুব্ধ জনতা। বাতাসে উড়ছিল বাংলার মানচিত্র আঁকা লাল সূর্যের অসংখ্য পতাকা।

জনস্রোতের সেই সুনামির গর্জনের মধ্যেই সাদা পাজামা-পাঞ্জাবি আর হাতাকাটা কালো কোট পরে দৃপ্তপায়ে রেসকোর্সের মঞ্চে উঠে এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু। মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে আকাশ-কাঁপানো স্লোগান আর মুহুর্মুহু করতালির মধ্যে হাত নেড়ে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন অপেক্ষমাণ জনসমুদ্রের উদ্দেশে।

এরপর সেই বজ্রকণ্ঠ… আজ বাংলার মানুষ মুক্তি চায়, বাংলার মানুষ বাঁচতে চায়, বাংলার মানুষ তারা আজ তার অধিকার চায়।…আজ দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, ২৩ বৎসরের করুণ ইতিহাস বাংলার অত্যাচারের, বাংলার মানুষের রক্তের ইতিহাস। ২৩ বৎসরের ইতিহাস মুমূর্ষু নর-নারীর আর্তনাদের ইতিহাস। বাংলার ইতিহাস, এদেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস।…

তৎকালীন পাকিস্তানের শোষণ-নিপীড়ন থেকে মুক্তির ডাক দেয়া বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণ রেডিও টেলিভিশনে প্রচার করার অনুমতি ছিল না। তবে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই পাকিস্তান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র করপোরেশনের চেয়ারম্যান এএইচএম সালাহউদ্দিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম আবুল খায়ের ভাষণটি ধারণ করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ভাষণটির ভিডিও করেছিলেন তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক অভিনেতা আবুল খায়ের। আর অডিও রেকর্ড করেছিলেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রযুক্তিবিদ এইচ এন খোন্দকার। পরে রেকর্ডিংয়ের অনুলিপি বঙ্গবন্ধুকে হস্তান্তর করা হয়। ভারতে পাঠানো অডিওর তিন হাজার কপি করে সারাবিশ্বে বিতরণ করেছিল ভারতীয় রেকর্ড লেবেল এইচএমভি (হিজ মাস্টার্স ভয়েস)।

সেদিনের ভাষণ দিতে গিয়ে অত্যন্ত সতর্ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু। একদিকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়া অন্যদিকে বিচ্ছিন্নতাবাদী হিসেবে অভিহিত না হওয়া। এমনই ভাবনা মাথায় ছিল। ভাষণের এক পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু বলেন, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোকদের ওপর হত্যা করা হয়- তোমাদের ওপর আমার অনুরোধ রইল, প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে।

অতি সতর্কতার সঙ্গেই বঙ্গবন্ধু এভাবে বক্তব্য দিয়েছিলেন। তাঁর সেই সতর্ক দৃষ্টির কারণেই পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সেদিন জনসভায় হামলার প্রস্তুতি নিলেও তা সফল করতে পারেনি। পাকিস্তানের এক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এক কর্মকর্তা আপসোস করে লিখেছিলেন, শেখ মুজিব কৌশলে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে গেলো, আর আমরা কিছুই করতে পারলাম না।

ভাষণের এক ফাঁকে বঙ্গবন্ধু ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার নির্দেশনা দিয়ে বলেছিলেন, ‘আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোকদের ওপর হত্যা করা হয়- তোমাদের ওপর আমার অনুরোধ রইল, প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে।’ সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। আমরা যখন মরতে শিখেছি তখন কেউ আমাদের দাবাতে পারবে না।

বঙ্গবন্ধুর ভাষণের মূল্যায়ন করতে গিয়ে লন্ডনের ‘অবজারভার’ পত্রিকার তৎকালীন রাজনীতি বিশ্লেষক সিরিল ডান লিখেছিলেন, ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল একটি জাতির স্বাধীনতা ও স্বাধীন অস্তিত্ব পুনর্নির্মাণের ডাক। এই ডাক সারাবিশ্বের নির্যাতিত মানুষের মনে সাড়া জাগাবে তাতে সন্দেহ নেই। লন্ডনের সানডে টাইমস বঙ্গবন্ধুকে ‘এ পোয়েট অব পলিটিক্স’ বা রাজনীতির কবি আখ্যা দিয়েছে। ফরাসি দার্শনিক আঁদ্রে জিতের মতে, ৭ মার্চের ভাষণ শুধু ঐতিহাসিক নয়, এটি একটি ধ্রুপদী ভাষণ। এ ভাষণের গর্ভ থেকে একটি স্বাধীন জাতির জন্ম হয়েছে।

ভাষণের এক পর্যায়ে স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নেয়া নির্দেশ দিয়ে বঙ্গবন্ধু উদাত্ত কণ্ঠে বলেন, প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায়, প্রত্যেক ইউনিয়নে, প্রত্যেক সাব-ডিবি-সনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেবো। এই দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ্‌।

সম্প্রচারতত্ত্বমতে, প্রতি মিনিটে ৬০ শব্দের উচ্চারণ আদর্শ মানের। ৭ই মার্চের ভাষণ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বঙ্গবন্ধু প্রতি মিনিটে গড়ে ৫৮ থেকে ৬০টি শব্দ উচ্চারণ করে ১৯ মিনিটে তার কালজয়ী ভাষণ শেষ করেছিলেন। এক হাজার একশ সাতটি শব্দের এ ভাষণে কোনো বিরক্তিকর পুনরাবৃত্তি, বাহুল্য ছিল না। ছিল শুধু সারকথা। দু’একটি স্থানে পুনরাবৃত্তি বক্তব্যের অন্তর্লীন তাৎপর্যকে বেগবান করেছে বলে মনে করা হয়।

বিশ্বের ১২টি ভাষায় অনুবাদ করা ৭ মার্চের অবিস্মরণীয় সেই ভাষণটি ইউনেস্কো ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণ ছিল মুক্তিকামী বাঙালির যুদ্ধ স্লোগান। আমাদের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র এই ভাষণ আজও শুনলে শিশু-কিশোর-যুবক-বৃদ্ধ থেকে শুরু করে সবার গায়ের লোম খাড়া হয়ে যায়।

কবি নির্মলেন্দু গুণের ভাষায়- শত বছরের শত সংগ্রাম শেষে/ রবীন্দ্রনাথের মতো দৃপ্ত পায়ে হেঁটে/ অতঃপর কবি এসে জনতার মঞ্চে দাঁড়ালেন/ গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তাঁর অমর-কবিতাখানি— ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ এবং ডেল্টা প্লান-২১০০ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়তে কাজ করে যাচ্ছে। ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে শুক্রবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।.

শেখ হাসিনা বলেন, “গত ১১ বছরে আমরা দেশের প্রতিটি খাতে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করেছি। ইতোমধ্যেই আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ আজ আত্মমর্যাদাশীল দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।”বাঙালির জাতির হাজার বছরের ইতিহাসে ৭ মার্চ এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দেন। ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের বিশাল জনসমুদ্রে তিনি বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা দেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ২৬ মার্চ ২০২১ সময়কে ‘মুজিববর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজগুলো বাস্তবায়ন করছি। তিনি যে সোনার বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, বাঙালি জাতির জন্য যে উন্নত জীবনের কথা ভেবেছিলেন, তার সেই স্বপ্নকে আজ আমরা বাস্তবে রূপ দিচ্ছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এ অঞ্চলের জনগণের ওপর নেমে আসে বৈষম্য আর নির্যাতনের যাঁতাকল। অর্থনৈতিক বৈষম্য ছাড়াও সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালির মাতৃভাষাকে উপেক্ষা করে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠী।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের পটভূমি বর্ণনা করে তিনি বলেন, ‘শুরু হয় বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার আদায়ের সংগ্রাম। ১৯৪৮-৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৫৪’র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২’র শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬’র ৬-দফা আন্দোলন, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান এবং ৭০’র সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ের পথ ধরে বাঙালির মুক্তি সংগ্রাম যৌক্তিক পরিণতির দিকে ধাবিত হয়। আর এসব আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। অবশেষে চলে আসে ৭ মার্চের সেই ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণ। রেসকোর্সের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে তিনি প্রদান করলেন স্বাধীনতার পথ-নকশা। যুদ্ধ অনিবার্য জেনে তিনি শত্রুর মোকাবিলায় বাঙালি জাতিকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়ে বলেন, তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। জাতির পিতার এই সম্মোহনী আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালি জাতি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা গণহত্যা শুরু করে। জাতির পিতা ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হন। ২ লাখ মা-বোন সম্ভ্রমহারা হন। রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ আর বহু ত্যাগের বিনিময়ে আমরা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করি। পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে ছিনিয়ে আনি মহান স্বাধীনতা, বাঙালি জাতি পায় মুক্তির কাঙ্ক্ষিত সাধ। প্রতিষ্ঠা পায় স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ।

শেখ হাসিনা বলেন, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক ভাষণ। লেখক ও ইতিহাসবিদ জ্যাকব এফ ফিল্ড-এর বিশ্বসেরা ভাষণ নিয়ে লেখা ‘উই স্যাল ফাইট অন দ্যা বিচেস : দ্যা স্পিচেস দ্যাট ইনস্পয়ার্ড হিস্টোরি’ গ্রন্থে এই ভাষণ স্থান পেয়েছে। অসংখ্য ভাষায় অনুদিত হয়েছে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ।

তিনি বলেন, জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো কর্তৃক ২০১৭ সালে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে ইউনেস্কোর ইন্টার ন্যাশনাল মেমোরি অব দ্যা ওর্য়াল্ড রেজিস্টার এ অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সমগ্র দেশ ও জাতি গর্বিত। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাঙালির বীরত্বপূর্ণ সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে জাতির পিতার এই ভাষণের দিকনির্দেশনাই ছিল সে সময় বজ্রকঠিন জাতীয় ঐক্যের মূলমন্ত্র। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে অমিত শক্তির উৎস ছিল এ ঐতিহাসিক ভাষণ। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ আমাদের ইতিহাস এবং জাতীয় জীবনের এক অপরিহার্য ও অনস্বীকার্য অধ্যায়; যার আবেদন চির অম্লান। কালজয়ী এই ভাষণ বিশ্বের শোষিত, বঞ্চিত ও মুক্তিকামী মানুষকে সবসময় প্রেরণা যুগিয়ে যাবে।

বাংলাদেশকে বিশ্বসভায় আরও উচ্চাসনে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় সংকল্পে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “এ দেশকে আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ-শান্তিপূর্ণ আবাসভূমিতে পরিণত করবো। ঐতিহাসিক ৭ মার্চে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।” সূত্র: বাসস।

271 ভিউ

Posted ২:০৭ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২০

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com