রবিবার ১৩ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

রবিবার ১৩ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

আল জাজিরার প্রতিবেদন : শেখ হাসিনাই কেন টার্গেট?

বৃহস্পতিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১
240 ভিউ
আল জাজিরার প্রতিবেদন : শেখ হাসিনাই কেন টার্গেট?

কক্সবাংলা ডটকম(৩ ফেব্রুয়ারি) :: গত সোমবার আল-জাজিরায় প্রচারিত ‘অল দ্যা প্রাইম মিনিস্টারস ম্যান’ প্রামাণ্য চিত্রে টার্গেট করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তথাকথিত এই প্রামাণ্য চিত্রের শিরোনামটি অপসাংবাদিকতার একটি বড় উদাহরণ। এই প্রতিবেদনে না সামি, না হাফিজ, কেউই কোথাও বলেননি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাদের দেখা হয়েছে, কিংবা কথা হয়েছে।

কথিত দুর্নীতির যে কাল্পনিক গল্প ফাঁদা হয়েছে সেখানেও দুর্নীতি হয়েছে যেমন প্রমান নেই, তেমনি ঐসব কথিত কেনাকাটায় প্রধানমন্ত্রীর নূন্যতম সংশ্লিষ্টতাও দেখাতে পারেনি ডেভিড বার্গম্যানরা। প্রামাণ্য চিত্রের এক জায়গায় বক্তৃতারত (সম্ভবত মোহাম্মদপুর এলাকার কোন পথসভা) শেখ হাসিনার চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজনের মধ্যে একজনকে হারিছ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

মিথ্যাচারে ভরপুর ঐ প্রামাণ্য চিত্রে ঐ একটি ছবি ৪ বার দেখিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে, ঐ হারিছ আওয়ামী লীগ সভাপতির বডিগার্ড ছিলেন। প্রথম কথা হলো, শেখ হাসিনা ১৯৮১ সাল থেকে এপর্যন্ত তার রাজনৈতিক জীবনে কোনদিন ‘বডিগার্ড’ রাখেন নি।

এমনকি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধ পক্ষরাও জানেন, এসব তিনি অপছন্দ করেন। কেউ কোনদিন জানলো না, আর এখন হঠাৎ ডেভিড বার্গম্যান এবং তাসনিম খলিল আওয়ামী লীগ সভাপতির বডিগার্ড আবিস্কার করলো, কি অদ্ভুত।

একজন বডিগার্ড তো সার্বক্ষণিক কর্মচারী। হাফিজ যদি বডিগার্ড হবেন তাহেল তো তাকে, সর্বত্রই দেখা যেতো। আওয়ামী লীগ সভাপতির সাথে তার ছবির অভাব হতো না। যেমন, বেগম জিয়ার এক সময়ে বডিগার্ড ফালুকে ৮৩-২০০১ সাল পর্যন্ত সময়ে সার্বক্ষণিক দেখা যায়। কেউ কোনদিন শুনলো না, আওয়ামী লীগ সভাপতির বডিগার্ড আছে, আল-জাজিরার প্রতিবেদনে আবিস্কার করা হলো।

ঐ একটি ছবি দিয়েই প্রতিবেদনে শেখ হাসিনাকে জড়ানোর চেষ্টা হাস্যকর এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এই প্রামাণ্য চিত্রে প্রধানমন্ত্রীর নূন্যতম দুর্নীতি অনিয়ম না থাকার পরও প্রামাণ্য চিত্রের নামকরণ করা হয়েছে ‘অল দ্যা প্রাইম মিনিষ্টারস ম্যান।’

তারেক জিয়া এবং ডেভিড বার্গম্যান জানেন শুধু শেখ হাসিনাকে বিতর্কিত করলেই সরকারকে কোণঠাসা করা যাবে। শেখ হাসিনাকে বিতর্কিত করলেই, সরকার বিতর্কিত হবে। একারণেই টার্গেট করা হয়েছে শেখ হাসিনাকে। আর এখানেই এই প্রামাণ্য চিত্রের সবথেকে বড় দুর্বলতা।

উই অল আর শেখ হাসিনা`স ম্যান

সম্প্রতি আল-জাজিরা টেলিভিশনে একটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করা হয়েছে ‌। সেই প্রামাণ্যচিত্রটির শিরোনাম দেওয়া হয়েছে অল দ্যা প্রাইম মিনিস্টার`স ম্যান । মূলত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আক্রমণ করে এবং তাকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যেই এই নির্জলা মিথ্যাচার  প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি নানারকম বিভ্রান্তি ,কল্পনা এবং কিছু মিথ্যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই নির্মিত করা হয়েছে।এই প্রামাণ্যচিত্রটি দেখে প্রতিবাদ মুখর হয়েছে বাংলাদেশের জনগণ । কারণ বাংলাদেশের মানুষের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিটির নাম হচ্ছে শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশে যে একটি উন্নয়নের অগ্রগতির ধারা এসেছে সেটা একমাত্র শেখ হাসিনার জন্য । বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে শেখ হাসিনা বিপুলভাবে জনপ্রিয় । শুধু জনপ্রিয় নয় বাংলাদেশে এখন জনপ্রিয়তার দিক থেকে শেখ হাসিনা অন্য কোনও ব্যক্তি বা রাজনৈতিক নেতার চেয়ে অনেক দূর এগিয়ে। এরকম একটি পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কুৎসিত কুৎসা জনগণকে ব্যথিত করেছে ‌ ।

এ কারণেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বাংলাদেশের সর্বত্র প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে । সবাই বলছে আইএম শেখ হাসিনা`স ম্যান । শেখ হাসিনা হল এমন একজন দূরদৃষ্টি সম্পন্ন  রাষ্ট্রনায়ক যার হাত ধরেই বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার এক সোনালী বন্দরে পৌঁছে যাচ্ছে ‌ । শেখ হাসিনাই হলেন বাংলাদেশের মানুষকে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখিয়েছেন । শেখ হাসিনাই বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরতার পথে নিয়ে গেছেন । শেখ হাসিনাই বাংলাদেশের মানুষকে স্বাবলম্বী করেছেন ‌।

শেখ হাসিনার হাত ধরেই বাংলাদেশ আজ বিশ্ব মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আর এই কারণেই দেশের মানুষের আস্থার কেন্দ্রস্থলে হলেন শেখ হাসিনা। সেই শেখ হাসিনাকে যখন আক্রমণ করা হয়েছে তখনই দেশের মানুষ প্রতিবাদ করে বলছে উই অল আর শেখ হাসিনা`স ম্যান । শেখ হাসিনার পক্ষে থাকা মানেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করা । শেখ হাসিনার পক্ষে থাকা মানেই উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার পথে এগিয়ে যাওয়া ‌। শেখ হাসিনার পক্ষে থাকা মানেই দেশের মানুষকে ভালোবাসা।

শেখ হাসিনার পক্ষে থাকা মানেই আত্মনির্ভর, আত্মমর্যাদা পূর্ণ্য জাতি হওয়া। শেখ হাসিনার পক্ষে থাকা মানেই বাংলাদেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা ‌। আর সে কারণেই বাংলাদেশের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ, বিভিন্ন স্তরের মানুষ প্রতিবাদে বলেছে উই অল আর শেখ হাসিনা`স ম্যান ।

 অল তারেকস ম্যান

আল জাজিরার প্রতিবেদন: অল তারেকস ম্যান

আল-জাজিরায় বাংলাদেশ বিষয়ক এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ‘অল প্রাইম মিনিস্টারস ম্যান’ শিরোনামে তথাকথিত এই অনুসন্ধানী রিপোর্টটির ব্যাপ্তি এক ঘন্টার কিছু বেশি। একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এতো দীর্ঘ সময়ের প্রতিবেদন কিছু হাওয়াই অভিযোগ নিয়ে চর্চা করা হয়েছে। যেকোনো সত্যনিষ্ঠ অনুসন্ধিষ্ণু দর্শক দীর্ঘ প্রতিবেদনটি গভীর মনোযোগ দিয়ে দেখলেই বুঝবেন, সত্যান্বেষ নয় বরং রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডার জন্যই এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

প্রামাণ্য চিত্রে যে সব অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, তা একজনের বরাতে তিনি হলেন সামি। চাতুর্যের সঙ্গে তার পুরো নাম এবং পরিচয় গোপন করা হয়েছে সামির। সামির পুরো নাম সামিউল আলম। ২০০২ সালে ইউরোপ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের অন্যতম বিজনেস পার্টনার। হাওয়া ভবনে তারেক জিয়ার অন্যতম সহযোগী। ২০০৭ সালে ওয়ান ইলেভেনে মোষ্ট ওয়ানটেড দুর্নীতিবাজদের অন্যতম। তার বক্তব্যেই এই প্রামাণ্য চিত্রের মূল উপজীব্য।

তিনি নিজেই একজন প্রতারক এবং দুর্নীতিবাজ। এই প্রামাণ্যচিত্রে দুজন বক্তব্য রেখেছেন একজন বিতর্কিত নেত্র নিউজের তাসনিম খলিল। অন্যজন যুদ্ধাপরাধীদের এজেন্ট এবং তারেক জিয়ার বেতনভুক উপদেষ্টা, ড: কামাল হোসেনের জামাতা ডেভিড বার্গম্যান। এদের বক্তব্য থেকেই বোঝা যায়, এরা সরকার বিরোধী প্রোপাগান্ডা মিশনে নেমেছেন। এই প্রামাণ্য চিত্রে আরো একজনের কন্ঠস্বর শোনা যায়, যিনি তার চেহারা দেখাননি, তিনি হলেন কনক সারওয়ার। কনক সারওয়ার সরাসরি তারেকের কর্মচারী। তারেকের নির্দেশেই এই প্রামাণ্য চিত্রটা দেখলেই বোঝা যায়, লন্ডনে পলাতক তারেক জিয়া প্রযোজিত এই প্রোপাগান্ডা প্রামাণ্য চিত্রটি।

তারেক জিয়ার অনুগতরা মিলে এটি বানিয়েছে। তথ্য উপাত্ত না থাকলেও, প্রামাণ্য চিত্রে ফিল্মী কায়দায় সুপার এডিটিং আছে, আছে ভয়েজ টেম্পারিং। বিপুল ব্যয় হয়েছে প্রামাণ্য চিত্রটি নির্মাণে।  বাংলাদেশ ছাড়াও সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, হাঙ্গেরি এবং ফ্রান্সে এর শ্যুটিং হয়েছে। তবে সব অপরাধীই অপরাধের একটা করে প্রমাণ রাখে। এই প্রামাণ্য চিত্রে এরকম অসংখ্য অসংগতি আছে। প্রামাণ্য চিত্রটা যে উদ্দেশ্য পূর্ণ তার বেশ কিছু প্রমাণ আছে। প্রামাণ্য চিত্রের শুরুতেই হারিছ কে বলা হয়েছে ‘সাইকোপ্যাথ’। মানসিক ভারসাম্যহীন একজন ব্যক্তির কোন বক্তব্যই বিবেচনার দাবি রাখে না, এই তথ্য বোধহয় তারেকের অনুগত পেটোয়া তথাকথিত সাংবাদিকরা বোঝে নাই। এখানে তারেক জিয়ার বিজনেস পার্টনার, ক্যাসিনো সম্রাট সেলিম প্রধানকে এনে আরেকটা কাঁচা কাজ হয়েছে। সবাই বুঝেছে, একজন দুর্নীতিবাজের টাকায় আরেকজনকে দুর্নীতিবাজ বলার চেষ্টা হয়েছে এই প্রামাণ্য চিত্রে।

240 ভিউ

Posted ১:০২ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com