
কামাল শিশির,ঈদগড়(২৪ নভেম্বর) :: কক্সবাজার রামু উপজেলার ঈদগড়ের বিভিন্ন হাটাবাজারে মাছ তরতজা ও পচন থেকে রক্ষা করতে ব্যবহার করা হচ্ছে বিষাক্ত ফরমালিন। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ভেজাল বিরোধী অভিযান না থাকায় এক শ্রেণীর অসাধু বিক্রেতা মাছের সাথে ফরমালিন সহ বিভিন্ন বিষাক্ত ক্যামিকেল মিশিয়ে দিচ্ছে। সাগর ও ঘের থেকে আহরিত মাছের মজুদ দীর্ঘদিন ভাল রাখার জন্য তারা এই অপকৌশল প্রয়োগ করছে ফলে ক্রেতারা বুঝতে পারেনা তাজা ও বাসী মাছের পাথর্ক্য।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বিক্রেতা বলেন,আড়ত থেকে বেশি দামের মাছ ক্রয় করে একদিনেই সব মাছ বিক্রি করা সম্ভব নয়। তাই ফরমালিন দিয়ে তাজা রাখা হয়। কারণ এই মাছ বিক্রি করতে তাদের ৪/৫দিন সময় লাগে। এই ব্যাপারে বিএসটিআই,ক্যাব,স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোন কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় এ প্রবণতা বেড়েই চলছে।
ডা: সাজ্জাদ হোসেন জানান, এই সব বিষাক্ত মাছ খাওয়ার ফলে ক্যান্সার,শরীরের হাঁড়ের জোড়া ফাঁকা হয়ে যাওয়া,যৌন শক্তি কমে যাওয়া,ফুসফুসে ক্ষত সৃষ্টি,শরীরের বিভিন্ন উপসর্গ সৃষ্টি সহ মারাত্মক ক্ষতি সাধন হয়। মানুষ এই সব বিষ বহন করে মৃত্যুর মুখে পতিত হয়। বিগত দিনে ট্রলার ও নৌকা থেকে মাছ খালাসের পর তা কোল্ডসেটারেজে সংরক্ষণের মাধ্যমে ধীরে ধীরে বাজারজাত করা হত। কিন্তু বর্তমানে আহরিত বেশির ভাগ মাছ ট্রাক যোগে অন্যান্য স্থানে পাঠানোর ফলে উপজেলা সহ জেলা পর্যায়ে মৎস্য সংকট দেখা দিয়েছে।
এই সুযোগে উদৃত অল্প সংখ্যক মাছ খুচরা বিক্রেতারা উচ্চ মুল্যে ক্রয় করে তা কয়েকদিন পর্যন্ত বিক্রি করে। পূর্বেরমত প্রতিদিনের মাছ প্রতিদিন বিক্রি করা সম্ভব হলে এই অবস্থা সৃষ্টি হতনা।
এলাকার সর্বস্তরের জনতা সহ ইউনিয়ন আ’লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক বেদার মিয়া স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে ফরমালিন মিশ্রিত মাছ বিক্রি বন্ধে প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ।
উল্লেখ্য, ঈদগড় ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমদ ভুট্টো মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে এসব মাছ নদীতে ফেলে দিলেও সংশ্লিষ্ট প্রসাশনের নেই কোন অভিযান ।

Posted ৬:৩৪ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৭
coxbangla.com | Chanchal Das Gupta