রবিবার ২৪শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

রবিবার ২৪শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

কক্সবাজারকে অর্থনৈতিক শক্তির স্বপ্ন দেখাচ্ছে চলমান মেঘা প্রকল্পগুলো

শনিবার, ০৪ জানুয়ারি ২০২০
40 ভিউ
কক্সবাজারকে অর্থনৈতিক শক্তির স্বপ্ন দেখাচ্ছে চলমান মেঘা প্রকল্পগুলো

কক্সবাংলা রিপোর্ট(৪ জানুয়ারি) :: আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর কক্সবাজার জেলায় কয়েকটি বড় প্রকল্পের কাজ শুরু করে এবং শেষ পর্যন্ত সরকারের অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প হিসেবে এগুলো বাস্তবায়নে বিশেষ উদ্যোগও নেওয়া হয়। বর্তমানে এসব মেঘা প্রকল্প প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। আর ২০০৯ সাল থেকে সরকারের ধারাবাহিকতা থাকায় কক্সবাজারকে দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছে।  বিশেষজ্ঞরা অভিমত, সরকারের অগ্রাধিকারমূলক এ মেঘা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে পাল্টে যাবে কক্সবাজারের চেহারা।

চলমান এই মেগা প্রকল্পগুলো হচ্ছে- দোহাজারী হতে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু হয়ে ঘুমধুম পর্যন্ত রেল লাইন নির্মাণ প্রকল্প, মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প,এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প,সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ প্রকল্প এবং কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত ও সম্প্রসারণ,মহেশখালী-আনোয়ারা গ্যাস সঞ্চালন পাইপ লাইন প্রকল্প,খুরুশকুল আশ্রয়ন প্রকল্প,রামুতে হাই-টেক পার্ক নিমার্ণ,পেকুয়ায় নৌ-বাহিনীর সাব মেরিন ঘাটি নির্মাণ প্রকল্প,টেকনাফের সাবরাং অর্থনৈতিক জোন ও ‘জালিয়ার দ্বীপ অর্থনৈতিক জোন,ইনানীতে জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপন ওডিজিটাল আইল্যান্ড-মহেশখালী প্রকল্প।

গত আগস্ট মাস পর্যন্ত ফাস্টট্র্যাকভুক্ত প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, অধিকাংশ প্রকল্পের বাস্তবায়ন সঠিক পথেই রয়েছে।এসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ কতদূর এগিয়েছে দেখা যাক?

দোহাজারী-রামু হয়ে কক্সবাজার এবং মিয়ানমারের কাছে ঘুমধুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ প্রকল্প :

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। আগস্ট মাস পর্যন্ত প্রকল্পটির সার্বিক ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ১১ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ২৩ দশমিক ১৫ শতাংশ। ২০১০ সালের জুলাই থেকে কাজ শুরু হয়েছে। মেয়াদ নির্ধারণ করা আছে ২০২২ সালের জুলাই পর্যন্ত। শুধু ফাস্টট্র্যাক নয়, সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নের জন্য সরকারের নেয়া প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সংযোগ বাড়বে, সম্পর্কেরও উন্নতি হবে। তবে বনের জায়গা নিয়ে সমস্যা হওয়ার কারণে সরকারের এই মেগা প্রকল্পের কাজ শুরুতে বিলম্ব হলেও ইতোমধ্যেই এর ৩০-৩৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।এখন সমস্যা কেটে গেছে এবং কাজও পুরোদমে চলছে। আশা করা হচ্ছে ২০২২ সালের মধ্যেই এ প্রকল্পটি সম্পন্ন হবে।

মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ

মহেশখালির মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউনিয়নের এক হাজার ৪১৪ একর জমিতে এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করা হচ্ছে। কয়লা ভিত্তিক এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে। জাপান সরকারের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে ৩৫ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা। প্রকল্পের আওতায় প্যাকেজ ১ দশমিক ১-এর পাওয়ার প্লান্ট এবং ওপার্ট ফ্যাসিলিটিজের কাজ শতভাগ শেষ হয়েছে। প্যাকেজ ১ দশমিক ২-এর আওতায় প্লান্ট এবং পোর্ট ফ্যাসিলিটিজের কাজ গত আগস্ট মাস পর্যন্ত ২০ দশমিক ১৬ শতাংশ হয়েছে। অন্যান্য কাজ কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী চলছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন ২০২৩ সালে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

মহেশখালীতে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ

মহেশখালীর কাছে বঙ্গোপসাগরে যা ভেসে আছে,সেটির নাম হচ্ছে ‘ফ্লোটিং স্টোরেজ এন্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ)’। বিশাল এই জাহাজ-কাম-টার্মিনালটি কাতার থেকে নিয়ে এসেছিল তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি। সেই তরল জ্বালানিকে আবার গ্যাসে রূপান্তরিত করে এটি ৯০ কিলোমিটার পাইপ লাইন দিয়ে তা পাঠায় চট্টগ্রামে। এই ভাসমান টার্মিনালটি মহেশখালীতে এসে পৌঁছায় ২০১৮ সালের এপ্রিলে। প্রকল্পটি বিল্ট ওন অপারেট অ্যান্ড ট্রান্সফার পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর সঙ্গে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ফাস্টট্র্যাক প্রজেক্ট মনিটরিং কমিটির ১০ম সভায় গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্পটিও যুক্ত করা হয়। এর আওতায় এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের পাশাপাশি মহেশখালী-আনোয়ারা গ্যাস সঞ্চালন সমান্তরাল পাইপলাইন নির্মাণ, আনোয়ারা-ফৌজদারহাট গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণ এবং চট্টগ্রাম-ফেনী-বাখরাবাদ গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প যুক্ত রয়েছে।

সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর

এর অগ্রগতি সম্পর্কে তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য কারিগরি ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা শেষ করেছে জাপানের প্যাসিফিক কনসালট্যান্ট ইন্টারন্যাশনাল (পিসিআই)। প্রাথমিকভাবে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) ভিত্তিতে নির্মাণ করার কথা থাকলেও এখন গভর্নমেন্ট-টু-গভর্নমেন্ট (জিটুজি) পদ্ধতিতে নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। চীন, ভারত, যুক্তরাজ্যসহ বেশ কয়েকটি দেশ প্রাথমিক আগ্রহ দেখিয়েছে।তবে সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্পটির অর্থায়ন চূড়ান্ত না হওয়ায় এখনও কোনো অগ্রগতি হয়নি। জেলার অন্যান্য মেঘা প্রকল্পগুলোর বেশির ভাগই সঠিক পথে আছে। তবে পিছিয়ে পড়েছে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ।

পেকুয়ায় নৌ-বাহিনীর সাব মেরিন ঘাটি নির্মাণ প্রকল্পঃ

বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী কর্তৃক সাব মেরিন ঘাটি নির্মাণের লক্ষে পেকুয়া উপজেলায় মগনামা মৌজায় ৩৩৩.০০ একর ভুমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। জমির ক্ষতিপুরণ বাবদ ৬৩ কোটি টাকা ইতোমধ্যে বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে এবং প্রত্যাশী সংস্থার-কে জমি হসত্মামত্মর করা হয়েছে।

টেকনাফের সাবরাং এক্সক্লুসীব ট্যুরিষ্ট জোন স্থাপন :

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক জোন অথরিটি কর্তৃক বাসত্মবায়িতব্য কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলাস্থ সাবরাং মৌজায় পাউবো কর্তৃক প্রদানকৃত ১৯৫.০০ একর ও অধিগ্রহণকৃত ৬৩.০০ একর এবং বন্দোবসত্মকৃত ৮৮২.২৬ একরসহ সর্বমোট ১১৩৯.০০ একর জমিতে ‘সাবরাং এক্সক্লুসিব ট্যুারিষ্ট জোন’ স্থাপনের নিমিত্ত ভুমি মন্ত্রণালয়ের চুড়ামত্ম অনুমোদন পাওয়ার পর রেজিস্ট্রি প্রক্রিয়া সম্পন্ন পূর্বক বর্ণিত জমি ইতোমধ্যেই বেজা’র অনুকুলে হসত্মামত্মর করা হয়। বেজা কর্তৃক প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্তমানে, পাউবো, এলজিইডি, সওজ ও পলস্নী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কর্তৃক প্রকল্পটির প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উন্নয়ন কার্যক্রমের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যগে ২০১৬ ২৮ ফেব্রুয়ারি এ প্রকল্পটি উদ্বোধন করা হয়।

টেকনাফের জালিয়ারদ্বীপ এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোন স্থাপনঃ

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক জোন অথরিটি কর্তৃক জালিয়ারদ্বীপ এক্সক্লুসিব ট্যুরিষ্ট জোন স্থাপনের নিমিত্ত টেকনাফ ও দক্ষিণ হ্নীলা মৌজার নেটং পাহাড়ের নিকটবর্তী টেকনাফ স্থলবন্দর সংলগ্ন নাফ নদীর মধ্যখানে জালিয়ারদ্বীপে ২৭১.০০ একর জমি বেজা’র নিকট হসত্মামত্মর করা হয়। অধিকন্তু জালিয়ারদ্বীপ এক্সক্লুসিব ট্যুরিষ্ট জোনে যাতায়তের পথ ব্যবহারের নিমিত্ত বন বিভাগের ২১.১২ একর জমির অনুমোদিত হয়েছে। জার্মান ভিত্তিক একটি কোম্পানির সহায়তায় এ প্রকল্পে ট্যুরিষ্টদের বিনোদনের জন্য ক্যাবল কারসহ আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বিনোদনের বিভিন্ন মাধ্যম গড়ে তোলা হবে।

জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপন :

বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপনের নিমিত্ত রামু উপজেলার পেচারদ্বীপে পেচারদ্বীপ মৌজায় ২৯.৫০ একর জমি উক্ত মন্ত্রণালয়ের অনুকুলে বন্দোবসত্ম প্রদান করা হয়। উক্ত প্রকল্পটি প্রায় ৮০৭৫.০০ লক্ষ টাকা ব্যয় পূর্বক নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধন করা হয়। বর্তমানে গবেষণা ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

খুরুশকুল আশ্রয়ন প্রকল্পঃ

কক্সবাজার বিমানবন্দরের পশ্চিমপার্শ্বে সরকারি খাস জমিতে অবৈধভাবে বসবাসরত ৪৪০৯টি ভুমিহীন পরিবারকে পুর্নবাসন করার নিমিত্ত বাঁকখালী নদীর পূর্বপার্শ্বে খুরম্নশকুল মৌজায় ২৫৩.৩৫ একর জমিতে বিশেষ আশ্রয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রাথমিকভাবে ৪৩.০০ একর জমিতে মাটি ভরাটের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। উক্ত জমিতে পুর্নবাসনের জন্য ১৪৯ টি বহুতল ভবন ও প্রকল্পে জন্য একটি শেখ হাসিনা টাওয়ার নির্মাণ করা হবে। ইতোমধ্যে ভরাটকৃত ৪৩.০০ একর জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য এ.এফ.ডি এর নিকট হসত্মামত্মর করা হয়েছে। বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ অতিশীঘ্রই শুরু হবে। এছাড়াও আশ্রয়ন প্রকল্পের যাতায়তের জন্য বাকখালী নদীর উপর এল.জি.ই.ডি কর্তৃক নির্মিতব্য সংযোগ সড়ক ও ব্রীজ নির্মাণের জন্য ২০০ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বাসত্মবায়িতব্য পুর্নবাসন প্রকল্পের উন্নয়নের জন্য ২১০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়। প্রকল্পের উন্নয়ন কাজ দ্রুত চলমান রয়েছে।

কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আমত্মর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীতকরণ প্রকল্পঃ

কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আমত্মর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কার্যক্রম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ২ জুলাই, ২০১৫ তারিখে শুভ উদ্বোধন করা হয় এবং প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। বিমানবন্দরের বর্তমান রানওয়ে ৬৭৭৫ ফুট থেকে বাড়িয়ে ৯০০০ ফুট এ উন্নীত করা হবে। এ প্রকল্পটির মোট কাজের ৩০% ইতোমধ্যে বাসত্মবায়িত হয়েছে। এ প্রকল্পের ব্যয় ১১২৩ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা। যার মধ্যে আশ্রয়ন প্রকল্প নির্মান, সড়ক ও ব্রীজ নির্মান এবং পাউবো’র বেড়ীবাঁধ নির্মাণ ব্যয় অমর্ত্মভুক্ত রয়েছে। প্রকল্পের উন্নয়ন কাজ দ্রম্নত চলমান রয়েছে।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো: কামাল হোসেন জানান,কক্সবাজারকে একটি উন্নত ও পরিপূর্ণ পর্যটন নগর হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ নজর রয়েছে। তাই বর্তমান সরকার পরিকল্পিতভাবে কক্সবাজারে একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। গত দুই বছরে কক্সবাজারে ২৫টি মেগা উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার।এজন্য প্রয়োজন এগুলো সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন।এভাবে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ১৫ বছর পর বাংলাদেশের চেহারা সম্পূর্ণ বদলে যাবে।আর এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি মানুষের মাথাপিছু আয়ও বাড়বে। ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি সঞ্চার হবে, সুযোগ সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থানের।একই সঙ্গে জাতীয় অর্থনীতির বড় একটি অংশ কক্সবাজার থেকেই অর্জিত হবে।

40 ভিউ

Posted ৫:০১ অপরাহ্ণ | শনিবার, ০৪ জানুয়ারি ২০২০

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com