শুক্রবার ১৮ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

শুক্রবার ১৮ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে বৈদেশিক বাণিজ্যের সক্ষমতা দেখছে বাংলাদেশ

বৃহস্পতিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১
258 ভিউ
কক্সবাজারের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে বৈদেশিক বাণিজ্যের সক্ষমতা দেখছে বাংলাদেশ

কক্সবাংলা রিপোর্ট :: ২০২০সালের ২৯ ডিসেম্বর সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ী জেটিতে নোঙর ফেলে পানামার পতাকাবাহী জাহাজ ‘ভেনাস ট্রায়াম্ফ’। সাড়ে পাঁচ মিটার ড্রাফটের (গভীরতা) জাহাজটিই দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর মাতারবাড়ীতে নোঙর ফেলা প্রথম মাদার ভেসেল। কয়লাবাহী জাহাজটি এখানে জেটিতে ভিড়েছে পরীক্ষামূলকভাবে। নির্মীয়মাণ ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু হলে এমন অনেক গভীর ড্রাফটের জাহাজ এখানে নোঙর ফেলবে অহরহই।

কক্সবাজারের মাতারবাড়ীতে নির্মাণাধীন গভীর সমুদ্রবন্দরটিকে ধরা হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের গেমচেঞ্জার হিসেবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সমুদ্রবন্দরটি এখানে নির্মীয়মাণ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর বিনিয়োগ আকর্ষণ বাড়িয়ে দেবে কয়েক গুণ। একই সঙ্গে বৈদেশিক বাণিজ্যেও প্রতিযোগী সক্ষমতা বাড়বে বাংলাদেশের, যার ধারাবাহিকতায় দেশের অর্থনীতির অভিযাত্রা হয়ে উঠবে আরো অনেক গতিশীল।

সমুদ্রবন্দরটি নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এর মধ্যে ঋণ হিসেবে প্রায় ১২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা দিচ্ছে জাপান। মোট অর্থায়নের বাকি অংশের জোগান দিচ্ছে সরকার ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। মাতারবাড়ী বন্দর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে গড়ে তোলা হচ্ছে মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল।

বেসরকারি খাতের বৃহৎ প্রতিষ্ঠান টিকে গ্রুপ সম্প্রতি অর্থনৈতিক অঞ্চলটির জমি ভরাটের কাজ শেষ করেছে। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক অবস্থানের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় মাতারবাড়ী বন্দরের প্রতিবেশী অর্থনৈতিক অঞ্চলটি এখন বিনিয়োগের জন্য ক্রমেই আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।

বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে ২৮টি সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নের জন্য প্রায় ৪৭ হাজার ৮৫৭ একর জমি বন্দোবস্ত বা অধিগ্রহণ করেছে। এর মধ্যে মহেশখালীরটি হতে যাচ্ছে মিরসরাইয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরীর পরই দেশের সবচেয়ে বড় অঞ্চল।

সোনাদিয়া, মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা—এ তিনটি দ্বীপের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে মহেশখালী উপজেলা। গোটা উপজেলার আয়তন ৩৬২ দশমিক ১৮ বর্গকিলোমিটার।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোনাদিয়া ও ঘটিভাঙায় মহেশখালী বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় বরাদ্দকৃত জমির পরিমাণ প্রায় ৮ হাজার ৪৬ একর। এছাড়া মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল-৩-এর জন্য অধিগ্রহণ ও বরাদ্দকৃত জমির পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ২৪১ একর। এর বাইরেও মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য বেজার মালিকানাধীন জমির পরিমাণ ১২ হাজার ২০৭ একর।

বেজার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধলঘাটায় মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রস্তাবিত জমির পরিমাণ প্রায় ৪ হাজার ২০০ একর। এ অঞ্চলটিতে এসপিসিএলকে ৪১০ একর জমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ২৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগের মাধ্যমে এলপিজি টার্মিনাল ও পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প স্থাপন করবে। টিকে গ্রুপের সামুদা পেট্রোকেমিক্যালকে জমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১০০ একর। প্রতিষ্ঠানটির প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ ৯ কোটি ২০ লাখ ডলারের সমপরিমাণ। আবার থাইল্যান্ডভিত্তিক প্যাসিফিক গ্যাস বিডি লিমিটেডকেও জমি দেয়া হয়েছে ৬০ একর।

মাতারবাড়ীতে প্রথমবারের মতো মাদার ভেসেলের মতো গভীর ড্রাফটের জাহাজ ভেড়ার পরিপ্রেক্ষিতে নীতিনির্ধারকরা এখন দেশের অর্থনৈতিক দৃশ্যপট পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বক্তব্য হলো, ২০২০ সালে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রকল্প পদ্মা সেতুর বাহ্যিক অবকাঠামো সংযুক্ত হয়েছে। আর এ বছরেই আমাদের চোখ রাখতে হবে মাতারবাড়ী বন্দর প্রকল্পের দিকে। যদিও সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি খুব আলোচিত হয়নি, তবে কয়েকদিন আগে বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা ঘটে গেছে। মাতারবাড়ীতে প্রথমবারের মতো মাদার ভেসেল ভিড়েছে। প্রকল্পটি আমার মতে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ‘গেমচেঞ্জার’ হবে বলে আমার বিশ্বাস। অবকাঠামোগত দিক থেকে আমি অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়ে আশাবাদী। সারা দেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে সফল হবে বলে আমার বিশ্বাস।

নীতিনির্ধারকদের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করলেও এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা। তারা বলছেন, বড় ড্রাফটের বন্দর হওয়াটা অনেক বড় একটি ইতিবাচক দিক। অনেক দিন ধরেই এর প্রয়োজন ছিল। দেশের অর্থনীতির আকার যেভাবে বড় হচ্ছে, সে আকারের একটা বন্দর অবকাঠামোও দরকার। এখন যদিও শুধু কয়লা আনলোডের কাজে বন্দরটি ব্যবহার হচ্ছে, বন্দরের কার্যক্রম সম্প্রসারণে আরো দুই-তিন বছর সময় প্রয়োজন হতে পারে। এ সময়ে পার্শ্ববর্তী অর্থনৈতিক অঞ্চলকে ঘিরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনাসাপেক্ষে যদি আপাতত বাণিজ্যিক ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করা যায়, তাহলে খুব ভালো হবে। এ নিয়ে আলোচনা চলছে।

বিনিয়োগকারীরা বলছেন, মাতারবাড়ী অবশ্যই বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য গেমচেঞ্জার হবে, যদি বন্দরটি বাণিজ্যিক ব্যবহার করা যায়। বন্দরে বেশি গভীরতার জাহাজ ভিড়তে পারার অর্থই হচ্ছে অনেক ধরনের পণ্যের খরচ টনপ্রতি পাঁচ-ছয় ডলার কমে যাওয়া। এ সুযোগ পেলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগী সক্ষমতা বাড়বে। এ প্রেক্ষাপটে অবশ্যই মাতারবাড়ী গেমচেঞ্জার।

এ বিষয়ে টিকে গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ মোস্তফা হায়দার বলেন, মহেশখালীতে আমরা ল্যান্ড ডেভেলপমেন্টের কাজ শেষ করেছি। ওখানে আমরা একটা পেট্রোকেমিক্যাল প্লান্ট করব, যেখানে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য তৈরি হবে। এ পণ্যগুলো বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে আমদানিনির্ভর। প্লান্টটি মহেশখালীতে করার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে যাতে বড় আকারে জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়। এতে করে ওখান থেকে সরাসরি পণ্য আমাদের কারখানায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে। এ ধরনের কারখানার জন্য মাতারবাড়ীই উপযুক্ত স্থান।

কারণ কারখানার দুই-তিন কিলোমিটারের মধ্যে আমরা ১৮ মিটার ড্রাফটের পানি পাচ্ছি। ওই এলাকায় ভারী শিল্পে বিনিয়োগে অনেকের আগ্রহ আছে বলে আমরা জানি। আমরা মূলত বিদেশী কোম্পানিগুলোর অনেক আগ্রহ দেখছি, বিশেষ করে জাপান ও কোরিয়া থেকে। এরই মধ্যে মহেশখালীতে আমাদের ৫০০ কোটি টাকার মতো বিনিয়োগ হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা ছিল।

তিনি আরো বলেন, এখন মাতারবাড়ী শুধু কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্যই ব্যবহার করা যাচ্ছে। আগামী আরো দুই-তিন বছর এ ব্যবস্থাই চলার কথা। কিন্তু আরো কয়েকটা অস্থায়ী জেটি আছে, ওগুলো বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের সুযোগ আছে। অর্থনৈতিক অঞ্চলটি এখন বিচ্ছিন্ন। কেবল নদী ও সমুদ্রপথে ওখানে যাওয়া যায়। সড়ক-বিদ্যুৎ-গ্যাস সংযোগ নিশ্চিত করতে পারলে অর্থাৎ বন্দরের সঙ্গে দেশের মূল ভূখণ্ডের সংযোগ ঘটানো প্রয়োজন। এ-সংক্রান্ত প্রকল্প চলমান আছে।

কাজটি ত্বরান্বিত করতে পারলে অনেক উৎসাহী বিনিয়োগকারী পাওয়া যাবে, বিশেষ করে বিদেশীদের। অনেক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এখনো মহেশখালীতে সড়ক যোগাযোগ ও শিল্পের জন্য গ্যাস-বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকাটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এ প্রেক্ষাপটে আমরাও একটু উদ্বিগ্ন। অনেক বিনিয়োগকারীকে আকর্ষণের ক্ষেত্রে এখন এসব বিষয়ই অন্তরায় হিসেবে কাজ করছে।

এদিকে বেজা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ছয় বছর আগে ২০১৫ সালের প্রথম দিকেও মহেশখালীতে কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কোনো সুযোগই ছিল না। কারণ এর বেশির ভাগটাই ছিল সমুদ্রের গভীরে। তার পরও সম্ভাবনা বেশি থাকায় দেশের বৃহৎ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান টিকে গ্রুপ আগ্রহ দেখালে অগ্রিম টাকা নিয়ে জমির ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি জমি উন্নয়নের কাজ সম্পন্ন করেছে। অন্তত ১০ মিটার ভরাট করে জমি উন্নয়ন করতে হয়েছে। এরপর থাইল্যান্ডের একটি কোম্পানিকেও জমি দেয়া হয়েছে। তারা ধীরে ধীরে কাজ শুরু করবে।

বেজা সূত্র জানিয়েছে, এখন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কোম্পানি আলোচনা করছে, যারা ৬০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে চায়। এর মধ্যে প্রথম ধাপেই বিনিয়োগ হবে ৩০০ কোটি ডলার। আগামী এপ্রিলে মার্কিন কোম্পানিটির চেয়ারম্যান বাংলাদেশে আসবেন সভা করতে। প্রতিষ্ঠানটি ওখানে আন্তর্জাতিক মানের রিফাইনারি করতে আগ্রহী। রিফাইনারি থেকে এশিয়া প্যাসিফিকের দেশগুলোয় পরিশোধিত জ্বালানি তেল রফতানি করবে। এটি বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারের জন্য নয়। প্রতিষ্ঠানটি শুধু রফতানির জন্য পেট্রোলিয়াম লুব্রিক্যান্ট উৎপাদন করবে।

মহেশখালীতে পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প গড়ে তোলায় অনেক দেশেরই প্রস্তাব আছে। তবে অঞ্চলটির এ সম্ভাবনা বাস্তবায়নে সময় প্রয়োজন। কারণ জাতীয় সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্কের সঙ্গে এলাকাটিকে যুক্ত করতে হবে। এজন্য ভূমি উন্নয়ন শুরু হয়েছে। বেজা ও বিনিয়োগকারীরা এখন মূলত গ্যাস এবং সড়ক সংযোগ স্থাপনেরই অপেক্ষায় রয়েছে ।

এ বিষয়ে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়ন করাটা ছিল অনেক জটিল। তার চেয়েও জটিল মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়ন। মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন জটিলতা যেমন বেশি, তেমনি এ অঞ্চলের সম্ভাবনাও অনেক বেশি। এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো গভীর সমুদ্রবন্দরের সুবিধা। এ ধরনের বন্দর না হওয়া পর্যন্ত ওই জায়গাটির কোনো মূল্য নেই। জাতীয় সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে যতক্ষণ না সংযুক্ত হওয়া যাবে, ততক্ষণ ওখানে অর্থনৈতিক অঞ্চল করারও কোনো সুযোগ নেই।

তবে আমরা চিন্তা করে দেখলাম, যদি ওখানে বিদ্যুৎকেন্দ্র হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে। আর কিছু না হলেও শুধু বাল্ক কমোডিটি বা কয়লা পরিবহনের জন্য হলেও গভীর সমুদ্রবন্দর ফ্যাসিলিটি গড়ে তুলতে হবে। কনটেইনার পোর্ট হবে দ্বিতীয় ধাপে। এ ধরনের পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেই আমরা ওখানে জমি নেয়া শুরু করলাম। একটা পর্যায়ে বন্দর অবকাঠামোর কাছাকাছি চার হাজার একর জমি নিলাম। তখনই দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা শুরু করল।

সব মিলিয়ে মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত আছে। এর সম্ভাবনা অসাধারণ। এটি হবে বাংলাদেশের জন্য বিস্ময়কর এক জ্বালানি এনার্জি অ্যান্ড পেট্রোকেমিক্যাল জোন।

258 ভিউ

Posted ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com