শুক্রবার ৯ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

শুক্রবার ৯ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে আবারও ভেসে এল কয়েক শ মৃত জেলিফিশ

শনিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২
77 ভিউ
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে আবারও ভেসে এল কয়েক শ মৃত জেলিফিশ

বিশেষ প্রতিবেদক :: কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে আবার ভেসে আসছে মৃত জেলিফিশ। একেকটা জেলিফিশের ওজন ৯ থেকে ১৭ কেজি। সৈকতজুড়ে বিপুলসংখ্যক মৃত জেলিফিশ পড়ে থাকার ঘটনায় উদ্বিগ্ন পরিবেশবাদীরা।

জেলিফিশের সংস্পর্শে এলে শরীরে চুলকানিসহ নানা রোগ দেখা দেয়। তাই সমুদ্রে গোসলে নামা পর্যটকদের জেলিফিশ সম্পর্কে সচেতন করতে প্রচারণা চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন। এর আগে গত মাসের ৩ ও ৪ তারিখ সৈকতে কয়েক শ মৃত জেলিফিশ ভেসে এসেছিল।

জেলা প্রশাসনের পর্যটন শাখার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুম বিল্লাহ বলেন, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে সৈকতে জেলিফিশ ভেসে আসতে দেখা যায়।

তবে শুক্রবারের জোয়ারে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মৃত জেলিফিশ ভেসে আসে। আজ সকালের জোয়ারেও ৩০ থেকে ৪০টি মৃত জেলিফিশ ভেসে আসে।

সব মিলিয়ে গত তিন দিনে অন্তত ৩১০টি মৃত জেলিফিশ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১২০টির বেশি মৃত জেলিফিশ বালুচর থেকে সরিয়ে নিয়েছেন জেলা প্রশাসনের বিচ কর্মীরা। বাকি জেলিফিশগুলো বালুচাপা পড়েছে।

মাসুম বিল্লাহ আরও বলেন, জেলিফিশ দেখতে অনেক সুন্দর। অনেক পর্যটক জেলিফিশ স্পর্শ করেন, কেউ পাশে বসে ছবি তোলেন। জেলিফিশ প্রাণঘাতী না হলেও স্পর্শ করা ঠিক নয়।

জেলিফিশের সংস্পর্শে গেলে শরীরে চুলকানিসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে পর্যটকদের সতর্ক করতে গতকাল বিকেল থেকে সৈকতে মাইকিং করা হচ্ছে।

সৈকতে নিখোঁজ পর্যটকদের উদ্ধারে নিয়োজিত সি সেফ লাইফগার্ডের তত্ত্বাবধায়ক সাইফুল্লাহ সিফাত বলেন, জোয়ারের সময় পানিতে ভেসে থাকে বেশ কিছু মৃত জেলিফিশ। সাদা রঙের জেলিফিশ পানিতে ভাসতে দেখা যায় না। গোসলের সময় জেলিফিশ পর্যটকের শরীর স্পর্শ করলে চুলকানি দেখা দেয়, চামড়া ফুলে যায়। যদিও কয়েক ঘণ্টা পর চুলকানি বন্ধ হয়ে যায়। তারপরও এ ব্যাপারে পর্যটকদের সতর্ক করা হচ্ছে।

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা বলেন, গত তিন দিনে সৈকতের সুগন্ধা, লাবণী, কলাতলী, নাজিরারটেক, দরিয়ানগর, হিমছড়ি, ইনানীসহ টেকনাফ পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার সৈকতে অন্তত ৯০০টি মৃত জেলিফিশ ভেসে এসেছে। ৩ আগস্টের পরের কয়েক দিনও শত শত মৃত জেলিফিশ ভেসে এসেছিল। কী কারণে সাগরে জেলিফিশ মারা যাচ্ছে, কেন ভেসে আসছে—সেটা গবেষণা করা দরকার।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বেদারুজ্জামান বলেন, সাগরে মাছ ধরার ট্রলারের জালে আটকা পড়েই বেশির ভাগ জেলিফিশের মৃত্যু হচ্ছে। জেলিফিশ কাছিমের প্রিয় খাবার। কাছিমের সংখ্যা কমে জেলিফিশের সংখ্যাটা বেড়ে যাচ্ছে কি না, তা–ও চিন্তার বিষয়। তা ছাড়া জেলিফিশের আয়ুষ্কালও কম। মাত্র এক থেকে তিন বছর। তবে সমুদ্রদূষণ বা অন্য কোনো কারণে জেলিফিশের মৃত্যু হচ্ছে, এমনটা ধরে নেওয়া উচিত হবে না।

77 ভিউ

Posted ১১:২৭ অপরাহ্ণ | শনিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com