বৃহস্পতিবার ৮ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

বৃহস্পতিবার ৮ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে যে কারণে বিপুল পরিমাণ মাছ ভেসে এসেছিল

শনিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২২
229 ভিউ
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে যে কারণে বিপুল পরিমাণ মাছ ভেসে এসেছিল

বিশেষ প্রতিবেদক :: প্রায় ১৫ দিন ধরে কক্সবাজারের উপকূল থেকে গভীর সমুদ্রের দিকে জেলার সমুদ্র উপকূলে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে। এই কারণে উপকূলের সমুদ্রপৃষ্ঠের অপেক্ষাকৃত গরম পানি উপকূল থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের পানি সরে গভীর সমুদ্রের দিকে চলে যাওয়ার কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের ওই স্থানের পানির স্থান পূরণ করছে সমুদ্রের অপেক্ষাকৃত গভীর স্তরের বা তলদেশের অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা ও খনিজ পদার্থসমৃদ্ধ পানি।

এই প্রক্রিয়াকে সমুদ্রবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয়ে থাকে উপকূলীয় উত্থান বা কোস্টাল আপওয়েলিং।

খনিজ পদার্থসমৃদ্ধ ঠান্ডা পানি যখন সমুদ্রপৃষ্ঠে চলে আসে, সমুদ্রের তলদেশ থেকে সমুদ্রের কোনো কোনো স্থানে ফাইটোপ্লাঙ্কটন নামের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র শৈবালের সৃষ্টি হয়, যা জুয়োপ্লাঙ্কটন নামের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণীর প্রধান খাদ্য হিসেবে গণ্য হয়।

জুয়োপ্লাঙ্কটন আবার ছোট মাছের প্রধান খাদ্য। ছোট মাছের হলেও বড় মাছেরও খাদ্য এগুলো। ১৫ দিন ধরে কক্সবাজার জেলার সমুদ্র উপকূল থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্র এলাকায় ব্যাপক পরিমাণে ফাইটোপ্লাঙ্কটনের সৃষ্টি হয়েছে।

এ কারণে কক্সবাজার উপকূলে সমুদ্রের পানিতে মাছের খাদ্যের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা দিয়েছে। তাই সেখানে ব্যাপক পরিমাণে মাছ, বিশেষ করে ছোট মাছের উপস্থিতি দেখা দিয়েছে।

সমস্যাটা হয়েছে অনেক প্রকারের ফাইটোপ্লাঙ্কটনের (সহজ ভাষায় ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র সামুদ্রিক গাছপালা) জীবনকাল খুবই স্বল্প (সাত দিনেরও কম)।

এই সময়ের মধ্যে যদি সব ফাইটোপ্লাঙ্কটনকে যদি জুয়োপ্লাঙ্কটন পুরোপুরি খেয়ে না ফেলে, তবে অবশিষ্ট ফাইটোপ্লাঙ্কটন মরে গিয়ে সমুদ্রের তলদেশে গিয়ে জমা হয়।

সমুদ্রের তলদেশে পতিত হওয়ার পর এসব জৈব পদার্থ যখন পচতে শুরু করে, তখন সমুদ্রের তলদেশ ও তার উপরিভাগের পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন ব্যবহার করে বা সোজা বাংলায় বলা যায়, খেয়ে ফেলে।

ফলে সমুদ্রের তলদেশে কিংবা উপরিভাগের পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ ব্যাপক কমে যায়। এর ফলে ওই স্থানের পানিতে থাকা ছোট মাছগুলো অক্সিজেনের অভাবে মরে যায় কিংবা অক্সিজেন–স্বল্পতার কারণে নিস্তেজ হয়ে পড়ে ও জোয়ারের পানির চাপে উপকূলে আছড়ে পড়ে।

উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জোয়ারের পানিতে কক্সবাজার সৈকতে ভেসে এল ছোট আকৃতির বিপুল পরিমাণ চাপিলা, পোপা, ছুরি মাছ ভেসে আসে। স্থানীয় লোকজন বালুচর থেকে মাছগুলো সংগ্রহ করে বাড়িতে নিয়ে যায়।

মোস্তফা কামাল
আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক গবেষক
স্কুল অব এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি
সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়,সাসকাটুন, কানাডা

 

229 ভিউ

Posted ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২২

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com