মঙ্গলবার ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

মঙ্গলবার ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

কক্সবাজার সৈকতে হঠাৎ ভেসে আসছে বড় বড় মরা জেলিফিশ

বৃহস্পতিবার, ০৪ আগস্ট ২০২২
49 ভিউ
কক্সবাজার সৈকতে হঠাৎ ভেসে আসছে বড় বড় মরা জেলিফিশ

বিশেষ প্রতিবেদক :: কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে দুই দিন ধরে অসংখ্য মরা জেলিফিশ ভেসে আসছে। একেকটি জেলিফিশের ওজন ১০ থেকে ১৫ কেজি। হঠাৎ বিপুলসংখ্যক জেলিফিশ ভেসে আসার কারণ অনুসন্ধান করার তাগিদ দিচ্ছেন স্থানীয় পরিবেশবাদীরা।

স্থানীয় লোকজন বলেন,বুধবার দুপুর থেকে জোয়ারের পানিতে মরা জেলিফিশ ভেসে আসছে। বিকেলে সৈকতের দরিয়ানগর প্যারাসেইলিং পয়েন্টে একসঙ্গে অর্ধশতাধিক জেলিফিশ ভেসে আসে।

মোহাম্মদ রফিক (৫৫) নামের দরিয়ানগর এলাকার এক জেলে বলেন, তিন বছর ধরে তিনি সাগরে মাছ ধরছেন, তবে একসঙ্গে কখনো এত জেলিফিশ ভেসে আসতে দেখেননি তিনি।

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা বলেন, কক্সবাজারের কলাতলী সৈকতের উত্তরে দরিয়ানগর, হিমছড়ি, ইনানী এবং টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ ও সেন্টমার্টিন দ্বীপে মরা জেলিফিশ ভেসে আসছে।

বৃহস্পতিবারও জেলিফিশ ভেসে এসেছে। কিছু জেলিফিশ কুকুর খেয়ে ফেলছে, কিছু বালুর নিচে চাপা পড়ছে। অনেক জেলিফিশ বালুচরে পড়ে আছে। হঠাৎ এত বিপুলসংখ্যক জেলিফিশ ভেসে আসার কারণ অনুসন্ধান জরুরি।

গতকাল রাত ১০টার দিকে সৈকত থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে কক্সবাজার সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট।

প্রতিষ্ঠানের বায়োলজিক্যাল ওশানোগ্রাফিক ডিভিশনের প্রধান আবু সাঈদ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, ৬৫ দিন মাছ আহরণ বন্ধ থাকার পর গত ২৩ জুলাই থেকে মাছ ধরার সব ট্রলার সাগরে নেমেছে। অন্যান্য মাছের মতো বঙ্গোপসাগরে জেলিফিশেরও প্রজনন বেড়েছে।

তাই প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, জেলিফিশগুলো জেলেদের জালে আটকে পড়ে মারা গেছে। এখন জোয়ারের পানিতে ভেসে আসছে, তবে বিপুলসংখ্যক জেলিফিশ মৃত্যুর পেছনে সমুদ্রদূষণ কিংবা অন্য কোনো কারণ আছে কি না, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রাণঘাতী না হলেও সমুদ্রসৈকতে পড়ে থাকা মরা জেলিফিশের সংস্পর্শে গেলে মানুষের শরীরে চুলকানিসহ নানা সমস্যা হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ শরীফ। নির্দিষ্ট সময়ের পর এসব জেলিফিশ জোয়ার-ভাটায় মিলিয়ে যায় বলেও জানান তিনি।

মৎস্য বিজ্ঞানীরা বলেন, সমুদ্রে একাধিক প্রজাতির জেলিফিশ আছে। ভেসে আসা জেলিফিশগুলো বক্স প্রজাতির। নামের সঙ্গে ফিশ থাকলেও জেলিফিশ কোনো মাছ নয়।

কক্সবাজার ফিশিংবোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বলেন, প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে চার হাজারের বেশি ট্রলার ইলিশ ধরতে সাগরে নেমেছে। প্রতিদিন গড়ে ৩০০ ট্রলার শহরের ফিসারিঘাটসহ জেলার টেকনাফ, কক্সবাজার সদর, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, পেকুয়া ও চকরিয়ার ঘাটে ফিরে আসছে। কিন্তু কোনো ট্রলারের জালে জেলিফিশ ধরা পড়ার খবর নেই।

49 ভিউ

Posted ৭:০৪ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৪ আগস্ট ২০২২

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com