বৃহস্পতিবার ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

বৃহস্পতিবার ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

কমিউনিস্ট চীনে আসল ক্ষমতার মালিক কারা

সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৭
283 ভিউ
কমিউনিস্ট চীনে আসল ক্ষমতার মালিক কারা

কক্সবাংলা ডটকম(১৬ অক্টোবর) :: পশ্চিমা গণতন্ত্রের মতো নয় চীনের রাজনীতি। চীনে কার হাতে আসল ক্ষমতা তা জানা প্রায় অসম্ভব। চীনে রয়েছে এক দলীয় শাসনব্যবস্থা। দেশ পরিচালনা করে কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না। ফলে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীরাই সবচেয়ে ক্ষমতাধর।

তবে এখানে শুধু রাজনীতিকরাই ক্ষমতার মালিক নয়। প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা যথেষ্ট ক্ষমতাশালী। তারাই তো চীনের উত্থানের রূপকার।

১৮ অক্টোবর শুরু হচ্ছে ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির ১৯তম সম্মেলন। এ উপলক্ষে সিএনএন দশজন বিশেষজ্ঞের কাছে জানতে চেয়েছিল চীনের সবচেয়ে ক্ষমতাধর পাঁচজনের নাম। নীতি উপদেষ্টা, শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিকরা দেশটির সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের তালিকা দিয়েছেন।

১. শি জিনপিং
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার অধ্যাপক জেফ্রে ওয়াসারস্ট্রম সিএনএনকে বলেন, তার পক্ষে ক্ষমতাধর পাঁচজনকে বাছাই করা কঠিন।

তার ভাষায়- ‘সবচেয়ে ক্ষমতাধর পাঁচজন হলেন দলের প্রধান। তিনি হচ্ছেন প্রেসিডেন্ট, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান, সবচেয়ে বেশি বিক্রীত বইয়ের লেখক এবং পিপলস ডেইলির মতে বিশ্বায়নের সবচেয়ে নিখুঁত ভাষ্যকার। অন্য কথায় এসবই হচ্ছেন জিনপিং, জিনপিং, জিনপিং, জিনপিং এবং জিনপিং।’

বিশ্লেষকরা বলছেন, চীনের প্রেসিডেন্ট এবং কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক জিনপিং ১৯৮০ ও ১৯৯০ দশকের নেতা দেং জিয়াওপিংয়ের পর দেশটির সবচেয়ে ক্ষমতাধর নেতা।

দলের আসন্ন অধিবেশনে তার ক্ষমতা আরও সংহত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। আগের যেকোনো নেতার চেয়ে তিনি নিজের ক্ষমতাকে বেশি পাকাপোক্ত করেছেন আর প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিতাড়িত করেছেন। পূর্বসূরি নেতাদের তুলনায় রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে জিনপিংয়ের নাম আসছে অনেক বেশি। তবে তার সব বিরোধীরাই সরে গেছে বলে মনে করা ঠিক হবে না। আগামী বছরগুলোতে বোঝা যাবে তিনি তার ক্ষমতা কতটা অবাধে প্রয়োগ করতে পারেন।

২. জ্যাক মা

বাইরে তার পরিচয় তিনি একজন প্রাণবন্ত সাবেক ইংরেজি শিক্ষক যিনি মাইকেল জ্যাকসনের গানে নাচতে ভালোবাসেন। তবে নিঃসন্দেহে জ্যাক মা চীনের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের একজন এবং জিনপিংয়ের পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তারই পরিচিতি বেশি। তিনি পাওয়ারহাউসখ্যাত ই কমার্স সাইট আলিবাবার নির্বাহী চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা। তাওবাওয়ের মতো আরও বেশ কিছু শপিং প্ল্যাটফরমের মালিক তিনি।

তার অনলাইন প্ল্যাটফরমের দাম হাজার হাজার কোটি ডলার এবং তিনি চীনের সবচেয়ে ধনী মানুষ। তিনি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেছেন। তবে চীনে কেউই ধরাছোঁয়ার বাইরে নন। বেইজিংয়ের আপত্তির কারণে তাকে বহু আন্তর্জাতিক চুক্তি বাতিল করতে হয়েছে।

কিন্তু জ্যাক মা শঙ্কিত নন। তার আলোচিত উক্তি হল- ‘আজকের দিনটি নির্মম, আগামীকাল হবে আরও বেশি নির্মম। পরশু হবে সুুন্দর। তবে বেশিরভাগ লোকই পরশুকে দেখতে পায় না।’

৩. ওয়াং কাইশান

জিনপিং ২০১২ সালে ক্ষমতা নেয়ার পরপরই দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা করেন যে চীনের দুর্নীতি মহামারির বিরুদ্ধে লড়বেন তিনি। উচ্চ ও নিচ সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দুর্নীতি লাগাম টানবেন তিনি। তার ভাষায় এটা ছিল ‘মাছি ও বাঘের’ বিরুদ্ধে লড়াই। বাঘ শিকারের জন্য তিনি বেছে নেন বেইজিংয়ের মেয়র ওয়াং কাইশানকে। এরপর থেকে কাইশানের ক্ষমতা বেড়েছে। এখন অনেক চীনা কর্মকর্তার কাছে তিনি মূর্তিমান আতঙ্ক। তিনি বহু বাঘ শিকার করেছেন। তাদের মধ্যে কমিউনিস্ট পার্টির নেতা এবং জিনপিংয়ের এক সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীও আছেন।

কোনো কোনো বিশ্লেষক তাকে চীনের দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি বলে মন্তব্য করেছেন। বলা হয়, কাইশান হচ্ছেন জিনপিংয়ের তীরন্দাজ। জিনপিং ও কাইশানের অভিযানে চীনের কর্মকর্তাদের রহস্যজনক ব্যয় কমেছে আর বেড়েছে কাইশানের ক্ষমতা।

৪. মা হুয়াতেং

চীনে বাস করতে হলে আপনার মোবাইলে একটি অ্যাপ অবশ্যই থাকতে হবে। কারণ অন্য সবারই এটি আছে। চীনে ফেসবুক ও টুইটার নেই। আছে ইউচ্যাট। এটি বেশ জনপ্রিয়। এর প্রতিষ্ঠাতা মা হুয়াতেং। ফোর্বসের মতে, তিনি চীনের তৃতীয় শীর্ষ ধনী। উইচ্যাটের কারণে চীনে তার ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। অনেকেই এখন এ ধরনের ব্যবসায় নামছেন। তবে উইচ্যাটের অবস্থান অটুট রয়েছে। উইচ্যাটের ব্যবহারকারী এখন ১০০ কোটি। চীনের ইন্টারনেটের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ ও নজরদারি রয়েছে। এ অবস্থায় অবস্থান ধরে রাখতে হলে ক্ষমতাসীনদের সুনজরে থাকতে হবে তাকে।

৫. লি কেকিয়াং

তাত্ত্বিকভাবে চীনের দ্বিতীয় শীর্ষ ক্ষমতাধর ব্যক্তি দেশটির সরকারপ্রধান তথা প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং। ২০১২ সালে তাকে ক্ষমতায় বসানো হয়। জিনপিংয়ের পরই তার স্থান হওয়ার কথা।

কেকিয়াংকে বলা হয় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটির মহাব্যবস্থাপক। তাকে জটিল অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রযুক্তিগত রূপান্তরের বিষয়গুলো দেখতে হয়। তবে তার এত নিচে থাকার কারণ তিনি লো প্রোফইল হিসেবে খ্যাত। হেনান প্রদেশের সাবেক গভর্নর কেকিয়াং চীনের সাবেক প্রেসিডেন্ট হু জিনতাওয়ের অনুগত হিসেবে পরিচিত। বিশ্লেষকরা বলছেন, তার হাতে প্রভূত প্রশাসনিক ক্ষমতা থাকলেও রাজনৈতিক ক্ষমতা সীমিত।

283 ভিউ

Posted ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৭

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com