শনিবার ১৩ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

শনিবার ১৩ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

করোনা আতঙ্কের মধ্যে পদ্মা সেতুর ২৬তম স্প্যান বসছে ১০ মার্চ

সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২০
398 ভিউ
করোনা আতঙ্কের মধ্যে পদ্মা সেতুর ২৬তম স্প্যান বসছে ১০ মার্চ

কক্সবাংলা ডটকম(৯ মার্চ) :: করোনা আতঙ্কের মধ্যে পদ্মা সেতুতে ১০ মার্চ বসবে ২৬তম স্প্যান। ৫-ডি আইডি নম্বরের স্প্যানটি বসানোর পর সেতুর প্রায় চার হাজার মিটার দৃশ্যমান হবে। স্প্যানটি সোমবার সকালে মুন্সীগঞ্জের মাওয়ার কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে রওনা হয়ে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে ২৮ ও ২৯ নম্বর পিলারের কাছে নিয়ে রাখা হয়েছে। সোমবার সকাল পৌনে ৯টায় মুন্সীগঞ্জের মাওয়া থেকে তিয়ান-ই ভাসমান ক্রেনে স্প্যানটি রওনা হয়।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের এ খবর নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, স্প্যান বহনকারী ক্রেনটি ২৮ ও ২৯ নম্বর পিলারের কাছে নোঙর করে রাখা হয়েছে। কাল পিলারে বসানো হবে। মার্চ মাসে বিকালের দিকে নদীর আবহাওয়া খারাপ থাকে। তাই স্প্যান বসানোর জন্য দুই দিন করে সময় ধরা হয়েছে। স্প্যানটি বসানো হলে সেতুর ৩৯০০ মিটার দৃশ্যমান হবে। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে মাওয়ার কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে আরও দুটি স্প্যান এসে যোগ হয়েছে। বর্তমানে ৩৯টি স্প্যান আছে প্রকল্প এলাকায়। সেতুর ৪২টি পিয়ারের মধ্যে ৪০টি পিলারের কাজ শেষ। বাকি আছে ২টি পিলারের কাজ, যা শেষ হবে আগামী মার্চ মাসে। আর পদ্মা সেতুতে ৪১টি স্প্যানের মধ্যে ২৫টি বসানো শেষ হয়েছে।

এগোচ্ছে পদ্মা সেতুর কাজ

পদ্মা সেতু এখন আর স্বপ্ন না, বাস্তব। প্রতিদিনই একটু একটু করে কাজ এগোচ্ছে। এই সেতু নির্মাণে শুরু থেকেই নানা বাধা–বিপত্তি এসেছে। এ কারণে সেতু নির্মাণ পিছিয়েছে। সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে করোরাভাইরাস। করোনার কারণে সেতু নির্মাণের কাজ কিছুটা পেছাতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এর মধ্যেই কাল মঙ্গলবার বসছে সেতুর ২৬তম স্প্যান।

পদ্মা সেতুতে চলাচলের পথ অনেকটা হয়ে যাওয়াতে,কাজে সংশ্লিষ্ঠদের দ্রুত চলাচলের জন্য সেতুর উপরে ব্যাটারি চালিত রিক্সা ব্যাবহার করা হচ্ছে। ছবি: জিয়া ইসলাম

পদ্মা সেতুতে চলাচলের পথ অনেকটা হয়ে যাওয়ায় কাজে সংশ্লিষ্ঠদের দ্রুত চলাচলের জন্য সেতুর উপরে ব্যাটারিচালিত রিকশা ব্যবহার করা হচ্ছে।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, চীনা কর্মীদের কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়া পেয়ে কাজ যোগ না দিলে সেতুর কাজে দেরি হতে পারে। তা ছাড়া চীন থেকে যন্ত্রাংশ সময়মতো না এলেও সমস্যা হবে। এখনো প্রভাব পড়েনি। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দু-এক সপ্তাহ পর এর প্রভাব কিছুটা পড়তে পারে।

৩ মার্চ সকালে সোলায়মান খানের সঙ্গে মাওয়ায় দেখা হয়। সেতুর এক নম্বর পিয়ারের সামনে দাঁড়িয়ে ডান হাত সোজা করে তিনি বলেন, ‘দেখেন। এই জায়গায় দাঁড়িয়ে বুঝতে পারবেন পদ্মা সেতু দেখতে কেমন হবে। আর কদিন পরই পুরো সেতু চোখের সামনে ভেসে উঠবে।’

সোলায়মান খান জানান, প্রকল্পের অধীনে অস্থায়ী চাকরি। সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলেই মাওয়া ছেড়ে চলে যেতে হবে। নতুন কোনো চাকরি করতে হবে। পদ্মা সেতু নির্মাণ হলে খারাপ লাগবে না? প্রশ্ন করতেই সোলায়মান খান বলেন, ‘খারাপ লাগবে কেন! এটি তো একটি স্বপ্ন। শুধু আমার না। সবার স্বপ্ন। আমি বাগেরহাট জেলার মানুষ। বাড়ি যেতে কত কষ্ট হতো। দীর্ঘ সময় লাগত বিশাল এই নদী পার হতে। পদ্মা সেতু হলে আমি দশ মিনিটে নদী পার হতে পারব। বাগেরহাট যাব তিন ঘণ্টায়। ভাবা যায়!’

কাজ চলা সেতুর রেল চলাচলের অংশ। ছবি: জিয়া ইসলাম

কাজ চলা সেতুর রেল চলাচলের অংশ।

সোলায়মান খানের সঙ্গে স্পিডবোটে করে ওই দিন দুপুর ১২টার দিকে মাওয়া থেকে জাজিরার দিকে রওনা দিতে হয়েছিল। সেদিন সকালের দমকা হাওয়ার সঙ্গে একপশলা বৃষ্টিও হয়েছিল মাওয়ায়। কালো মেঘ বিলীন হয়ে এরপর নীল আকাশ থেকে ছড়িয়ে যায় ঝলমলে রোদ। নদীও হয়ে যায় বেশ শান্ত। ঘাট ছেড়ে ছোট ছোট ঢেউয়ের মধ্যে স্পিডবোটটি চলা শুরু করল জাজিরার দিকে। ঘাট থেকে দেখা গেল সেতুর খণ্ডিত রূপ। কারণ, ২৬টি পিয়ারের (খুঁটি) ওপর বসেছে ২৫টি স্প্যান। চার খণ্ডে ভাগ হয়ে স্প্যানগুলো বসানো হয়েছে। দূর থেকে মনে হবে, ছোট-বড় চারটি চিরুনি উল্টো করে প্রমত্তা পদ্মা নদীর ওপর গাঁথা রয়েছে। স্পিডবোটটি যত জাজিরার দিকে যেতে লাগল, দূরে থাকা পদ্মা সেতুর পিয়ারগুলোও যেন কাছে চলে আসতে থাকল। একটি কিংবা দুটি নয়, ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ মূল পদ্মা সেতুর ৪২টি পিয়ারের মধ্যে ৩৯টি পিয়ার গেঁথে আছে নদীর ওপর। প্রতিটি পিয়ারের নিচের দিকে নম্বর লেখা আছে।

জাজিরা অংশে নেমে যাওয়া সেতুর অংশ বিশেষ। ছবি: জিয়া ইসলাম

জাজিরা অংশে নেমে যাওয়া সেতুর অংশবিশেষ।

মাঝনদীতে থাকা ১০, ২৬ ও ২৭ নম্বর পিয়ারগুলোও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। ১০ নম্বর পিয়ারটি গত ৮ মার্চ পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে গেছে। ২৬ নম্বর পিয়ারের সঙ্গে পন্টুন বাধা আছে। এর সঙ্গে একটি বড় নৌযান। যেখান থেকে পিয়ারে উঠে শ্রমিকেরা কাজ করছেন। কেউবা নৌযানে বসে দুপুরের খাবার খাচ্ছেন। পন্টুন থেকে পিয়ারের মাথায় উঠতেই বোঝা গেল, নদীর পানি যেখান থেকে বয়ে যাচ্ছে, সেখান থেকে একেকটি পিয়ার প্রায় ১০ তলা ভবনের মতো উঁচু হবে। এর ওপর বসানো হবে স্প্যান। তাহলে এত্ত বড় এই পদ্মা সেতু। ২৬ নম্বর পিয়ার থেকে পদ্মা সেতু বিশালতা চোখে পড়ল। এই পিয়ার ক্যাপ (শেষ স্তর) এ মাসেই ঢালাই দেওয়া হবে। মোটা মোটা রড বাঁধাই করে রাখা হয়েছে।

সিমেন্ট-পাথরের ঢালাই হবে কয়েক দিন পরই। ২৬ নম্বর পিয়ারে কাজ করছেন কয়েকজন চীনা প্রকৌশলী। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন বাংলাদেশি শ্রমিকেরা। ভাষার আদান-প্রদান চলছে। কখনো আবার ইশারায় মনের ভাব বুঝে কাজ চালিয়ে নিচ্ছেন বাংলাদেশি ও চীনারা। তবে চীনা ভাষা বেশ রপ্ত করেছেন মো. রাকিব হোসেন নামে দেশীয় এক শ্রমিক।

রাকিব হোসেন বলেন, ‘২০১৫ সালে প্রথমে ৩৭ নম্বর পিয়ারের কাজ শুরু করি। এরপর আরও ১০-১২টি পিয়ারে কাজ করছি। প্রথমে চীনা ভাষা বুঝতাম না। এখন অনেকটাই বুঝতে পারি। ওরা আমাদের মতো কথা বলে না। একটি শব্দ বলে বুঝায় কী করতে হবে।’

মাওয়া অংশে নির্মানকারী ওর্য়াক শপ। ছবি: জিয়া ইসলাম

মাওয়া অংশে নির্মাণকারী ওর্য়াকশপ।

২৬ নম্বর পিয়ার থেকে প্রায় ৫০০ ফুট দূরে ২৭ নম্বর পিয়ারের কাজও একইভাবে চলছে। পাশে ২৮ নম্বর পিয়ার নির্মাণ শেষ হয়ে গেছে। ২৯ নম্বর পিয়ার থেকে টানা ৪২ নম্বর পিয়ার পর্যন্ত ১৩টি স্প্যান বসানো হয়েছে। স্প্যান বসিয়েই সেতুর কাজ থেমে যায়নি। দ্বিতল পদ্মা সেতুর মাঝখান দিয়ে চলবে ট্রেন। আর ওপর দিয়ে সড়কপথে চলবে যানবাহন। এ জন্য স্প্যানের মাঝখানে বসানো হচ্ছে রেলওয়ে স্ল্যাব। আর ওপরে বসানো হচ্ছে রোডওয়ে স্ল্যাব। স্ল্যাবগুলো তৈরি করে ক্রেন দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে স্প্যানের ওপর।

তবে জাজিরায় চরের ওপর ৪২ নম্বর স্প্যানের কাছে ভায়াডাক্ট (সেতুতে ওঠার পথ) দিয়ে সেতুর এই অংশে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। তাই স্টিলের অস্থায়ী সিঁড়ি তৈরি করা হয়েছে। এই সিঁড়িও ১০ তলা ভবনের সমান উঁচু। সিঁড়ি ভেঙে ওপরের দিকে ওঠার সময় নিচে তাকালেই মাথা ঘুরিয়ে যাওয়ার দশা। কিন্তু নির্মাণশ্রমিকেরা ভারী যন্ত্রাংশ কাঁধে বা হাতে নিয়ে দিব্যি উঠে যাচ্ছেন। চারতলা ওঠার পর জানা গেল, এখানেই বসানো হচ্ছে রেললাইনের জন্য রেলওয়ে স্ল্যাব। পুরো পদ্মা সেতুর জন্য প্রয়োজন হবে ২ হাজার ৯৫৯টি রেলওয়ে স্ল্যাব। এর মধ্যে বসে গেছে ৬৯০টি স্ল্যাব। সেতুর এই অংশে বেশ নীরবতা চোখে পড়ল। তবে কাজ থেমে নেই। মাঝারি আকারের একটি ট্রাকে করে স্ল্যাবগুলো নিয়ে বসানো হচ্ছে। শ্রমিকেরা জানান, একসঙ্গে প্রতিদিন ১০-১২টি রেলওয়ে স্ল্যাব বসানো যায়। সব স্প্যান বসানো হলে রেলের স্ল্যাবও দ্রুত বসবে। এরপর কংক্রিটের ঢালাই দেওয়া হবে। সব শেষে রেললাইন বসবে। এই রেলপথ দিয়ে একটি ট্রেন চলবে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে।

তৈরী হওয়া পিলারের দৃশ্য। ছবি: জিয়া ইসলাম

তৈরি হওয়া পিলারের দৃশ্য।

রেলপথ বসানোর অংশ থেকে আবার সিঁড়ি পেরিয়ে ছয়তলার সমান উঁচুতে পাড়ি। এখানেও একই অবস্থা। ওপরে রয়েছে একটি ট্রাক। ব্যাটারিচালিত ছোট একটি রিকশাও রয়েছে। প্রকৌশলীরা দ্রুত চলাচল করেন। কারণ, রোডওয়ে স্ল্যাব বসানোর কারণে সড়কপথও দীর্ঘ হচ্ছে। স্ল্যাব বসানোর সঙ্গে সঙ্গে এর ওপর ওয়াটার প্রুফিং কেমিক্যালের প্রলেপ দেওয়া হবে। এরপর হবে পিচঢালাই। ২২ মিটার প্রস্থের পদ্মা সেতুর সড়কপথ হবে চার লেনের। বড় আকারে চারটি যানবাহন একসঙ্গে এই চার লেন দিয়ে আসা-যাওয়া করতে পারবে।

পদ্মা সেতুর রোডওয়ে স্ল্যাব বসানোর সড়কপথের মধ্যে ডিভাইডার আর দুপাশে রেলিং বসানো হবে। এর সঙ্গে বসবে সড়কবাতির খুঁটি। তবে জজিরা থেকে পদ্মা সেতু অনেকটা ইংরেজি ‘এস’ বর্ণের মতো বেঁকে মাওয়ার দিকে চলে গেছে।

সেতু দিয়ে পদ্মা নদী পাড়ি দিতে অপেক্ষা করতে হতে পারে আরও দেড় বছর। এমন কথাই বলছে সেতু কর্তৃপক্ষ। ৪১টি স্প্যানের মধ্যে ২৫টি বসে গেছে এরই মধ্যে। আর মাত্র ১৬টি স্প্যান চলতি বছরেই বসানোর বসার লক্ষ্যে কাজ করছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি। নকশা–জটিলতা কাটিয়ে এক বছর ধরে তাই দ্রুত এগোচ্ছিল পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ। ঠিক তখনই চীনের করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়েছে পদ্মা সেতু প্রকল্পে। এ কারণে দুটি স্প্যানসহ বেশ কিছু যন্ত্রাংশ আটকে পড়েছে দেশটিতে। আটকা পড়েছেন ১৭২ চীনা প্রকৌশলী ও শ্রমিক। তাই প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব যন্ত্রাংশ বাংলাদেশে চলে এলে পদ্মা সেতুর কাজ এগিয়ে নিতে বড় বাধা থাকবে না। তবে দুটি স্প্যান বাংলাদেশে না আসাই ‘বিগ ফ্যাক্টর’ বলে মনে করছেন তাঁরা।

একনজরে পদ্মা সেতুর কাজ

• পুরো পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৯ দশমিক ৩০ কিলোমিটার। পানির ওপর থাকবে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। বাকি ৩ দশমিক ১৫ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট থাকবে ডাঙায়।

• নদীর ওপর সেতুর ৪২টি পিয়ারের মধ্যে ৪০টি প্রস্তুত হয়ে গেছে।

• ৪২টি পিয়ারের ওপর বসবে ৪১টি স্প্যান। এর মধ্যে ২৫টি স্প্যান বসেছে। পদ্মা সেতুর দৃশ্যমান ৩৭৫০ মিটার অংশ।

• ৪১টি স্প্যানের মধ্যে ৩৯টি দেশে এসেছে।

• চলতি বছরের নভেম্বরে বসবে সবশেষ ৪১তম স্প্যান।

398 ভিউ

Posted ৫:২১ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২০

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com