মঙ্গলবার ১৮ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

মঙ্গলবার ১৮ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে : কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ ?

মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারি ২০২১
145 ভিউ
করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে : কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ ?

কক্সবাংলা ডটকম(১২ জানুয়ারি) :: এ যেনো মেঘ না চাইতে বৃষ্টি! জানুয়ারির ২৫ তারিখের মধ্যে দেশে আসছে করোনা ভ্যাকসিন। আর এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হবে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকেই। আর তাই নিবন্ধন শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ২৬ জানুয়ারি।

প্রথম দফায় দেশে করোনার টিকা দেওয়া হবে ৫০ লাখ মানুষকে। ট্রায়াল না হওয়ার কারণে ১৮ বছরের নিচে, গর্ভবতী নারী, তাদের টিকা দেওয়া হবে না। প্রথম ডোজ দেয়ার পর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে ৮ থেকে ১২ সপ্তাহ পর। ভ্যাকসিন নিতে পুরো নিবন্ধন প্রক্রিয়া অনলাইনেই হবে, জাতীয় পরিচয় পত্র আবশ্যক এক্ষেত্রে। একইসঙ্গে ভাকসিন নেওয়ার পর সনদ দেওয়া হবে। নিবন্ধনের পর আবেদনকারীকে এসএমএস এর মাধ্যমে স্থান ও সময় বলে দেয়া হবে। পর্যায়ক্রমে সাড়ে সাত হাজার কেন্দ্র থেকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। প্রথম ধাপে ৮০ বছরের বেশি বয়সী আর স্বাস্থ্যকর্মীরা ভ্যাকসিন পাবেন। পরের ধাপে ৭০ বছরের বেশি বয়সীরা পাবেন।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ সম্মেলনের জানানো হয়, সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ায় (এসআইআই) তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রথম কিস্তি ২৫ জানুয়ারির মধ্যে পৌঁছে যাবে।

ভ্যাকসিন নিতে আগ্রহীদের আবেদন করতে হবে একটি অ্যাপের মাধ্যমে। আগামী ২৬ জানুয়ারি থেকে অ্যাপে আবেদন করা যাবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এ বি এম খুরশিদ আলম গতকাল বিকেলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বেক্সিমকো আমাদের জানিয়েছে যে সেরামের ভ্যাকসিনের প্রথম চালান ২১ থেকে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে দেশে পৌঁছে যাবে।’

তিনি জানান, প্রথম মাসে জন প্রতি দুটি করে ডোজ হিসাবে ২৫ লাখ মানুষকে মোট ৫০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, ফাইজারের ভ্যাকসিনের জন্য প্রয়োজনীয় মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার সংরক্ষণ ক্যাপাসিটি কত সেটা যাচাই চলছে।

অধ্যাপক খুরশিদ বলেন, ‘আমাদের (কোভ্যাক্স থেকে) জানাতে বলা হয়েছে, আমরা (ফাইজারের ভ্যাকসিন নিতে) রাজি কিনা। আমরা নীতিগতভাবে এ বিষয়ে সম্মত হয়েছি। আমরা কয়েক দিনের মধ্যেই চিঠির উত্তর দেব। এখন আমরা আমাদের সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়াচ্ছি।’

এ সময় জাতীয় কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন পরিকল্পনার সদস্য সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) পরিচালক শামসুল হক মৃধা গণমাধ্যমের কাছে ‘কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন পরিকল্পনা’ তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘(ভ্যাকসিনের প্রভাব) দেখার জন্য আমরা প্রথমে স্বেচ্ছায় তালিকাভুক্তদের ভ্যাকসিন দিব, এটা সম্ভবত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে। এর জন্য আমাদের সাত দিনের একটি পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটি একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা। …এটি চূড়ান্ত করা হবে। এর জন্য আমাদের একটি কমিটি রয়েছে।’

সংরক্ষণ

ভ্যাকসিন বিতরণ পরিকল্পনা অনুসারে, ৬৪ জেলায় ওয়াক-ইন কোল্ড রুম বা আইস লাইনেড রেফ্রিজারেটরে ভ্যাকসিন সংরক্ষণের সুবিধা রয়েছে। অন্তত ৪৮৩টি উপজেলায় ইপিআই নেটওয়ার্কের আওতায় আইস লাইনেড রেফ্রিজারেটর রয়েছে।

প্রতিটি ওয়াক-ইন কোল্ড রুমে ভ্যাকসিনের অন্তত চার লাখ ২৫ হাজার শিশি রাখা যাবে এবং একটি আইস লাইনেড রেফ্রিজারেটরে রাখা যাবে সাত হাজার ১০০ শিশি।

৯০০ শিশি ধারণক্ষমতা সম্পন্ন কোল্ড বাক্স এবং ৮০ শিশি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ভ্যাকসিন ক্যারিয়ারের প্রয়োজন হবে।

শামসুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন এবং অন্যান্য উত্স থেকে হিমাগার ভাড়া নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে জাতীয় পর্যায়ে সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ঢাকায় ১৪টি এবং বিভিন্ন জেলায় ১৭টি আইস লাইনেড রেফ্রিজারেটর স্থাপনের কাজ করছি।’

চুক্তি অনুসারে, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ছয় কিস্তিতে সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে দেশের জেলা পর্যায়ে তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে।

ভ্যাকসিন টিম

ভ্যাকসিন প্রয়োগে মোট সাত হাজার ৩৪৪টি টিম কাজ করবে। প্রতিটি টিমে ছয় জন সদস্য থাকবেন। যাদের দুজন ভ্যাকসিন দেবেন এবং বাকি চার জন থাকবেন স্বেচ্ছাসেবক।

পরিকল্পনা অনুযায়ী কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও ওরিয়েন্টেশন দেওয়া হচ্ছে। এই কার্যক্রম ২৭ জানুয়ারির মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

তকে, ভ্যাকসিন কেন্দ্রের সংখ্যা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা) অধ্যাপক মিরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ‘নিবন্ধিত ভ্যাকসিন গ্রহণকারীদের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন অঞ্চলে আমরা কেন্দ্রের সংখ্যা নির্ধারণ করব।’

প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা হাসপাতাল, সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, পুলিশ ও বিজিবি হাসপাতাল, সিএমএইচ এবং বক্ষব্যাধি হাসপাতালে ভ্যাকসিন কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য অ্যাপে ডিজিটাল নিবন্ধনের মাধ্যমে ভ্যাকসিন কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।

প্রতিটি নিবন্ধনের জন্য কতক্ষণ সময় প্রয়োজন হতে পারে? এমন এক প্রশ্নের জবাবে সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ‘আমরা পরীক্ষা করে দেখেছি, প্রতিটি নিবন্ধনের জন্য পাঁচ মিনিট থেকে ১০ মিনিট সময় লাগবে। আসলে এটি ব্যবহারকারীর দক্ষতার ওপর নির্ভর করে।’

অধ্যাপক খুরশিদ আলম যোগ করেন, ‘আমরা জানি দেশের প্রতিটি বাড়িতে এই কাজের জন্য উপযুক্ত অন্তত একজন সদস্য আছে। তাছাড়াও বিকল্প তো সব জায়গাতেই আছে।’

নিবন্ধনের পর ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়ার তারিখ এবং সম্পর্কিত তথ্য মেসেজের মাধ্যমে মোবাইলে পাঠানো হবে।

প্রথম ডোজ ভ্যাকসিন নেওয়ার আট থেকে ১২ মাস পরে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে।

ভ্যাকসিনের নিরাপত্তা

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেন, ভ্যাকসিন প্রয়োগের পর যে কোনো বিরূপ প্রভাব দেখা দিলে তা মোকাবিলায় প্রতিটি টিকা কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিত্সা সহায়তা থাকবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, ‘ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুব কম। ভ্যাকসিন গ্রহণকারীরা হালকা থেকে মাঝারি জ্বর, মাথা ঘোরা বা দুটোই হতে পারে। এছাড়াও শ্বাসকষ্ট ও জ্বর থেকে অ্যানাফিল্যাক্সিসের সৃষ্টি হতে পারে।’

ভ্যাকসিন কেন্দ্র

ভ্যাকসিন কেন্দ্রগুলো হবে- উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ইউনিয়ন পরিষদ, জেলা/ সদর হাসপাতাল, সরকারি, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, পুলিশ, বিজিবি হাসপাতাল ও সিএমএইচ, বক্ষব্যাধি হাসপাতাল।

ভ্যাকসিন সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা

টিকা রাখার জন্য দেশের ৬৪ জেলায় ইপিআই স্টোর রয়েছে, যেখানে ভ্যাকসিন রাখা হবে। আর এ টিকাদান কর্মসূচিতে কাজ করবে ৭ হাজার ৩৪৪টি দল। ভ্যাকসিন দেবেন ২ জন ( নার্স, স্যাকমো বা মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট)। তাদের সহযোগিতা করবেন স্বেচ্ছাসেবক আরও ৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তালিকা অনুযায়ী দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালসহগুলোতে ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য আলাদা টিম গঠন করা হচ্ছে। সোমবার রাজধানীতে সংবাদ সম্মেলনে টিকা প্রয়োগের বিস্তারিত এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি)।

অক্সফোর্ডের তিন কোটি ডোজের মধ্যে প্রথম চালানে ৫০ লাখ ডোজ টিকা পাওয়ার কথা। আর কোভ্যাক্স থেকে ছয় কোটি ৮০ ডোজ টিকা আসবে আগামী মে থেকে জুন মাসের মধ্যে। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদন করা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা আনছে সরকার। এই টিকা আনার জন্য আগেই থেকেই চুক্তি করা ছিলো।

ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার যৌথ উদ্যোগে তৈরি করোনা ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড ভারতে প্রতি ডোজের দাম
২০০ টাকা। প্রতি সপ্তাহে ১ কোটি ১০ লাখ ডোজ সরবরাহ করতে হবে কোভিশিল্ড প্রস্তুতকারী সংস্থাকে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইতিমধ্যেই বার্তা দিয়েছেন, আগামী ১৬ জানুয়ারি দেশে করোনা টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হবে। তবে ভারতে টিকা দান কর্মসূচি শুরু আগেই চলছে মহড়া। এতে টিকা দেয়া ছাড়া বাকি সব কাজেরই পরীক্ষা চালানো হচ্ছে৷ দেখে নেয়া হচ্ছে ব্যবস্থাপনা ও সক্ষমতাও৷

ভারতের সিরাম ইনন্সিটিউট থেকে তিন কোটি টিকা আনতে গত নভেম্বরে সিরাম ইনস্টিটিউট ও বেক্সিমকোর মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়৷ প্রতি ডোজ টিকার দাম পড়বে পাঁচ ডলার৷ পরিবহন খরচ এক ডলার৷ তিন কোটি টিকার প্রথম কিস্তির ৫০ লাখ আগে আসবে। বাকি টিকা ধাপে ধাপে পাওয়া যাবে৷ তবে তার আগেই টিকার দাম পরিশোধ করতে হবে বাংলাদেশ সরকারকে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, যে দেড় কোটি টিকার জন্য দাম পরিশোধ করা হতে পারে৷ বাকিটা প্রথম কিস্তি আসার পর পরিশোধ করা হবে৷

এতো গেল টিকা আনার ব্যাপার। অন্যদিকে, বাংলাদেশে এই টিকা দেয়ার কোন ড্রাই রান বা মহড়া হবে কিনা তা নিশ্চিত নয় এখনও। স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানিয়েছেন, তালিকা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

টিকা নিতে বাংলাদেশের মানুষের আগ্রহ কেমন?

জরিপে দেখা গেছে, টিকা নেবেন কি না তা নিয়ে ৬৯ শতাংশ ভারতীয় দ্বিধায় আছেন। যদিও ১৬ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে দেশটিতে ‍টিকা প্রদান। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট কেমন তা এখনও বোঝা যাচ্ছে না। দেশে এখনও এরকম কোন পরিসংখ্যান বা জরিপ করেনি সরকারি বা বেসরকারি কোন সংস্থা।

যুক্তরাজ্য প্রথম দেশ হিসেবে টিকা প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করে। এরপর একে একে অন্যান্য দেশগুলো। টিকা প্রয়োগের পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবরটি মানুষের কাছে পোঁছে গেছে। ফলে টিকা নিতে মানুষের অনাগ্রহ বিশ্বব্যাপী লক্ষণীয়। বিশ্বনেতারা সেকারণে তাদের টিকা নেয়ার দৃশ্য টেলিভিশনে সম্প্রচার করে সচেতনতা তৈরিতে দৃষ্টি স্থাপন করেছেন বিভিন্ন দেশে। তারপরও মানুষ টিকা নিতে পুরোপুরি স্বস্তি পাচ্ছে না। এ পর্যন্ত যেসব টিকা অনুমোদন পেয়েছে এবং যেগুলো অদূর ভবিষ্যতে অনুমোদন পেতে যাচ্ছে, সেগুলো কত দিন সুরক্ষা দেবে, তাও জানা নেই। টিকার মাধ্যমে যদি জীবনভর সুরক্ষা পাওয়া না যায়, তাহলে সংক্রমণের ঝুঁকি থেকেই যায় বৈকি।

বিশ্বের দাপুটে দেশগুলো যখন করোনা মহামারিতে জর্জরিত, বেসামাল হয়ে পড়েছে, তখন বাংলাদেশের চিত্রটা একটু ভিন্ন বলা চলে। বাস্তবতার নিরিখে অসম্ভব হলেও করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে বাংলাদেশ সরকার। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ র‌্যাঙ্কিংয়ে মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশের অবস্থান ২০তম।

অনেকটা স্বস্তি থাকলেও টিকা প্রয়োগ কার্যক্রম সফল করতে এখনই মাঠে নামার প্রয়োজন বলে মনে করছেন অনেকে। সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে আরও বেশি প্রচারণা চালানোর পরামর্শও তাদের।

145 ভিউ

Posted ১:১৯ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারি ২০২১

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com