হাবিবুর রহমান সোহেল,নাইক্ষ্যংছড়ি(২৯ ডিসেম্বর) :: রামুর গর্জনিয়াতে পিইসি পরীক্ষার্থী মরিয়ম কে গোপনে বিয়ে দিচ্ছে পরিবার,এমন খবরে কক্সবাজারের রামু উপজেলা জুড়ে টক অব দ্যা নিউজে পরিনত হয়েছে।পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহাজান আলীর হস্তক্ষেপে পন্ড হয়ে মরিয়মের বিবাহ।
২৯ ডিসেম্বর গর্জনিয়া জুমছড়ি এলেকায় এই ঘঠনা ঘঠে।
সরে জমিনে পরিদর্শন কালে জানা যায়, জেলার রামু উপজেলাধীন গর্জনিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম জুমছড়ি এলাকার কৃষক মোঃ হোচনের কিশোরী কন্যা মরিয়ম বেগম (১৩) সম্প্রতি অনুষ্টিত পিইসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। জুমছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পিইসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।
জুমছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হামিদুর রহমান জানান মরিয়ম অত্র বিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্রী ছিল,পড়ালেখায় ও অত্যন্ত মেধাবী,সবেমাত্র পিইসি পরীক্ষা দিয়েছে।
এমন একজন কিশোরী মেয়ে কে অসময়ে জোর করে বিয়ের দেয়ার খবরে আমরা রীতিমতো আতংকিত।জুমছড়ি এলাকার আবু তাহের জানান দরিদ্র দিনমজুর মোঃ হোচন অর্থাভাবে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেক বাচ্চা সন্তানের সংসার নিয়ে নুন আনতে পান্তা ফুরায়।এমন পরিস্হিতিতে ১৩ বছরের কিশোরী মেয়ে কে কক্সবাজারের একজন অর্থশালীর কাছে বিয়ে দিচ্ছে বলে এলাকায় লোকজনের মুখে মুখে শুনছি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নির্ভর যোগ্য একটি সুত্র জানিয়েছে কিশোরী মরিয়মের বাবা মোঃ হোচনের নিকটাত্মীয় কক্সবাজারের ঝিনুক মার্কেটের একজন ব্যবসায়ী আব্দুল গফুর।
এই আব্দুল গফুর ই মুলত তার একজন পরিচিত ধনাঢ্য ব্যক্তির কাছ থেকে আর্থিক ফায়দার লোভ দেখিয়ে কিশোরী মরিয়মের বাবা মোঃ হোচন ও মা রশিদা খাতুন এর সম্মত করেছে।
গত ২৯ ড়িসেম্বর কিশোরী মরিয়ম (১৩) কে নিজ বাড়ী পশ্চিম জুমছড়ি মরিচ্যাচর এলাকা থেকে কক্সবাজার সদরের ঝিনুক শামুক ব্যবসায়ী আব্দুল গফুরের বাসায় নিয়ে আসে।গোপনে বিয়ের সব প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে।কিন্তু বাধ সেধেছে বিয়ের প্রাপ্ত বয়স, বয়স ১৮ বছর করে জম্ম নিবন্ধন করার জন্য মোটা অংকের মিশন নিয়ে গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সহ দায়িত্বশীলদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।
আবার সদর উপজেলা কাজী অফিসের দায়িত্বশীল কয়েকজনের সাথে চুক্তিতে কাবিননামা করার জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এলেকার সচেতন মহল এ ঘঠনার তীব্র প্রতিবাদ জানান।