সোমবার ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

সোমবার ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

চকরিয়ার বরইতলিতে বসতবাড়ি গুড়িয়ে দিলেন দূর্বৃত্তরা

সোমবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮
196 ভিউ
চকরিয়ার বরইতলিতে বসতবাড়ি গুড়িয়ে দিলেন দূর্বৃত্তরা

মো: ফারুক,পেকুয়া(১০ সেপ্টেম্বর) :: চকরিয়ার বরইতলিতে কিস্তির টাকা পরিশোধ না করার অজুহাতে অসহায়ের বসতবাড়ি গুড়িয়ে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা।

এমনকি বসতবাড়ি সংলগ্ন মুদির দোকান ভাংচুর করার পাশাপাশি মালামালও লুট করে নিয়ে যায় দূর্বৃত্তরা। এঘটনায় ৮লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে জানান ভুক্তভোগি পরিবার। এনিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টার দিকে চকরিয়া উপজেলার বরইতলি ইউনিয়নের মহাজির পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগি পরিবার ওই এলাকার মাহমদ আলীর পুত্র আবুল কাশেম। ঘটনা সংগঠিত হওয়ার সময় তিনি বাড়িতে থাকলেও তার পিতা ও পুত্র মোঃ সোহেল বাড়িতে অবস্থান করলেও দূর্বৃত্তরা দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত থাকায় প্রতিবাদ করতে সাহস পায়নি। এলাকাবাসীও ভয়ে এগিয়ে আসতে পারেনি।

বাড়ির মালিক আবুল কাশেমের পিতা মাহমদ আলী সাংবাদিকদের বলেন, বিভিন্ন কারণে আবুল কাশেম দেনাগ্রস্ত হয়। দেনা করেন বিভিন্ন এনজিও সংস্থা থেকেও। তা গ্রুপ আকারে টাকা আদায় করতেন। বেশি দেনা হওয়ায় পুত্র আবুল কাশেম বসতবাড়ি ও দোকান রেখে অন্যত্র চলে যায়। দোকানটি দেখাশুনা করত তার পুত্র মোঃ সোহেল। তার আয় দিয়েই চলত সংসার।

গ্রুপ আকারে দেনা করা হারুণ নামের এক ব্যক্তি দলবল নিয়ে আবুল কাশেমের বসতবাড়ি গুড়িয়ে দেয়। যাওয়ার সময় দোকান ও বসতবাড়ির মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। তাতে ৮লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। তাদের ভয়ে আমরা কিছুই করতে পারিনি।

আবুল কাশেমের পুত্র মোঃ সোহেল বলেন, আমার পিতা দেনাগ্রস্ত হওয়ায় এলাকার বাইরে ছিল। এ সুযোগে মোঃ হারুণ ও তার পরিবারসহ ১৫/২০ জনের একদল লোক আমাদের বসতবাড়িতে তান্ডব চালিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।

টাকা পেলে এভাবে তান্ডব চালানোর ঘটনা নজিরবিহীন। বসতবাড়ি হারিয়ে আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। আমি অপরাধীদের শাস্তি দাবী করছি।

প্রতিবেশি মানিক, আকতার হোসেন ও জন্নাতুল ফেরদৌসসহ আরো কয়েকজন বলেন, মানুষ এত বর্বর হতে পারে তা জানা ছিলনা। পাওনা টাকার জন্য মাঠির বাড়িটি সম্পূর্ন গুড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দোকান ভাংচুর লুট করে নিয়ে গেছে।

এ ঘটনায় আশা ব্যাংকের লোকজন দেখতে এসে হতবাক হয়ে যান। ওই সময় আশা ব্যাংকের লোকজন আমাদের সামনে বলেন, টাকা পাচ্ছি আমরা। ঘর বাড়ি ভেঙ্গে দিয়েছে অন্যজন। এটা মেনে নেওয়া যায়না।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জালাল সিকদার বলেন, এ রকম কোন ঘটনার কথা আমাকে কেউ জানায়নি। তাতে আমি কি করতে পারি।

196 ভিউ

Posted ১১:৩৭ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com