
কক্সবাংলা ডটকম(৭ সেপ্টেম্বর) :: অক্ষিগোলকের ব্যাসার্ধ বেড়ে গেলে আমরা কাছের জিনিস দেখতে পেলেও দূরের জিনিস দেখতে পাই না। সমস্যা গুরুতর হলে আক্রান্ত ব্যক্তি শুধু কাছের জিনিস দেখতে পায়। এ সমস্যা হঠাৎ করে হতে পারে। শিশু-কিশোররা এ সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হয়।
এ রোগের কারণ হলো অক্ষিগোলক বড় হলে বা ব্যাসার্ধ বেড়ে গেলে লেন্সের ফোকাস ক্ষমতা কমে যায়।দৃষ্টি হয় ক্ষীণ। এ ক্ষেত্রে আলোকরশ্মি কর্নিয়ার সামনের একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে আপতিত হয়। কর্নিয়া বা লেন্স বেঁকে গেলেও এ সমস্যার সৃষ্টি হয়। দৃষ্টি ক্ষীণ হওয়ার আরও উল্লেখযোগ্য কারণ হলো মা-বাবার এ সমস্যা থাকলে সন্তানের হতে পারে।
বেশি সময় ধরে বই পড়লে বা এমন কাজ করলে, যেখানে কোনো কাছের বস্তুর দিকে একনাগাড়ে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে থাকতে হয়।
রোগের লক্ষণ হলো চোখে কম দেখা, ঘোলাটে দৃষ্টি, চোখ ব্যথা হওয়া, চোখের লালভাব, চোখের অভ্যন্তরে কোনো কিছুর অস্তিত্ব অনুভব, চোখে চুলকানি, চোখ দিয়ে পানি পড়া, চোখের অস্বাভাবিক নড়াচড়া, অন্ধত্ব, চোখের বিচ্যুতি, চোখের পাতার অস্বাভাবিক নড়াচড়া ইত্যাদি।
পরামর্শ : ক্ষীণদৃষ্টি প্রতিরোধ করা যায় না। তবে শারীরিক ব্যাধি নিরাময়ে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে চোখ বাঁচাতে সানগøাস ব্যবহার করতে হবে। খেতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার। পরিহার করতে হবে ধূমপান। ত্যাগ করতে হবে কম আলোয় পড়াশোনাও।

Posted ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮
coxbangla.com | Chanchal Das Gupta