মঙ্গলবার ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

মঙ্গলবার ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

জামায়াত নিষিদ্ধে আদালতের রায় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
123 ভিউ
জামায়াত নিষিদ্ধে আদালতের রায় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাংলা ডটকম(৬ ফেব্রুয়ারি) :: জামায়াত নিষিদ্ধে আদালতের রায় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংসদে গতকাল তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীর এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শর্ত পূরণ করতে পারেনি বলে নির্বাচন কমিশন জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করেছে। এখন তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার একটা মামলা কোর্টে রয়ে গেছে। এ মামলার রায় যতক্ষণ না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত বোধ হয় আমরা কোনো কিছু করতে পারব না। যদি আদালতের রায় খুব শিগগিরই হয়ে যায়, তাহলে জামায়াত দল হিসেবে নিষিদ্ধ হবে বলে আমি আশা করি।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমানের প্রশ্নের উত্তরে বিএনপি-জামায়াত জোটের ভরাডুবির কারণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে তারা এক আসনে ৩-৪ বা তারও বেশি প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ ছিল। তারা দুর্বল প্রার্থী দিয়েছিল। নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, সে বিষয়েও অনিশ্চয়তা ছিল। নিজেরা জনগণের জন্য কী করবে, সে কথা তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে তারা। এছাড়া ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াতের দেশব্যাপী অগ্নিসন্ত্রাস ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের মন থেকে মুছে যায়নি।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বিএনপির ধানের শীষ মার্কায় যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতাদের মনোনয়ন তরুণ ভোটাররা মেনে নিতে পারেনি। তরুণরা আর যা-ই হোক স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির পক্ষ নিতে পারে না। এসব কারণে ভোটাররা বিএনপির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন এবং নৌকার অনুকূলে এবার গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। সেই কারণেই আমাদের এ বিশাল বিজয় অর্জন। তাই এ বিজয়কে আমি দেশের মানুষের বিজয় বলে মনে করি।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি রেকর্ডের জন্য রাজনীতি করি না। আমার বাবা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সময় আল্লাহর অশেষ কৃপায় আমরা দুই বোন প্রাণে বেঁচে যাই। আমি এর আগে কোনোদিন চিন্তাই করিনি জাতীয় রাজনীতিতে আসব। যদিও ছাত্রাবস্থাতেই আমি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম। প্রধানমন্ত্রিত্ব আমার কাছে উপভোগের কোনো বিষয় নয়; এটি একটি দায়িত্ব এবং অবশ্যই কঠিন দায়িত্ব। যখনই আপনারা আমাকে এ দায়িত্ব দিয়েছেন, তখনই আমি আরো বেশি করে দায় বোধ করছি। মানুষের ভালোবাসা, প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব যাতে আমি আরো ভালোভাবে পালন করতে পারি, মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে সব সময়ই আমি এ প্রার্থনা করি।

পিরোজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর এক প্রশ্নের উত্তরে শেখ হাসিনা বলেন, কারিগরি দিক থেকে অত্যন্ত জটিল পদ্মা সেতুর পাইল ড্রাইভিং চলাকালে সয়েল কন্ডিশনের কারণে কিছু পাইলের পুনঃনকশা করতে হয়েছে। দেশী ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী এসব নকশার কাজ সম্পন্ন করতে অতিরিক্ত সময় লেগেছে। তার পরও ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। এরই মধ্যে প্রকল্পের ৬২ শতাংশ ভৌত কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি জানান, পদ্মা রেল সংযোগের আওতায় ফরিদপুর, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলার ৫৮২ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, নড়াইল ও যশোর জেলার আরো ১ হাজার ২০৩ একর জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ এগিয়ে চলছে।

ঝিনাইদহ-৪ আসনের আনোয়ারুল আজিমের এক প্রশ্নের জবাবে ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ, ঋণ সুবিধা, অনুদান ও কর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে যুবসমাজকে শিক্ষিত, দক্ষ, কর্মমুখী ও আত্মনির্ভরশীল করে তোলা হচ্ছে। দেশে ১৫ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সী কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৫৮ দশমিক ২ শতাংশ। এর মধ্যে ৪০ দশমিক ৬ শতাংশ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বাংলাদেশ পরিসংখ্যার ব্যুরোর লেবার ফোর্স সার্ভে ২০১৬-১৭-এর হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে ২৬ লাখ ৭৭ হাজার বেকার রয়েছে, যা মোট শ্রমশক্তির ৪ দশমিক ২ শতাংশ। এ অবস্থায় ১০০টি ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

রোহিঙ্গা বিষয়ে ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের অপর এক প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা বলেন, পরিচিতি যাচাইয়ের জন্য গত বছর মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে ৮ হাজার ৩২ জন রোহিঙ্গার তালিকা সরবরাহ করা হলেও তারা এর মধ্যে ৫ হাজার ৩৮৪ জনকে মিয়ানমারের অধিবাসী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বাকি দুই হাজার ৪৩১ জনকে নিবন্ধনকৃত পরিবারের তালিকায় খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে মিয়ানমার সরকার আমাদের জানিয়েছে। দুদেশের সম্মতিক্রমে ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর প্রত্যাবাসনের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ায় রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় ফেরত যেতে রাজি হয়নি। রোহিঙ্গাদের প্রতি অত্যাচার-নির্যাতন ও নিপীড়ন বন্ধ করে তাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছি। আশা করা যায় মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ শিগগিরই রাখাইন রাজ্যে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে যথাসম্ভব দ্রুত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

123 ভিউ

Posted ১০:০৫ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

coxbangla.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

Archive Calendar

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  

Editor & Publisher

Chanchal Dash Gupta

Member : coxsbazar press club & coxsbazar journalist union (cbuj)
cell: 01558-310550 or 01736-202922
mail: chanchalcox@gmail.com
Office : coxsbazar press club building(1st floor),shaheed sharanee road,cox’sbazar municipalty
coxsbazar-4700
Bangladesh
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ABOUT US :

coxbangla.com is a dedicated 24x7 news website which is published 2010 in coxbazar city. coxbangla is the news plus right and true information. Be informed be truthful are the only right way. Because you have the right. So coxbangla always offiers the latest news coxbazar, national and international news on current offers, politics, economic, entertainment, sports, health, science, defence & technology, space, history, lifestyle, tourism, food etc in Bengali.

design and development by : webnewsdesign.com