
হুমায়ূন রশিদ,টেকনাফ(৬ আগষ্ট) :: টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৭০ হাজার ৩শ পিস ইয়াবা বড়ি ও নগদ টাকাসহ কথিত মৌলভী নামধারী ছদ্মবেশী ইয়াবা চোরাকারবারীসহ ৩জনকে আটক করেছে। অপর একজনকে পলাতক আসামী করা হয়েছে।
জানা যায়, ৬ এপ্রিল দুপুরে টেকনাফ মডেল থানা হলরোম মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
এতে জানানো হয়,টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ রনজিত কুমার বড়–য়া নিজস্ব গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে এসআই নাজিম উদ্দিনের সমন্বয়ে শক্তিশালী পুলিশী টহল দল নিয়ে গত ৫ আগষ্ট রাত ৮টারদিকে শাহপরীর দ্বীপ উত্তর পাড়ার মরহুম নুরুল হক প্রকাশ নুরু মেম্বারের পুত্র ছদ্মবেশী মৌলভী ও তালিকাভূক্ত ইয়াবা চোরাকারবারী আরমানের বাড়িতে তাকে আটক করে।
জিজ্ঞাসাবাদে তার স্বীকারোক্তিমতে বসত-বাড়ির পশ্চিমে সুপারী বাগানে মাটি খনন করে প্লাস্টিক ড্রামের ভেতরে অভিনব কায়দায় লুকানো ইয়াবার চালান উদ্ধার করে। তা থানা এনে গণনা করে ৫ কোটি ১০ লক্ষ টাকা মূল্যমানের ১লাখ ৭০ হাজার ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়। এদিকে শাহপরীর দ্বীপ ক্যাটল করিডোরের আড়ালে এখনো অনেকে মাদক চোরাচালানে লিপ্ত থেকে এই অপকর্মে চালিয়ে আসছে।
অপরদিকে একই দিন বিকাল ৫টারদিকে টেকনাফ মডেল থানার এসআই নাজিম উদ্দিন ও এএসআই মুরাদ হোসেন সর্ঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে আটককৃত এক মহিলার স্বীকারোত্তিতে সদর ইউনিয়নে অভিযানে গিয়ে বড় হাবিব পাড়ার মৃত করিমের পুত্র হাবিব উল্লাহ (৩০) ও খাংকার ডেইলের সানা উল্লাহর স্ত্রী জাহানারা (২২) কে আটক করে দেহ ও ভ্যানিটি ব্যাগ তল্লাশী করে ৩শ পিস ইয়াবাসহ নগদ ৫ হাজার টাকা জব্দ করে।
এসময় ঘটনাস্থল থেকে একই এলাকার বশির আহমদের পুত্র সানা উল্লাহ (৩৫) ঘটনাস্থল থেকে পালিযে যায়। এই ব্যাপারে ধৃত ও পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ রনজিত কুমার বড়–য়া জানান,মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্সনীতি বাস্তবায়নে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ লোভ-লালসার উর্ধ্বে উঠে এই মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
আছে।

Posted ২:৩৩ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৬ আগস্ট ২০১৮
coxbangla.com | Chanchal Das Gupta